১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৭
মুসলিম নারীদের বিরুদ্ধে শত্রুদের ষড়যন্ত্র
রাসূলুল্লাহ ﷺ নবী হিসেবে প্রেরিত হওয়ার পর থেকেই ইয়াহুদি, খ্রিস্টানসহ সমগ্র কাফিরগোষ্ঠী ইসলাম ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এমনকি এ ব্যাপারে এমন কোন চেষ্টা নেই, যা তারা প্রয়োগ করেনি এবং এমন কোন পন্থা নেই, যা তারা অবলম্বন করেনি। আর এ ধারা আজও বিদ্যমান রয়েছে। নিম্নে এর বিভিন্ন দিকসমূহ তুলে ধরা হলো।
মুসলিম নারীর বিরুদ্ধে তাদের পরিকল্পনা :
ইসলামের শত্রুরা মুসলিম নারীদেরকে পথভ্রষ্ট করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে। যেমন-
১. মুসলিম সমাজে ব্যাপকভাবে নোংরামি ও বিকৃত চিন্তাধারার বিস্তার করা :
ইসলামের শত্রুরা মুসলিম সমাজগুলোতে নোংরামি ও বিকৃত চিমত্মাধারাসমূহ বিসত্মার ঘটানোর জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এক্ষেত্রে অনেকটা সফলতা অর্জন করতে পেরেছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, পর্দার বিধান বিলুপ্ত করার পায়তারা করা, যারা এ বিধানটি বাসত্মবায়ন করে তাদেরকে নিয়ে উপহাস করা, অশ্লীলতাপূর্ণ বিজ্ঞাপন, ভিডিও, পিকচার ইত্যাদির প্রসার ঘটানো।
২. সংশয় ছড়িয়ে দেয়া :
ইসলামের শত্রুরা প্রাচীনকাল থেকেই এমন কিছু বিষয়ের দিকে তাক করে আছে, যা দ্বারা সাধারণ মুসলিমদেরকে অতি সহজেই বিভ্রামত্ম করা যায়। এজন্য তারা নিচের বিষয়গুলো বেছে নেয় :
পুরুষের রক্তমূল্যের অর্ধেক হলো নারীর রক্তমূল্য।
পুরুষের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের অর্ধেক হলো নারীর সম্পদ।
দুই নারীর সাক্ষ্য সমান একজন পুরুষের সাক্ষ্য।
নারী প্রশাসক হতে পারবে না এবং বিচারকও হতে পারবে না।
একজন পুরুষের একাধিক স্ত্রী গ্রহণের সুযোগ রয়েছে, কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে তা নেই।
পর্দার বিধান ইত্যাদি।
আর এসব বিষয়সমূহ দ্বারা সাধারণত তারাই বিভ্রামত্ম হয়, যারা ইসলাম সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান রাখে না অথবা কোন জ্ঞানই রাখে না।
৩. পুরুষদের সাথে সমতার দাবি :
এ দাবির মাধ্যমে তারা চায়,
মুসলিম নারীদেরকে এ কথা অনুধাবন করানো যে, ইসলাম নারীদের প্রতি অবিচার করেছে এবং তাদের ইচ্ছাশক্তি ও স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করেছে।
মুসলিম নারীদেরকে ঘর থেকে বের করে আনা।
নারীদেরকে পুরুষদের সাথে মেলামেশা করার সুযোগ করে দেয়া।
৪. নারীদের মূল কাজকে গুরুত্বহীন হিসেবে চিত্রিত করা :
ইসলামের শত্রুরা এর মাধ্যমে নারীদেরকে তাদের আসল জগৎ বাড়ি-ঘর, পরিবার-পরিজন, শিশুদের লালনপালন ও স্বামীর প্রতি মনোযোগ দেয়ার মতো কর্মকান্ড থেকে সরিয়ে দিয়ে এমন কাজে লিপ্ত করছে, যেখানে সে পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে।
৫. শিক্ষা :
ইসলামের শত্রুরা এবং তাদের দ্বারা প্রতারিত ব্যক্তিরা শিক্ষাকে তাদের বাহন হিসেবে গ্রহণ করেছে। যাতে করে তারা এ অজুহাতে মুসলিম নারীর ধ্বংস ও বিপর্যয়ের জন্য তাদের চিন্তাধারা ছড়িয়ে দিতে পারে। কেননা মানুষের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে তার শিক্ষা। ইসলামের শত্রুরা এজন্য যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে তা হলো :
পরিকল্পিত সিলেবাস প্রণয়ন করা, যার মধ্যে বাসত্মবজীবনের নানা ধরনের ইসলামিক দিকনির্দেশনা অনুপস্থিত থাকবে।
সম অধিকারের নামে সহশিক্ষার ব্যবস্থা করা, যার মাধ্যমে নারী-পুরুষরা অবৈধ মেলামেশার দিকে আকৃষ্ট হবে।
