১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫১
জান্নাতে নারীদের অবস্থা
জান্নাতে নারীদের জন্য অপেক্ষমান নিয়ামত সম্পর্কে মুসলিম নারীদের অবশ্যই জানা উচিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদেরকে জান্নাতের নিয়ামত সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতেন। ফলে তারা জান্নাতের বিবরণ শুনে নিজেদেরকে উদ্বুদ্ধ করতেন।
আল্লাহ রাববুল আলামীন জান্নাতের যেসব নিয়ামতসমূহের আলোচনা করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে অসংখ্য ধরনের সুখাদ্য, অনির্বাচনীয় সুন্দর দৃশ্যাবলি, সুরম্য আবাস এবং অনিন্দ্য বস্ত্রসামগ্রী। এগুলো জান্নাতের মধ্যে নারী-পুরুষ সবাই ভোগ করবে। কিন্তু এরপরও অনেকের মনে একটি প্রশ্ন থেকে যায় যে, আল্লাহ তা‘আলা তো পুরুষদেরকে ডাগর চোখ বিশিষ্ট হুর ও অপরূপা নারীদের কথা বলে জান্নাতের প্রতি আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত করেছেন; কিন্তু নারীদেরকে প্রলুব্ধ করার জন্য এমন কিছুই বলেননি- এর কারণ হলো,
আল্লাহ তা‘আলা স্ত্রীদের কথা উল্লেখ করেছেন স্বামীদের জন্য। কারণ স্বামীই হলেন স্ত্রীর কামনাকারী এবং তার প্রতি মোহিত। এজন্যই জান্নাতে পুরুষদের জন্য স্ত্রীদের কথা বলা হয়েছে। আর নারীদের জন্য স্বামীদের ব্যাপারে নিরবতা অবলম্বন করা হয়েছে। কিন্তু এর দাবি এ নয় যে, তাদের স্বামী থাকবে না। বরং তাদের জন্যও আদম সন্তানদের মধ্য থেকে স্বামী থাকবে।
জান্নাতীরা নিজেদের সঙ্গিনী পাবে :
﴿وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوْا الصَّالِحَاتِ سَنُدْخِلُهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِهَا الْاَنْهَارُ خَالِدِيْنَ فِيْهَا أَبَدًا لَهُمْ فِيْهَا أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَّنُدْخِلُهُمْ ظِلًّا ظَلِيْلًا ﴾
যারা ঈমান আনবে এবং সৎকর্ম করবে আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাব যার তলদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে। সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে। তাদের জন্য সেখানে রয়েছে পবিত্র স্ত্রীগণ। আর জান্নাতীদেরকে আমি সুশীতল ছায়ায় প্রবেশ করাব। (সূরা নিসা- ৫৭)
জান্নাতী নারীরা হবে পবিত্র :
﴿وَلَهُمْ فِيْهَا أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَّهُمْ فِيْهَا خَالِدُوْنَ﴾
তাদের (জান্নাতীদের) জন্য সেখানে রয়েছে পবিত্র স্ত্রীগণ। আর তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে। (সূরা বাকারা- ২৫)
পবিত্র বলতে বাহ্যিক অপবিত্রতা যেমন : ময়লা, প্রস্রাব, পায়খানা, কফ, থুথু, হায়েয, নেফাস ইত্যাদি থেকে তারা পবিত্র হবে। আবার আভ্যন্তরীণ অপবিত্রতা যেমন : হিংসা-বিদ্বেষ, ধোঁকাবাজি, মুনাফেকী, কষ্টদায়ক কথাবার্তা, অপরাধ প্রবণতা ও নাফরমানী ইত্যাদি থেকেও তারা পবিত্র হবে। مُطَهَّرَةٌ দ্বারা তাই বুঝানো হয়েছে।
জান্নাতী নারীরা হবে কুমারী ও যুবতী :
﴿إِنَّاۤ أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَآءً -‐ فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا﴾
আমি তাদেরকে নতুনভাবে সৃষ্টি করেছি এবং তাদেরকে কুমারীরূপেই সৃষ্টি করেছি। (সূরা ওয়াকিয়া- ৩৫, ৩৬)
