১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪০
একজন সফল মহিলা দাঈর গুণাবলি
১. আল্লাহ তা‘আলার জন্য একনিষ্ঠভাবে দাওয়াতী কাজ করা। আর তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস।
২. ধৈর্যধারণ করা ও কষ্টসহিষ্ণু হওয়া। কারণ দাওয়াতী কাজ একটি ভারী দায়িত্বপূর্ণ কাজ এবং তার প্রতিবন্ধকতাও অনেক। সুতরাং তা উত্তরণের জন্য প্রয়োজন ধৈর্যের।
৩. ভালো কাজ এবং উত্তম চরিত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা। কারণ দাওয়াতদাতা ইতিবাচক ফলাফল লাভ করতে না পারার অন্যতম কারণ হলো, কথার সাথে কাজের গরমিল।
৪. তাড়াহুড়া না করা। কেননা পথ অনেক লম্বা। সুতরাং দাঈ নারী তার লক্ষ্যে পৌঁছতে এবং তার দাওয়াতের পথে অবিচল থাকতে এই মহৎ গুণটি দ্বারা উপকৃত হতে পারে। রাসূলুল্লাহ ﷺ আবদুল কায়েস গোত্রের আশাজকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নিশ্চয় তোমার মধ্যে এমন দুটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে, যেগুলোকে আল্লাহ তা‘আলা পছন্দ করেন। সেগুলো হলো, ধৈর্য ও সহনশীলতা। [সহীহ মুসলিম, হা/১২৬।]
৫. প্রত্যেক ব্যাপারে সততার পরিচয় দেয়া। মানুষের সাথে সৎ আচরণ করা এবং কথা ও কাজে সত্য অবলম্বন করা। সুতরাং সে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের ব্যাপারে মিথ্যা বলবে না। কারণ এটা জঘন্য ও ভয়াবহ মিথ্যাচার। আর সাধারণ মানুষের সাথেও মিথ্যা বলবে না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।
৬. সেসব বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে জানা, যে অবস্থার মধ্যে মুসলিম নারী জীবনযাপন করে। সুতরাং সে ততটুকুই আলোচনা করবে যতটুকু কোন মুসলিম নারী বুঝে ও ধারণ করতে পারে। অতএব যখন সে মানুষের বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবে, বিশেষ করে নারীর অবস্থা সম্পর্কে, তখন সে তাদের হৃদয়ে পৌঁছতে সক্ষম হবে এবং তাদের সমস্যাসমূহ প্রতিকার করতে পারবে। আর তাদের সাথে তাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে পারবে।
৭. নিজের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদির উপর শরীয়তের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দিককে প্রাধান্য দেবে। সুতরাং তার সার্বক্ষণিক চিন্তা থাকবে অন্যদেরকে হেদায়াতের দাওয়াত দেয়া। তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করা এবং তাদের মধ্যে যারা শত্রুদের পাতা ফাঁদে জড়িয়ে গেছে তাদেরকে উদ্ধার করা।
৮. শরীয়তের বিধান মোতাবেক আদব-কায়দা ও শিষ্টাচার সম্পন্না হবে। বিশেষ করে আবশ্যকীয় বিষয়গুলো অনুসরণের মাধ্যমে। যেমন- শরয়ী পর্দা অবলম্বন করা, পুরুষদের সাথে মেলামেশা না করা ইত্যাদি।
৯. মাহরাম পুরুষ ব্যতীত দূরে ভ্রমণ করবে না। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, মাহরাম পুরুষ ছাড়া নারী যেন ভ্রমণ না করে। [সহীহ বুখারী, হা/১৭৬৩; সহীহ মুসলিম, হা/৩৩২২।]
১০. অপরিচিত পুরুষের সাথে একাকী নির্জনে অবস্থান করবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, কোন পুরুষ কোন নারীর সাথে নির্জনে সাক্ষাৎ করবে না। এমনটি করলে তাদের তৃতীয়জন হবে শয়তান। [তিরমিযী, হা/১১৭১।]
১১. অপরিচিত পুরুষদের সাথে তার মেলামেশা করবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ ﷺ নারীদেরকে লক্ষ্য করে বলেছেন, তোমরা (রাস্তায় চলার সময়) পেছনে পেছনে চলো। কেননা তোমাদের জন্য রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটার সুযোগ নেই। তোমাদের উচিত হলো, রাস্তার পাশ দিয়ে পথ চলা। এ আদেশের পর থেকে নারীরা প্রাচীরের সাথে মিশে পথ চলত। এমনকি এ কারণে তাদের কাপড় প্রাচীরের সাথে ঝুলে যেত। [আবু দাউদ, হা/৫২৭৪।]
সারকথা হলো এই যে, নারীরা দাওয়াতী কাজ করবে তাদের সমসাময়িক নারীদের মধ্যে। সুতরাং তারা এক্ষেত্রে নিজেদের সামর্থ্যানুযায়ী যথাযথ পদ্ধতি ও উপায় উপকরণসমূহ ব্যবহার করবে এবং কোনক্রমেই শরয়ী নিয়মনীতির বাইরে যাবে না।
