১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
সন্তানের প্রতি মায়ের দায়িত্ব
প্রতিটি মায়ের উপর আবশ্যক হয়ে পড়ে যে, সে সন্তানের প্রতি তাঁর দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে এবং তাঁকে উত্তম আচরণ শিক্ষা দেবে। ইসলামী জ্ঞান শিক্ষা দিয়ে পরকালের মুক্তির পথ খুঁজে দেবে। যেমন-
১. সন্তানের জীবন রক্ষায় যত্নবান হওয়া :
﴿وَلَا تَقْتُلُوْاۤ اَوْلَادَكُمْ خَشْيَةَ اِمْلَاقٍؕ نَحْنُ نَرْزُقُهُمْ وَاِيَّاكُمْؕ اِنَّ قَتْلَهُمْ كَانَ خِطْئًا كَبِيْرًا﴾
তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে দারিদ্রতার ভয়ে হত্যা করো না। কেননা আমিই তাদেরকে রিযিক প্রদান করি এবং তোমাদেরকেও। নিশ্চয় তাদেরকে হত্যা করা মহাপাপ। (সূরা বনী ইসরাঈল- ৩১)
জাহেলী যুগের আরবরা দারিদ্রতার ভয়ে শিশুদেরকে হত্যা করে ফেলত অথবা অকালে গর্ভপাত ঘটিয়ে বাচ্চা নষ্ট করে দিত। অর্থনৈতিক উপায়-উপকরণের স্বল্পতার আশঙ্কায় সন্তান উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বন্ধ করে দিতে উদ্যত হওয়া মানুষের কাজ নয়। রিযিক পৌঁছানোর ব্যবস্থা আল্লাহর আয়ত্তাধীন। দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে জনসংখ্যা যতই বৃদ্ধি হয়েছে ঠিক সেই পরিমাণে বা তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে অর্থনৈতিক উপায়-উপকরণ বেড়ে গিয়েছে।
২. গর্ভাবস্থায় সর্বদা শান্ত থাকা :
সন্তান গর্ভে থাকাকালীন সময়ে প্রত্যেকটি মাকে সর্বদা শান্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে। সন্তান গর্ভে থাকাকালে মায়ের চরিত্র তার মাঝে প্রভাব ফেলে থাকে। সুতরাং প্রত্যেকটি গর্ভবতী মায়ের উচিত হবে, এ সময় সর্বপ্রকার ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলা, খিটখিটে চরিত্র প্রদর্শন না করা এবং সর্বদা সদ্ব্যবহার প্রদর্শন করা।
৩. ভ্রুণ অবস্থায় সন্তানের রক্ষণাবেক্ষণ করা :
গর্ভবতী মা তার দীর্ঘ গর্ভকালীন সময়ের মধ্যে অনেক পরিস্থিতির শিকার হন। সুতরাং তাকে অবশ্যই এ বিষয়টির উপর মনোযোগ দিতে হবে, যাতে তার গর্ভস্থিত সন্তান নিরাপদে বের হয়ে আসে। যেমন- অতি কষ্টকর কাজ করা থেকে বিরত থাকা- যা দ্বারা গর্ভে অবস্থিত সন্তানের কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া, গর্ভে অবস্থিত সন্তানের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করা ইত্যাদি।
৪. নবজাতক সন্তানের রক্ষণাবেক্ষণ করা :
সন্তান জন্মলাভ করার পর তার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পিতামাতার উপর কিছু আবশ্যকীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারিত হয়ে যায়, যেগুলো পিতামাতার কাছে সন্তানের অধিকারসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
১. সন্তানের জীবন রক্ষায় যত্নবান হওয়া :
﴿وَلَا تَقْتُلُوْاۤ اَوْلَادَكُمْ خَشْيَةَ اِمْلَاقٍؕ نَحْنُ نَرْزُقُهُمْ وَاِيَّاكُمْؕ اِنَّ قَتْلَهُمْ كَانَ خِطْئًا كَبِيْرًا﴾
তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে দারিদ্রতার ভয়ে হত্যা করো না। কেননা আমিই তাদেরকে রিযিক প্রদান করি এবং তোমাদেরকেও। নিশ্চয় তাদেরকে হত্যা করা মহাপাপ। (সূরা বনী ইসরাঈল- ৩১)
জাহেলী যুগের আরবরা দারিদ্রতার ভয়ে শিশুদেরকে হত্যা করে ফেলত অথবা অকালে গর্ভপাত ঘটিয়ে বাচ্চা নষ্ট করে দিত। অর্থনৈতিক উপায়-উপকরণের স্বল্পতার আশঙ্কায় সন্তান উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বন্ধ করে দিতে উদ্যত হওয়া মানুষের কাজ নয়। রিযিক পৌঁছানোর ব্যবস্থা আল্লাহর আয়ত্তাধীন। দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে জনসংখ্যা যতই বৃদ্ধি হয়েছে ঠিক সেই পরিমাণে বা তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে অর্থনৈতিক উপায়-উপকরণ বেড়ে গিয়েছে।
২. গর্ভাবস্থায় সর্বদা শান্ত থাকা :
সন্তান গর্ভে থাকাকালীন সময়ে প্রত্যেকটি মাকে সর্বদা শান্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে। সন্তান গর্ভে থাকাকালে মায়ের চরিত্র তার মাঝে প্রভাব ফেলে থাকে। সুতরাং প্রত্যেকটি গর্ভবতী মায়ের উচিত হবে, এ সময় সর্বপ্রকার ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলা, খিটখিটে চরিত্র প্রদর্শন না করা এবং সর্বদা সদ্ব্যবহার প্রদর্শন করা।
৩. ভ্রুণ অবস্থায় সন্তানের রক্ষণাবেক্ষণ করা :
গর্ভবতী মা তার দীর্ঘ গর্ভকালীন সময়ের মধ্যে অনেক পরিস্থিতির শিকার হন। সুতরাং তাকে অবশ্যই এ বিষয়টির উপর মনোযোগ দিতে হবে, যাতে তার গর্ভস্থিত সন্তান নিরাপদে বের হয়ে আসে। যেমন- অতি কষ্টকর কাজ করা থেকে বিরত থাকা- যা দ্বারা গর্ভে অবস্থিত সন্তানের কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া, গর্ভে অবস্থিত সন্তানের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করা ইত্যাদি।
৪. নবজাতক সন্তানের রক্ষণাবেক্ষণ করা :
সন্তান জন্মলাভ করার পর তার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পিতামাতার উপর কিছু আবশ্যকীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারিত হয়ে যায়, যেগুলো পিতামাতার কাছে সন্তানের অধিকারসমূহের অন্তর্ভুক্ত।