أَبْكَارٌ শব্দটি بِكْرٌ এর বহুবচন, এর অর্থ কুমারী। যে নারীর এখনও বিয়ে হয়নি বা যার সাথে সহবাস হয়নি তাকে বাকেরা বলা হয়। জান্নাতী নারীরা দুনিয়ার স্ত্রী হোক অথবা হুর হোক তাদের অবস্থা এমন হবে যে, সবসময় তাদেরকে কুমারীই মনে হবে।
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ لِاِمْرَأَةٍ عَجُوْزٍ : إِنَّه لَا تَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَجُوْزٌ فَقَالَتْ : وَمَا لَهُنَّ وَكَانَتْ تَقْرَأُ الْقُرْاٰنَ فَقَالَ لَهَا : أَمَا تَقْرَئِيْنَ الْقُرْاٰنَ ؟ ﴿ إِنَّاۤ أَنْشَأنَاهُنَّ إِنْشَآءَ فَجَعَلْنَاهَنَّ أَبْكَارًا﴾
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী ﷺ এক বৃদ্ধা মহিলাকে বললেন, কোন বৃদ্ধা মহিলা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এ কথা শুনে মহিলা অবাক হয়ে বলল, কেন জান্নাতে যাবে না? তারা তো কুরআন পড়ে? তখন নবী ﷺ বললেন, তুমি কি কুরআন পড়নি? আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমি (জান্নাতী) নারীদেরকে কুমারীরূপে সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ বৃদ্ধারা যুবতী ও কুমারী অবস্থায় জান্নাতে প্রবেশ করবে। [শারহুস সুন্নাহ, হা/৩৬০৬; মিশকাত, হা/৪৮৮৮।]
দুনিয়ায় নারীদের কয়েকটি অবস্থা হতে পারে :
হয়তো সে বিয়ের আগেই মারা যাবে।
কিংবা সে মারা যাবে তালাকের পর অন্য কারো সাথে বিয়ের আগে।
কিংবা সে বিয়ের পর মারা যাবে।
কিংবা সে বিধবা অবস্থায় মারা যাবে।
কিংবা সে প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর অন্য কাউকে বিবাহ করে মারা যাবে।
দুনিয়ার নারীদের এসব অবস্থার ভিত্তিতে জান্নাতেও তাদের জন্য স্বতন্ত্র অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। যেমন-
যে নারী বিয়ের আগে মারা গেছেন অথবা যে নারী জান্নাতে প্রবেশ করেছেন কিন্তু দুনিয়াতে তিনি যে স্বামী রেখে গিয়েছিলেন সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারেনি, তিনি জান্নাতে প্রবেশের পর তার অবস্থার অনুরূপ অনেক পুরুষ দেখতে পাবেন। তারপর আল্লাহ তা‘আলা তার পছন্দ অনুযায়ী তাকে বিবাহ দিয়ে দিবেন।
যে নারী বিয়ের পর মারা গেছেন জান্নাতে তিনি সেই স্বামীই পাবেন, যার কাছ থেকে ইহলোক ত্যাগ করেছেন।
যে নারীর স্বামী মারা যাবে আর তিনি যদি পরবর্তীতে আর বিয়ে না করেন, তাহলে জান্নাতে তিনি সে স্বামীর সঙ্গেই থাকবেন।
যে নারীর স্বামী মারা যাবে এবং তিনি যদি অন্য কাউকে বিয়ে করেন, তবে তিনি জান্নাতে সর্বশেষ স্বামীর সঙ্গী হবেন। একদা হুযায়ফা (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
إِنْ سَرَّكِ اَنْ تَكُوْنِىْ زَوْجَتِىْ فِى الْجَنَّةِ فَلَا تَزَوَّجِىْ بَعْدِىْ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ فِى الْجَنَّةِ لِاٰخِرِ أَزْوَاجِهَا فِى الدُّنْيَا فَلِذٰلِكَ حَرُمَ عَلٰى أَزْوَاجِ النَّبِىِّ - أَنْ يَنْكِحْنَ بَعْدَهٗ لَأَنَّهُنَّ أَزْوَاجُهٗ فِى الْجَنَّةِ
যদি তোমাকে এ বিষয় খুশি করে যে, তুমি জান্নাতে আমার স্ত্রী হিসেবে থাকবে তবে আমার পর আর বিয়ে করো না। কেননা জান্নাতে নারী তার দুনিয়ার সর্বশেষ স্বামীর সঙ্গে থাকবে। এজন্যই রাসূলুল্লাহ ﷺ এর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীদের জন্য অন্য কারো সাথে বিবাহ বন্ধনে জড়ানো হারাম করা হয়েছে। কেননা তাঁরা জান্নাতে তাঁরই স্ত্রী হিসেবে থাকবেন। [সনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/১৩৮০৩।]
