১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
আদর্শ ছাত্রী হও
আদর্শ ছাত্রী হিসেবে একজন মুসলিম মেয়ের কর্তব্য হলো :
১. জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ত করা। অর্থাৎ তার জ্ঞান অর্জনের আসল উদ্দেশ্য হবে আল্লাহ তা‘আলাকে সমত্মুষ্ট করা। সুতরাং সে জ্ঞান অন্বেষণ করবে আল্লাহ তা‘আলার জন্য। আর এই জ্ঞানার্জন দ্বারা সে তার দ্বীন, আকীদা-বিশ্বাস ও নৈতিক চরিত্রকে প্রতিষ্ঠিত করবে এবং সুস্পষ্ট জ্ঞানের ভিত্তিতে আল্লাহর ইবাদাত করবে ।
২. ছাত্রী জ্ঞানার্জনের আদব কায়দা রপ্ত করার মাধ্যমে নৈতিক চরিত্র ও শিষ্টাচার অর্জন করবে। যেমন- অধ্যবসায়, উৎসাহ-উদ্দীপনা, পরস্পর পাঠক্রম আলোচনা, বার বার পাঠ ও সুন্দর চালচলন। বিশেষ করে শিক্ষিকাগণ ও বান্ধবীদের সাথে আচার-আচরণ ও লেনদেনের ক্ষেত্রে।
৩. জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে চিন্তা-গবেষণা করা। সুতরাং সে পাঠ্য বিষয়সমূহ ব্যাখ্যা-বিশেলষণের ক্ষেত্রে শিক্ষিকাকে অনুসরণ করবে, মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করবে। অতঃপর বাসায় এসে সেগুলো বার বার পর্যালোচনা করবে এবং সর্বোপরি তার সকল আবশ্যকীয় দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করবে।
৪. শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মান ও মর্যাদা দেয়া।
৫. বান্ধবীদের সাথে কোন প্রকার হিংসা-বিদ্বেষ, নিষ্ঠুরতা, কঠোরতা, কটু কথা বা কঠোর শব্দ উচ্চারণ না করা এবং তাদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করা। কারণ সে হলো তার বোন, বান্ধবী ও সহপাঠী।
৬. প্রতিষ্ঠানের নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা। বিশেষ করে যা উত্তম চরিত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ, প্রকাশভঙ্গি, আকার-আকৃতি ও বেশ-ভূষার সাথে সম্পর্কিত। যদি প্রতিষ্ঠানের নির্দেশ শরীয়তবিরোধী না হয় তবে প্রতিষ্ঠানের নির্দেশগুলো সে বাস্তবায়ন করবে।
৭. সিলেবাস বহির্ভূত তৎপরতায় অংশগ্রহণ করা। যাতে সে এমন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারে, যে জ্ঞান পাঠকক্ষে অর্জন করা সম্ভব হয়ে উঠে না। যেমন- সুন্দরভাবে কুরআন তিলাওয়াত করা, হাদীস মুখস্থ করা, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বই-পুসত্মক অধ্যয়ন করা, হাতের কাজ তথা সেলাই করা, রান্নাবান্না করা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজসমূহ আয়ত্ত করে নেয়া ইত্যাদি।
৮. সহপাঠী তথা বান্ধবীদের উদ্দেশ্যে সময়-সুযোগ অনুযায়ী শ্রেণিকক্ষে বক্তব্য পেশের মাধ্যমে সংশোধন ও দিকনির্দেশনামূলক উপদেশ প্রদান করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।
৯. তার চালচলন, আচার-আচরণ, আলোচনা-পর্যালোচনা, অনুধাবন, শিক্ষা গ্রহণ ও শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে তার সহপাঠী ও বান্ধবীদের জন্য আদর্শস্বরূপ হতে হবে।
১. জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ত করা। অর্থাৎ তার জ্ঞান অর্জনের আসল উদ্দেশ্য হবে আল্লাহ তা‘আলাকে সমত্মুষ্ট করা। সুতরাং সে জ্ঞান অন্বেষণ করবে আল্লাহ তা‘আলার জন্য। আর এই জ্ঞানার্জন দ্বারা সে তার দ্বীন, আকীদা-বিশ্বাস ও নৈতিক চরিত্রকে প্রতিষ্ঠিত করবে এবং সুস্পষ্ট জ্ঞানের ভিত্তিতে আল্লাহর ইবাদাত করবে ।
২. ছাত্রী জ্ঞানার্জনের আদব কায়দা রপ্ত করার মাধ্যমে নৈতিক চরিত্র ও শিষ্টাচার অর্জন করবে। যেমন- অধ্যবসায়, উৎসাহ-উদ্দীপনা, পরস্পর পাঠক্রম আলোচনা, বার বার পাঠ ও সুন্দর চালচলন। বিশেষ করে শিক্ষিকাগণ ও বান্ধবীদের সাথে আচার-আচরণ ও লেনদেনের ক্ষেত্রে।
৩. জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে চিন্তা-গবেষণা করা। সুতরাং সে পাঠ্য বিষয়সমূহ ব্যাখ্যা-বিশেলষণের ক্ষেত্রে শিক্ষিকাকে অনুসরণ করবে, মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করবে। অতঃপর বাসায় এসে সেগুলো বার বার পর্যালোচনা করবে এবং সর্বোপরি তার সকল আবশ্যকীয় দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করবে।
৪. শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মান ও মর্যাদা দেয়া।
৫. বান্ধবীদের সাথে কোন প্রকার হিংসা-বিদ্বেষ, নিষ্ঠুরতা, কঠোরতা, কটু কথা বা কঠোর শব্দ উচ্চারণ না করা এবং তাদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করা। কারণ সে হলো তার বোন, বান্ধবী ও সহপাঠী।
৬. প্রতিষ্ঠানের নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা। বিশেষ করে যা উত্তম চরিত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ, প্রকাশভঙ্গি, আকার-আকৃতি ও বেশ-ভূষার সাথে সম্পর্কিত। যদি প্রতিষ্ঠানের নির্দেশ শরীয়তবিরোধী না হয় তবে প্রতিষ্ঠানের নির্দেশগুলো সে বাস্তবায়ন করবে।
৭. সিলেবাস বহির্ভূত তৎপরতায় অংশগ্রহণ করা। যাতে সে এমন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারে, যে জ্ঞান পাঠকক্ষে অর্জন করা সম্ভব হয়ে উঠে না। যেমন- সুন্দরভাবে কুরআন তিলাওয়াত করা, হাদীস মুখস্থ করা, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বই-পুসত্মক অধ্যয়ন করা, হাতের কাজ তথা সেলাই করা, রান্নাবান্না করা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজসমূহ আয়ত্ত করে নেয়া ইত্যাদি।
৮. সহপাঠী তথা বান্ধবীদের উদ্দেশ্যে সময়-সুযোগ অনুযায়ী শ্রেণিকক্ষে বক্তব্য পেশের মাধ্যমে সংশোধন ও দিকনির্দেশনামূলক উপদেশ প্রদান করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।
৯. তার চালচলন, আচার-আচরণ, আলোচনা-পর্যালোচনা, অনুধাবন, শিক্ষা গ্রহণ ও শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে তার সহপাঠী ও বান্ধবীদের জন্য আদর্শস্বরূপ হতে হবে।