১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৮
এসব আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম নারীর দায়িত্ব
আল্লাহ তা‘আলার সমত্মুষ্টির প্রত্যাশী একজন সফল মুসলিম নারীর কর্তব্য হলো, মুসলিম নারীদের বিরুদ্ধে এসব নিকৃষ্ট চিমত্মাধারা ও পদক্ষেপসমূহের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। এজন্য নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে :
১. ঈমানের দৃঢ়তা অর্জন :
ঈমান হচ্ছে প্রতিটি মুসলিমের মূল সম্পদ। যার ঈমান যত বেশি মজবুত তার বিভ্রামত্ম হওয়ার সম্ভাবনাও তত কম। সুতরাং ইসলামের শত্রুদের এসব ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করতে হলে মুসলিম নারীদের ঈমানের দৃঢ়তা অর্জন করতে হবে।
২. সতর্কতা অবলম্বন করা :
মুসলিম নারীদেরকে শত্রুদের উপায়-উপকরণ, পরিকল্পনা, দাবি-দাওয়া, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহের ব্যাপারেও সতর্কতা থাকতে হবে। কারণ ইয়াহুদি, খ্রিস্টান ও মুনাফিক অনেক শত্রু রয়েছে, যারা বিভিন্নভাবে নারীদেরকে ঘায়েল করার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
৩. সামাজিক প্রসত্মুতি :
প্রত্যেক নারী তার নিজের জন্য একটি ছোট্ট সমাজ প্রসত্মুত করবে, তার মধ্য দিয়ে সে যথাযথভাবে দাওয়াতের কাজ আঞ্জাম দিতে সক্ষম হবে।
৪. মানসিক প্রসত্মুতি :
প্রতিটি মুসলিম নারী পূর্ণ নির্ভরযোগ্যতা, স্থিরতা ও দৃঢ় সিদ্ধান্তের গুণাবলি অর্জন করবে এবং এক্ষেত্রে কোন প্রকার দুর্বলতা দেখাবে না।
৫. সাহসিকতার পরিচয় দেয়া :
মুসলিম নারী জেনে রাখবে যে, এ পথে প্রতিবন্ধকতা থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। কেননা তার আদর্শ হলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ। তিনি ও তাঁর সাহাবীগণ এ পথে অনেক দুঃখ-কষ্ট, অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তবুও তিনি ও তার সাহাবীগণ এগুলো ধৈর্যের সাথে অতিক্রম করেছেন।
১. ঈমানের দৃঢ়তা অর্জন :
ঈমান হচ্ছে প্রতিটি মুসলিমের মূল সম্পদ। যার ঈমান যত বেশি মজবুত তার বিভ্রামত্ম হওয়ার সম্ভাবনাও তত কম। সুতরাং ইসলামের শত্রুদের এসব ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করতে হলে মুসলিম নারীদের ঈমানের দৃঢ়তা অর্জন করতে হবে।
২. সতর্কতা অবলম্বন করা :
মুসলিম নারীদেরকে শত্রুদের উপায়-উপকরণ, পরিকল্পনা, দাবি-দাওয়া, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহের ব্যাপারেও সতর্কতা থাকতে হবে। কারণ ইয়াহুদি, খ্রিস্টান ও মুনাফিক অনেক শত্রু রয়েছে, যারা বিভিন্নভাবে নারীদেরকে ঘায়েল করার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
৩. সামাজিক প্রসত্মুতি :
প্রত্যেক নারী তার নিজের জন্য একটি ছোট্ট সমাজ প্রসত্মুত করবে, তার মধ্য দিয়ে সে যথাযথভাবে দাওয়াতের কাজ আঞ্জাম দিতে সক্ষম হবে।
৪. মানসিক প্রসত্মুতি :
প্রতিটি মুসলিম নারী পূর্ণ নির্ভরযোগ্যতা, স্থিরতা ও দৃঢ় সিদ্ধান্তের গুণাবলি অর্জন করবে এবং এক্ষেত্রে কোন প্রকার দুর্বলতা দেখাবে না।
৫. সাহসিকতার পরিচয় দেয়া :
মুসলিম নারী জেনে রাখবে যে, এ পথে প্রতিবন্ধকতা থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। কেননা তার আদর্শ হলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ। তিনি ও তাঁর সাহাবীগণ এ পথে অনেক দুঃখ-কষ্ট, অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তবুও তিনি ও তার সাহাবীগণ এগুলো ধৈর্যের সাথে অতিক্রম করেছেন।