১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
মুসলিম নারীর আকীদা
মানুষ যার সাথে নিজের অন্তরের সুদৃঢ় সম্পর্ক স্থাপন করে, যে আদর্শ ও বিশ্বাসকে লালন করে মানুষ তার সমগ্র জীবন পরিচালনা করে, যে বিশ্বাস ও কর্মধারার প্রতি ব্যক্তির মনে সামান্যতম সন্দেহের অবকাশ থাকে না তাকে ‘আকীদা’ বলা হয়।
সঠিক আকীদা পোষণের অপরিহার্যতা :
আকীদা দ্বীনের মৌলিক বিষয়। আকীদা সঠিক হওয়ার উপরই ঈমান ও আমলের যথার্থতা নির্ভরশীল। তাই আকীদার বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা একজন মুসলিমের অপরিহার্য দায়িত্ব। কেননা হাজারো মতাদর্শের মধ্যে সত্যের সন্ধান পাওয়া এবং সত্য ও স্বচ্ছ দ্বীনের দিকে ফিরে আসা বিশুদ্ধ আকীদা অবলম্বন ব্যতীত সম্ভব নয়।
বিশ্বাসের বিশুদ্ধতা ব্যতীত কোন ব্যক্তি প্রকৃত অর্থে মুসলিম হতে পারে না। প্রতিটি কথা ও কর্ম যদি বিশুদ্ধ আকীদা ও বিশ্বাস থেকে নির্গত না হয় তবে তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَمَنْ يَّكْفُرْ بِالْإِيْمَانِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُه ̒ وَهُوَ فِي الْاٰخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ﴾
যে ব্যক্তি ঈমানকে অস্বীকার করবে তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রসত্ম হবে। (সূরা মায়েদা- ৫)
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,
﴿وَلَقَدْ أُوْحِيَ إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُوْنَنَّ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ﴾
(হে নবী!) আমি তোমাকে এবং তোমার পূর্ববর্তীদেরকে প্রত্যাদেশ করেছি যে, যদি তুমি আমার শরীক স্থাপন কর তবে তোমার যাবতীয় আমল বিফলে যাবে এবং তুমি ক্ষতিগ্রসত্মদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা যুমার- ৬৫)
মানুষ যুগে যুগে পথভ্রষ্ট হয়েছে মূলত আকীদার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ঘটার কারণে। এজন্য বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে জানা অপরিহার্য।
বিশুদ্ধ আকীদা বিশুদ্ধ ঈমানের মাপকাঠি, যা বাহ্যিক আমলকেও বিশুদ্ধ করে। যখন আকীদায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় তখন ঈমানও বিভ্রান্তিপূর্ণ হয়ে যায়। আকীদার সাথে সংশ্লিষ্ট পাপ তথা শিরক এমন ধ্বংসাত্মক পাপ যে, পাপী তওবা না করে মারা গেলে সে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে।
আকীদা সঠিক না থাকলে সৎকর্মশীলকেও জাহান্নামে যেতে হবে। যেমন একজন মুনাফিক বাহ্যিকভাবে ঈমান ও সৎকাজ করার পরও অন্তরে কুফরী পোষণের কারণে সে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّ الْمُنَافِقِيْنَ فِي الدَّرْكِ الْأَسْفَلِ مِنَ النَّارِ وَلَنْ تَجِدَ لَهُمْ نَصِيْرًا﴾
মুনাফিকরা তো জাহান্নামের নিম্নস্তরে থাকবে এবং তাদের জন্য তুমি কখনো কোন সাহায্যকারী পাবে না। (সূরা নিসা- ১৪৫)
একজন কাফির সারাজীবন ভালো আমল করলেও কিয়ামতের দিন সে তার দ্বারা উপকৃত হতে পারবে না। কেননা তার বিশ্বাস ছিল ভ্রান্তিপূর্ণ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَقَدِمْنَاۤ إِلٰى مَا عَمِلُوْا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَآءً مَّنْثُوْرًا﴾
সেদিন আমি তাদের কৃতকর্মের দিকে মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলো বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় রূপান্তরিত করব। (সূরা ফুরকান- ২৩)
কবরে আকীদা সম্পর্কেই প্রশ্ন করা হবে। সেদিন আমল সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন করা হবে না। যেমন- তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কী? তোমার নবী কে? এখান থেকেই মানুষের জীবনে আকীদার গুরুত্ব অনুভব করা যায়।
বিভ্রান্ত মতাদর্শের অনুসারী মুনাফিক, বিদআতী এবং ভিন্ন ধর্মানুসারী ইয়াহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও নাস্তিকদের থেকে আত্মরক্ষা করা প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য। এজন্য সঠিক আকীদা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখতেই হবে। আল্লাহ তা‘আলা সকল মুসলিম ভাই-বোনকে সঠিক আকীদার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত স্বচ্ছ ঈমানের উপর অটল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন!!