৬. পুরুষদের কাজসমূহের মধ্যে নারীদেরকে অংশগ্রহণ করানো :
মুসলিম নারীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ইসলামের শত্রুরা চূড়ামত্মভাবে এ পদ্ধতিই গ্রহণ করে থাকে।
মুসলিম নারীর বিরুদ্ধে তাদের পরিকল্পনা :
ইসলামের শত্রুরা মুসলিম নারীদেরকে পথভ্রষ্ট করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে। যেমন-
১. মুসলিম সমাজে ব্যাপকভাবে নোংরামি ও বিকৃত চিন্তাধারার বিস্তার করা :
ইসলামের শত্রুরা মুসলিম সমাজগুলোতে নোংরামি ও বিকৃত চিমত্মাধারাসমূহ বিসত্মার ঘটানোর জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এক্ষেত্রে অনেকটা সফলতা অর্জন করতে পেরেছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, পর্দার বিধান বিলুপ্ত করার পায়তারা করা, যারা এ বিধানটি বাসত্মবায়ন করে তাদেরকে নিয়ে উপহাস করা, অশ্লীলতাপূর্ণ বিজ্ঞাপন, ভিডিও, পিকচার ইত্যাদির প্রসার ঘটানো।
২. সংশয় ছড়িয়ে দেয়া :
ইসলামের শত্রুরা প্রাচীনকাল থেকেই এমন কিছু বিষয়ের দিকে তাক করে আছে, যা দ্বারা সাধারণ মুসলিমদেরকে অতি সহজেই বিভ্রামত্ম করা যায়। এজন্য তারা নিচের বিষয়গুলো বেছে নেয় :
পুরুষের রক্তমূল্যের অর্ধেক হলো নারীর রক্তমূল্য।
পুরুষের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের অর্ধেক হলো নারীর সম্পদ।
দুই নারীর সাক্ষ্য সমান একজন পুরুষের সাক্ষ্য।
নারী প্রশাসক হতে পারবে না এবং বিচারকও হতে পারবে না।
একজন পুরুষের একাধিক স্ত্রী গ্রহণের সুযোগ রয়েছে, কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে তা নেই।
পর্দার বিধান ইত্যাদি।
আর এসব বিষয়সমূহ দ্বারা সাধারণত তারাই বিভ্রামত্ম হয়, যারা ইসলাম সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান রাখে না অথবা কোন জ্ঞানই রাখে না।
৩. পুরুষদের সাথে সমতার দাবি :
এ দাবির মাধ্যমে তারা চায়,
মুসলিম নারীদেরকে এ কথা অনুধাবন করানো যে, ইসলাম নারীদের প্রতি অবিচার করেছে এবং তাদের ইচ্ছাশক্তি ও স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করেছে।
মুসলিম নারীদেরকে ঘর থেকে বের করে আনা।
নারীদেরকে পুরুষদের সাথে মেলামেশা করার সুযোগ করে দেয়া।
৪. নারীদের মূল কাজকে গুরুত্বহীন হিসেবে চিত্রিত করা :
ইসলামের শত্রুরা এর মাধ্যমে নারীদেরকে তাদের আসল জগৎ বাড়ি-ঘর, পরিবার-পরিজন, শিশুদের লালনপালন ও স্বামীর প্রতি মনোযোগ দেয়ার মতো কর্মকান্ড থেকে সরিয়ে দিয়ে এমন কাজে লিপ্ত করছে, যেখানে সে পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে।
৫. শিক্ষা :
ইসলামের শত্রুরা এবং তাদের দ্বারা প্রতারিত ব্যক্তিরা শিক্ষাকে তাদের বাহন হিসেবে গ্রহণ করেছে। যাতে করে তারা এ অজুহাতে মুসলিম নারীর ধ্বংস ও বিপর্যয়ের জন্য তাদের চিন্তাধারা ছড়িয়ে দিতে পারে। কেননা মানুষের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে তার শিক্ষা। ইসলামের শত্রুরা এজন্য যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে তা হলো :
পরিকল্পিত সিলেবাস প্রণয়ন করা, যার মধ্যে বাসত্মবজীবনের নানা ধরনের ইসলামিক দিকনির্দেশনা অনুপস্থিত থাকবে।
সম অধিকারের নামে সহশিক্ষার ব্যবস্থা করা, যার মাধ্যমে নারী-পুরুষরা অবৈধ মেলামেশার দিকে আকৃষ্ট হবে।
৬. পুরুষদের কাজসমূহের মধ্যে নারীদেরকে অংশগ্রহণ করানো :
মুসলিম নারীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ইসলামের শত্রুরা চূড়ামত্মভাবে এ পদ্ধতিই গ্রহণ করে থাকে।