১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৯
কতিপয় প্রশ্নের উত্তর ১. মহিলাদের মসজিদে যাওয়ার বিধান কী?
যদি মহিলারা মসজিদে জামাআতে শরীক হয়ে নামায পড়তে চায় তাহলে তাতে অনুমতি আছে। এজন্য শর্ত হলো :
১. ফিতনার আশঙ্কামুক্ত হতে হবে।
২. পর্দার সাথে আসতে হবে।
৩. সুগন্ধি লাগিয়ে বের হওয়া যাবে না।
৪. স্বামী অথবা অভিভাবকের অনুমতি থাকতে হবে।
তাছাড়া মহিলারা মসজিদে গেলে জুমু‘আর খুৎবা এবং অন্যান্য দ্বীনী আলোচনা শ্রবণ করা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান। এতে তাদের ঈমান ও আমলের উন্নতি হয়।
উম্মে সালামা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে মহিলারা ফরয নামাযের সালাম ফিরানোর সাথে সাথে উঠে চলে যেত। আর রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং তাঁর সাহাবীগণ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেন। অতঃপর যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ উঠে যেতেন তখন অন্যান্য লোকেরাও উঠে যেত। [সহীহ বুখারী, হা/৮৬৬; নাসাঈ, হা/১৩৩৩; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৭১৮; মিশকাত, হা/৯৪৮।]
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন ফজরের নামায শেষ করতেন, তখন মহিলাগণ চাদরে সর্বাঙ্গ আচ্ছাদিত করে ঘরে ফিরতেন, অন্ধকারের কারণে তখন তাদেরকে চেনা যেত না। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৪; সহীহ বুখারী, হা/৮৬৭; সহীহ মুসলিম, হা/১৪৯১; আবু দাউদ, হা/৪২৩; তিরমিযী, হা/১৫৩; নাসাঈ, হা/৫৪৫; ইবনে মাজাহ, হা/৬৬৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪১৪২; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৫০১; মুসনাদে আবু ই‘আলা, হা/৪৪১৫; বায়হাকী, হা/১৯৭৪; মিশকাত, হা/৫৯৮।]
ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলস্নাহ ﷺ বলেছেন, যদি আমরা (মসজিদের) এই দরজাটি মহিলাদের জন্য ছেড়ে দিতাম! নাফে‘ বললেন, (এরপর থেকে) ইবনে উমর (রাঃ) মৃত্যু পর্যমত্ম সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করেননি। [আবু দাউদ, হা/৪৬২; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/২৫৩; জামেউস সগীর, হা/৯৩৮৯।]
এ হাদীসগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সাহাবায়ে কেরামের যুগে মহিলারা শুধু মসজিদে আসত না, বরং মহিলাদের নিরাপদে মসজিদে যাতায়াতের জন্য পৃথক দরজার ব্যবস্থা ছিল।
১. ফিতনার আশঙ্কামুক্ত হতে হবে।
২. পর্দার সাথে আসতে হবে।
৩. সুগন্ধি লাগিয়ে বের হওয়া যাবে না।
৪. স্বামী অথবা অভিভাবকের অনুমতি থাকতে হবে।
তাছাড়া মহিলারা মসজিদে গেলে জুমু‘আর খুৎবা এবং অন্যান্য দ্বীনী আলোচনা শ্রবণ করা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান। এতে তাদের ঈমান ও আমলের উন্নতি হয়।
উম্মে সালামা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে মহিলারা ফরয নামাযের সালাম ফিরানোর সাথে সাথে উঠে চলে যেত। আর রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং তাঁর সাহাবীগণ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেন। অতঃপর যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ উঠে যেতেন তখন অন্যান্য লোকেরাও উঠে যেত। [সহীহ বুখারী, হা/৮৬৬; নাসাঈ, হা/১৩৩৩; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৭১৮; মিশকাত, হা/৯৪৮।]
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন ফজরের নামায শেষ করতেন, তখন মহিলাগণ চাদরে সর্বাঙ্গ আচ্ছাদিত করে ঘরে ফিরতেন, অন্ধকারের কারণে তখন তাদেরকে চেনা যেত না। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৪; সহীহ বুখারী, হা/৮৬৭; সহীহ মুসলিম, হা/১৪৯১; আবু দাউদ, হা/৪২৩; তিরমিযী, হা/১৫৩; নাসাঈ, হা/৫৪৫; ইবনে মাজাহ, হা/৬৬৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪১৪২; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৫০১; মুসনাদে আবু ই‘আলা, হা/৪৪১৫; বায়হাকী, হা/১৯৭৪; মিশকাত, হা/৫৯৮।]
ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলস্নাহ ﷺ বলেছেন, যদি আমরা (মসজিদের) এই দরজাটি মহিলাদের জন্য ছেড়ে দিতাম! নাফে‘ বললেন, (এরপর থেকে) ইবনে উমর (রাঃ) মৃত্যু পর্যমত্ম সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করেননি। [আবু দাউদ, হা/৪৬২; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/২৫৩; জামেউস সগীর, হা/৯৩৮৯।]
এ হাদীসগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সাহাবায়ে কেরামের যুগে মহিলারা শুধু মসজিদে আসত না, বরং মহিলাদের নিরাপদে মসজিদে যাতায়াতের জন্য পৃথক দরজার ব্যবস্থা ছিল।