আল্লাহ রাববুল আলামীন জান্নাতের যেসব নিয়ামতসমূহের আলোচনা করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে অসংখ্য ধরনের সুখাদ্য, অনির্বাচনীয় সুন্দর দৃশ্যাবলি, সুরম্য আবাস এবং অনিন্দ্য বস্ত্রসামগ্রী। এগুলো জান্নাতের মধ্যে নারী-পুরুষ সবাই ভোগ করবে। কিন্তু এরপরও অনেকের মনে একটি প্রশ্ন থেকে যায় যে, আল্লাহ তা‘আলা তো পুরুষদেরকে ডাগর চোখ বিশিষ্ট হুর ও অপরূপা নারীদের কথা বলে জান্নাতের প্রতি আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত করেছেন; কিন্তু নারীদেরকে প্রলুব্ধ করার জন্য এমন কিছুই বলেননি- এর কারণ হলো,
আল্লাহ তা‘আলা স্ত্রীদের কথা উল্লেখ করেছেন স্বামীদের জন্য। কারণ স্বামীই হলেন স্ত্রীর কামনাকারী এবং তার প্রতি মোহিত। এজন্যই জান্নাতে পুরুষদের জন্য স্ত্রীদের কথা বলা হয়েছে। আর নারীদের জন্য স্বামীদের ব্যাপারে নিরবতা অবলম্বন করা হয়েছে। কিন্তু এর দাবি এ নয় যে, তাদের স্বামী থাকবে না। বরং তাদের জন্যও আদম সন্তানদের মধ্য থেকে স্বামী থাকবে।
জান্নাতীরা নিজেদের সঙ্গিনী পাবে :
﴿وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوْا الصَّالِحَاتِ سَنُدْخِلُهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِهَا الْاَنْهَارُ خَالِدِيْنَ فِيْهَا أَبَدًا لَهُمْ فِيْهَا أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَّنُدْخِلُهُمْ ظِلًّا ظَلِيْلًا ﴾
যারা ঈমান আনবে এবং সৎকর্ম করবে আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাব যার তলদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে। সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে। তাদের জন্য সেখানে রয়েছে পবিত্র স্ত্রীগণ। আর জান্নাতীদেরকে আমি সুশীতল ছায়ায় প্রবেশ করাব। (সূরা নিসা- ৫৭)
জান্নাতী নারীরা হবে পবিত্র :
﴿وَلَهُمْ فِيْهَا أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَّهُمْ فِيْهَا خَالِدُوْنَ﴾
তাদের (জান্নাতীদের) জন্য সেখানে রয়েছে পবিত্র স্ত্রীগণ। আর তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে। (সূরা বাকারা- ২৫)
পবিত্র বলতে বাহ্যিক অপবিত্রতা যেমন : ময়লা, প্রস্রাব, পায়খানা, কফ, থুথু, হায়েয, নেফাস ইত্যাদি থেকে তারা পবিত্র হবে। আবার আভ্যন্তরীণ অপবিত্রতা যেমন : হিংসা-বিদ্বেষ, ধোঁকাবাজি, মুনাফেকী, কষ্টদায়ক কথাবার্তা, অপরাধ প্রবণতা ও নাফরমানী ইত্যাদি থেকেও তারা পবিত্র হবে। مُطَهَّرَةٌ দ্বারা তাই বুঝানো হয়েছে।
জান্নাতী নারীরা হবে কুমারী ও যুবতী :
﴿إِنَّاۤ أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَآءً -‐ فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا﴾
আমি তাদেরকে নতুনভাবে সৃষ্টি করেছি এবং তাদেরকে কুমারীরূপেই সৃষ্টি করেছি। (সূরা ওয়াকিয়া- ৩৫, ৩৬)
أَبْكَارٌ শব্দটি بِكْرٌ এর বহুবচন, এর অর্থ কুমারী। যে নারীর এখনও বিয়ে হয়নি বা যার সাথে সহবাস হয়নি তাকে বাকেরা বলা হয়। জান্নাতী নারীরা দুনিয়ার স্ত্রী হোক অথবা হুর হোক তাদের অবস্থা এমন হবে যে, সবসময় তাদেরকে কুমারীই মনে হবে।
