১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
আত্মশুদ্ধি লাভের উপায়
১. পাপকাজ বর্জন করা :
যাবতীয় পাপ, অন্যায় ও অপবিত্র কাজ থেকে মুক্ত হওয়া। যেমন- শিরক, রিয়া, অহংকার, স্বার্থপরতা, হিংসা, ঘৃণা, কৃপণতা, ক্রোধ, গীবত, কুধারণা, দুনিয়ার মোহ, আখিরাতের উপর দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয়া, অসচেতনতা, অর্থহীন কাজ করা প্রভৃতি।
২. উত্তম গুণাবলি অর্জন করা :
উত্তম গুণাবলি দ্বারা আত্মার উন্নতি সাধন করা অর্থাৎ প্রশংসনীয় গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে পরিত্যাগকৃত বিষয়গুলোর শূন্যস্থান পূরণ করা। যেমন- তাওহীদ, ইখলাস, ধৈর্য, তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর প্রতি ভরসা, তওবা, শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা, আল্লাহভীতি, লজ্জাশীলতা, বিনয়-নম্রতা, মানুষের সাথে উত্তম আচরণ, পরস্পরের মধ্যে শ্রদ্ধা ও স্নেহ প্রদর্শন, মানুষের প্রতি দয়া, ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শন, পরোপকার এবং ন্যায় কাজের আদেশ দেয়া ও অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করা ইত্যাদি।
আত্মাকে সর্বোতভাবে পরিশুদ্ধ করার জন্য যাবতীয় পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং উত্তম চরিত্র অর্জন করতে হবে। নিয়মিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখলে একসময় তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَالَّذِيْنَ جَاهَدُوْا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِيْنَ﴾
যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মশীলদের সাথে রয়েছেন। (সূরা আনকাবূত- ৬৯)
আত্মশুদ্ধি লাভের দু‘আ :
اَللّٰهُمَّ اٰتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আ-তি নাফসী তাক্বওয়া-হা, ওয়া যাক্কিহা, আনতা খাইরু মান যাককা-হা আনতা ওয়ালিয়্যুহা ওয়া মাওলা-হা।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমার আত্মাকে সংযমতা দান করুন এবং তাকে পরিশুদ্ধ করুন। আত্মা পবিত্রকারীদের মধ্যে আপনিই উত্তম, আপনিই তার মালিক এবং অভিভাবক। [যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের নিকট তেমনই বলব যেমনটি রাসূলুল্লাহ # বলতেন। তিনি এ দু‘আটি পাঠ করতেন। (সহীহ মুসলিম, হা/৭০৮১; নাসাঈ, হা/৫৪৫৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৩২৭; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৪০০৫; মিশকাত, হা/২৪৬০)]
যাবতীয় পাপ, অন্যায় ও অপবিত্র কাজ থেকে মুক্ত হওয়া। যেমন- শিরক, রিয়া, অহংকার, স্বার্থপরতা, হিংসা, ঘৃণা, কৃপণতা, ক্রোধ, গীবত, কুধারণা, দুনিয়ার মোহ, আখিরাতের উপর দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয়া, অসচেতনতা, অর্থহীন কাজ করা প্রভৃতি।
২. উত্তম গুণাবলি অর্জন করা :
উত্তম গুণাবলি দ্বারা আত্মার উন্নতি সাধন করা অর্থাৎ প্রশংসনীয় গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে পরিত্যাগকৃত বিষয়গুলোর শূন্যস্থান পূরণ করা। যেমন- তাওহীদ, ইখলাস, ধৈর্য, তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর প্রতি ভরসা, তওবা, শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা, আল্লাহভীতি, লজ্জাশীলতা, বিনয়-নম্রতা, মানুষের সাথে উত্তম আচরণ, পরস্পরের মধ্যে শ্রদ্ধা ও স্নেহ প্রদর্শন, মানুষের প্রতি দয়া, ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শন, পরোপকার এবং ন্যায় কাজের আদেশ দেয়া ও অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করা ইত্যাদি।
আত্মাকে সর্বোতভাবে পরিশুদ্ধ করার জন্য যাবতীয় পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং উত্তম চরিত্র অর্জন করতে হবে। নিয়মিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখলে একসময় তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَالَّذِيْنَ جَاهَدُوْا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِيْنَ﴾
যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মশীলদের সাথে রয়েছেন। (সূরা আনকাবূত- ৬৯)
আত্মশুদ্ধি লাভের দু‘আ :
اَللّٰهُمَّ اٰتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আ-তি নাফসী তাক্বওয়া-হা, ওয়া যাক্কিহা, আনতা খাইরু মান যাককা-হা আনতা ওয়ালিয়্যুহা ওয়া মাওলা-হা।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমার আত্মাকে সংযমতা দান করুন এবং তাকে পরিশুদ্ধ করুন। আত্মা পবিত্রকারীদের মধ্যে আপনিই উত্তম, আপনিই তার মালিক এবং অভিভাবক। [যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের নিকট তেমনই বলব যেমনটি রাসূলুল্লাহ # বলতেন। তিনি এ দু‘আটি পাঠ করতেন। (সহীহ মুসলিম, হা/৭০৮১; নাসাঈ, হা/৫৪৫৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৩২৭; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৪০০৫; মিশকাত, হা/২৪৬০)]