১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৯
নিফাসের মাসআলা
সন্তান প্রসবের কারণে নারীর যৌনাঙ্গ দিয়ে নির্গত রক্তকে নিফাস বলে।
নিফাসের সময়সীমা :
নিফাসের সর্বনিম্ন কোন সময়সীমা নেই। সকল ইসলামী বিদ্বানের মতে, ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই যদি কোন নারী নিফাস থেকে পবিত্র হয়, তাহলে সে গোসল করার মাধ্যমে নামায পড়া ও স্বামীর সাথে সহবাসে লিপ্ত হতে পারবে।
অধিকাংশ আলেমের অভিমত হলো, নিফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৪০ দিন। ৪০ দিন পর গোসল করবে এবং নামায পড়বে- যদিও রক্ত চলমান থাকে। ইমাম তিরমিযী (রহ.) বলেন,
নবী ﷺ এর সাহাবী ও তাবেয়ীনসহ পরবর্তী উলামাগণ এ ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে, নিফাসগ্রসত্ম মহিলা ৪০ দিন পর্যমত্ম নামায ত্যাগ করতে পারবে। তবে এর মধ্যে যদি সে রক্ত প্রবাহিত হওয়া থেকে পবিত্র হয়ে যায় তবে সে গোসল করে নামায পড়বে। যদি ৪০ দিনের অধিক সময় পর্যমত্ম রক্ত প্রবাহিত হতে থাকে তবে অধিকাংশ আলেমের মত হচ্ছে, সে নামায পড়বে। [তিরমিযী, হা/১৩৯।]
নিফাসের সময়সীমা :
নিফাসের সর্বনিম্ন কোন সময়সীমা নেই। সকল ইসলামী বিদ্বানের মতে, ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই যদি কোন নারী নিফাস থেকে পবিত্র হয়, তাহলে সে গোসল করার মাধ্যমে নামায পড়া ও স্বামীর সাথে সহবাসে লিপ্ত হতে পারবে।
অধিকাংশ আলেমের অভিমত হলো, নিফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৪০ দিন। ৪০ দিন পর গোসল করবে এবং নামায পড়বে- যদিও রক্ত চলমান থাকে। ইমাম তিরমিযী (রহ.) বলেন,
নবী ﷺ এর সাহাবী ও তাবেয়ীনসহ পরবর্তী উলামাগণ এ ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে, নিফাসগ্রসত্ম মহিলা ৪০ দিন পর্যমত্ম নামায ত্যাগ করতে পারবে। তবে এর মধ্যে যদি সে রক্ত প্রবাহিত হওয়া থেকে পবিত্র হয়ে যায় তবে সে গোসল করে নামায পড়বে। যদি ৪০ দিনের অধিক সময় পর্যমত্ম রক্ত প্রবাহিত হতে থাকে তবে অধিকাংশ আলেমের মত হচ্ছে, সে নামায পড়বে। [তিরমিযী, হা/১৩৯।]