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ لِاِمْرَأَةٍ عَجُوْزٍ : إِنَّه لَا تَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَجُوْزٌ فَقَالَتْ : وَمَا لَهُنَّ وَكَانَتْ تَقْرَأُ الْقُرْاٰنَ فَقَالَ لَهَا : أَمَا تَقْرَئِيْنَ الْقُرْاٰنَ ؟ ﴿ إِنَّاۤ أَنْشَأنَاهُنَّ إِنْشَآءَ فَجَعَلْنَاهَنَّ أَبْكَارًا﴾
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী ﷺ এক বৃদ্ধা মহিলাকে বললেন, কোন বৃদ্ধা মহিলা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এ কথা শুনে মহিলা অবাক হয়ে বলল, কেন জান্নাতে যাবে না? তারা তো কুরআন পড়ে? তখন নবী ﷺ বললেন, তুমি কি কুরআন পড়নি? আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমি (জান্নাতী) নারীদেরকে কুমারীরূপে সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ বৃদ্ধারা যুবতী ও কুমারী অবস্থায় জান্নাতে প্রবেশ করবে। [শারহুস সুন্নাহ, হা/৩৬০৬; মিশকাত, হা/৪৮৮৮।]
দুনিয়ায় নারীদের কয়েকটি অবস্থা হতে পারে :
হয়তো সে বিয়ের আগেই মারা যাবে।
কিংবা সে মারা যাবে তালাকের পর অন্য কারো সাথে বিয়ের আগে।
কিংবা সে বিয়ের পর মারা যাবে।
কিংবা সে বিধবা অবস্থায় মারা যাবে।
কিংবা সে প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর অন্য কাউকে বিবাহ করে মারা যাবে।
দুনিয়ার নারীদের এসব অবস্থার ভিত্তিতে জান্নাতেও তাদের জন্য স্বতন্ত্র অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। যেমন-
যে নারী বিয়ের আগে মারা গেছেন অথবা যে নারী জান্নাতে প্রবেশ করেছেন কিন্তু দুনিয়াতে তিনি যে স্বামী রেখে গিয়েছিলেন সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারেনি, তিনি জান্নাতে প্রবেশের পর তার অবস্থার অনুরূপ অনেক পুরুষ দেখতে পাবেন। তারপর আল্লাহ তা‘আলা তার পছন্দ অনুযায়ী তাকে বিবাহ দিয়ে দিবেন।
যে নারী বিয়ের পর মারা গেছেন জান্নাতে তিনি সেই স্বামীই পাবেন, যার কাছ থেকে ইহলোক ত্যাগ করেছেন।
যে নারীর স্বামী মারা যাবে আর তিনি যদি পরবর্তীতে আর বিয়ে না করেন, তাহলে জান্নাতে তিনি সে স্বামীর সঙ্গেই থাকবেন।
যে নারীর স্বামী মারা যাবে এবং তিনি যদি অন্য কাউকে বিয়ে করেন, তবে তিনি জান্নাতে সর্বশেষ স্বামীর সঙ্গী হবেন। একদা হুযায়ফা (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
إِنْ سَرَّكِ اَنْ تَكُوْنِىْ زَوْجَتِىْ فِى الْجَنَّةِ فَلَا تَزَوَّجِىْ بَعْدِىْ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ فِى الْجَنَّةِ لِاٰخِرِ أَزْوَاجِهَا فِى الدُّنْيَا فَلِذٰلِكَ حَرُمَ عَلٰى أَزْوَاجِ النَّبِىِّ - أَنْ يَنْكِحْنَ بَعْدَهٗ لَأَنَّهُنَّ أَزْوَاجُهٗ فِى الْجَنَّةِ
যদি তোমাকে এ বিষয় খুশি করে যে, তুমি জান্নাতে আমার স্ত্রী হিসেবে থাকবে তবে আমার পর আর বিয়ে করো না। কেননা জান্নাতে নারী তার দুনিয়ার সর্বশেষ স্বামীর সঙ্গে থাকবে। এজন্যই রাসূলুল্লাহ ﷺ এর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীদের জন্য অন্য কারো সাথে বিবাহ বন্ধনে জড়ানো হারাম করা হয়েছে। কেননা তাঁরা জান্নাতে তাঁরই স্ত্রী হিসেবে থাকবেন। [সনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/১৩৮০৩।]