সঠিক আকীদা পোষণের অপরিহার্যতা :
আকীদা দ্বীনের মৌলিক বিষয়। আকীদা সঠিক হওয়ার উপরই ঈমান ও আমলের যথার্থতা নির্ভরশীল। তাই আকীদার বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা একজন মুসলিমের অপরিহার্য দায়িত্ব। কেননা হাজারো মতাদর্শের মধ্যে সত্যের সন্ধান পাওয়া এবং সত্য ও স্বচ্ছ দ্বীনের দিকে ফিরে আসা বিশুদ্ধ আকীদা অবলম্বন ব্যতীত সম্ভব নয়।
বিশ্বাসের বিশুদ্ধতা ব্যতীত কোন ব্যক্তি প্রকৃত অর্থে মুসলিম হতে পারে না। প্রতিটি কথা ও কর্ম যদি বিশুদ্ধ আকীদা ও বিশ্বাস থেকে নির্গত না হয় তবে তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَمَنْ يَّكْفُرْ بِالْإِيْمَانِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُه ̒ وَهُوَ فِي الْاٰخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ﴾
যে ব্যক্তি ঈমানকে অস্বীকার করবে তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রসত্ম হবে। (সূরা মায়েদা- ৫)
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,
﴿وَلَقَدْ أُوْحِيَ إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُوْنَنَّ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ﴾
(হে নবী!) আমি তোমাকে এবং তোমার পূর্ববর্তীদেরকে প্রত্যাদেশ করেছি যে, যদি তুমি আমার শরীক স্থাপন কর তবে তোমার যাবতীয় আমল বিফলে যাবে এবং তুমি ক্ষতিগ্রসত্মদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা যুমার- ৬৫)
মানুষ যুগে যুগে পথভ্রষ্ট হয়েছে মূলত আকীদার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ঘটার কারণে। এজন্য বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে জানা অপরিহার্য।
বিশুদ্ধ আকীদা বিশুদ্ধ ঈমানের মাপকাঠি, যা বাহ্যিক আমলকেও বিশুদ্ধ করে। যখন আকীদায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় তখন ঈমানও বিভ্রান্তিপূর্ণ হয়ে যায়। আকীদার সাথে সংশ্লিষ্ট পাপ তথা শিরক এমন ধ্বংসাত্মক পাপ যে, পাপী তওবা না করে মারা গেলে সে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে।
আকীদা সঠিক না থাকলে সৎকর্মশীলকেও জাহান্নামে যেতে হবে। যেমন একজন মুনাফিক বাহ্যিকভাবে ঈমান ও সৎকাজ করার পরও অন্তরে কুফরী পোষণের কারণে সে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّ الْمُنَافِقِيْنَ فِي الدَّرْكِ الْأَسْفَلِ مِنَ النَّارِ وَلَنْ تَجِدَ لَهُمْ نَصِيْرًا﴾
মুনাফিকরা তো জাহান্নামের নিম্নস্তরে থাকবে এবং তাদের জন্য তুমি কখনো কোন সাহায্যকারী পাবে না। (সূরা নিসা- ১৪৫)
একজন কাফির সারাজীবন ভালো আমল করলেও কিয়ামতের দিন সে তার দ্বারা উপকৃত হতে পারবে না। কেননা তার বিশ্বাস ছিল ভ্রান্তিপূর্ণ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَقَدِمْنَاۤ إِلٰى مَا عَمِلُوْا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَآءً مَّنْثُوْرًا﴾
সেদিন আমি তাদের কৃতকর্মের দিকে মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলো বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় রূপান্তরিত করব। (সূরা ফুরকান- ২৩)
কবরে আকীদা সম্পর্কেই প্রশ্ন করা হবে। সেদিন আমল সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন করা হবে না। যেমন- তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কী? তোমার নবী কে? এখান থেকেই মানুষের জীবনে আকীদার গুরুত্ব অনুভব করা যায়।
বিভ্রান্ত মতাদর্শের অনুসারী মুনাফিক, বিদআতী এবং ভিন্ন ধর্মানুসারী ইয়াহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও নাস্তিকদের থেকে আত্মরক্ষা করা প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য। এজন্য সঠিক আকীদা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখতেই হবে। আল্লাহ তা‘আলা সকল মুসলিম ভাই-বোনকে সঠিক আকীদার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত স্বচ্ছ ঈমানের উপর অটল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন!!