২. ধৈর্যধারণ করা ও কষ্টসহিষ্ণু হওয়া। কারণ দাওয়াতী কাজ একটি ভারী দায়িত্বপূর্ণ কাজ এবং তার প্রতিবন্ধকতাও অনেক। সুতরাং তা উত্তরণের জন্য প্রয়োজন ধৈর্যের।
৩. ভালো কাজ এবং উত্তম চরিত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা। কারণ দাওয়াতদাতা ইতিবাচক ফলাফল লাভ করতে না পারার অন্যতম কারণ হলো, কথার সাথে কাজের গরমিল।
৪. তাড়াহুড়া না করা। কেননা পথ অনেক লম্বা। সুতরাং দাঈ নারী তার লক্ষ্যে পৌঁছতে এবং তার দাওয়াতের পথে অবিচল থাকতে এই মহৎ গুণটি দ্বারা উপকৃত হতে পারে। রাসূলুল্লাহ ﷺ আবদুল কায়েস গোত্রের আশাজকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নিশ্চয় তোমার মধ্যে এমন দুটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে, যেগুলোকে আল্লাহ তা‘আলা পছন্দ করেন। সেগুলো হলো, ধৈর্য ও সহনশীলতা। [সহীহ মুসলিম, হা/১২৬।]
৫. প্রত্যেক ব্যাপারে সততার পরিচয় দেয়া। মানুষের সাথে সৎ আচরণ করা এবং কথা ও কাজে সত্য অবলম্বন করা। সুতরাং সে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের ব্যাপারে মিথ্যা বলবে না। কারণ এটা জঘন্য ও ভয়াবহ মিথ্যাচার। আর সাধারণ মানুষের সাথেও মিথ্যা বলবে না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।
৬. সেসব বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে জানা, যে অবস্থার মধ্যে মুসলিম নারী জীবনযাপন করে। সুতরাং সে ততটুকুই আলোচনা করবে যতটুকু কোন মুসলিম নারী বুঝে ও ধারণ করতে পারে। অতএব যখন সে মানুষের বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবে, বিশেষ করে নারীর অবস্থা সম্পর্কে, তখন সে তাদের হৃদয়ে পৌঁছতে সক্ষম হবে এবং তাদের সমস্যাসমূহ প্রতিকার করতে পারবে। আর তাদের সাথে তাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে পারবে।
৭. নিজের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদির উপর শরীয়তের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দিককে প্রাধান্য দেবে। সুতরাং তার সার্বক্ষণিক চিন্তা থাকবে অন্যদেরকে হেদায়াতের দাওয়াত দেয়া। তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করা এবং তাদের মধ্যে যারা শত্রুদের পাতা ফাঁদে জড়িয়ে গেছে তাদেরকে উদ্ধার করা।
৮. শরীয়তের বিধান মোতাবেক আদব-কায়দা ও শিষ্টাচার সম্পন্না হবে। বিশেষ করে আবশ্যকীয় বিষয়গুলো অনুসরণের মাধ্যমে। যেমন- শরয়ী পর্দা অবলম্বন করা, পুরুষদের সাথে মেলামেশা না করা ইত্যাদি।
৯. মাহরাম পুরুষ ব্যতীত দূরে ভ্রমণ করবে না। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, মাহরাম পুরুষ ছাড়া নারী যেন ভ্রমণ না করে। [সহীহ বুখারী, হা/১৭৬৩; সহীহ মুসলিম, হা/৩৩২২।]
১০. অপরিচিত পুরুষের সাথে একাকী নির্জনে অবস্থান করবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, কোন পুরুষ কোন নারীর সাথে নির্জনে সাক্ষাৎ করবে না। এমনটি করলে তাদের তৃতীয়জন হবে শয়তান। [তিরমিযী, হা/১১৭১।]
১১. অপরিচিত পুরুষদের সাথে তার মেলামেশা করবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ ﷺ নারীদেরকে লক্ষ্য করে বলেছেন, তোমরা (রাস্তায় চলার সময়) পেছনে পেছনে চলো। কেননা তোমাদের জন্য রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটার সুযোগ নেই। তোমাদের উচিত হলো, রাস্তার পাশ দিয়ে পথ চলা। এ আদেশের পর থেকে নারীরা প্রাচীরের সাথে মিশে পথ চলত। এমনকি এ কারণে তাদের কাপড় প্রাচীরের সাথে ঝুলে যেত। [আবু দাউদ, হা/৫২৭৪।]
সারকথা হলো এই যে, নারীরা দাওয়াতী কাজ করবে তাদের সমসাময়িক নারীদের মধ্যে। সুতরাং তারা এক্ষেত্রে নিজেদের সামর্থ্যানুযায়ী যথাযথ পদ্ধতি ও উপায় উপকরণসমূহ ব্যবহার করবে এবং কোনক্রমেই শরয়ী নিয়মনীতির বাইরে যাবে না।