১
তাকওয়া
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
তাকওয়া সম্পর্কে আল্লাহ বলেন
তাকওয়া শব্দটি আল কুরআনের বিভিন্ন সূরায় প্রায় ২৫১ বার এসেছে। এই শব্দটি কুরআনে এতোবার আসার উদ্দেশ্য আমরা খুব সহজেই অনুধাবন করতে পারি যে এটা মানব জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই শব্দটি শুধু আল কুরআনেই নয় সহীহ হাদীসগুলোতেই বহুবার এসেছে। নিম্নে তাকওয়া সম্মলিত কিছু আয়াত তুলে ধরা হলো।
১. নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত যিনি তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক আল্লাহভীরু। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সব কিছু জানেন এবং সব বিষয়ে অবহিত। (সূরা আল হুজুরাত, ৪৯ : ১৩)
২. হে ঈমানদার লোকেরা! আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেক ব্যক্তি যেন লক্ষ্য করে যে, সে আগামীদিনের জন্য কী সামগ্রীর ব্যবস্থা করে রেখেছে। আল্লাহকেই ভয় করতে থাক। আল্লাহ নিশ্চয়ই তোমাদের সে সব আমল সম্পর্কে অবহিত যা তোমরা কর। (সূরা আল হাশর, ৫৯ : ১৮)
৩. হে ঈমানদার লোকেরা, আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যাদর্শ লোকদের সঙ্গী হও। (সূরা আত তাওবা, ৯: ১১৯)
৪. নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল ইলমসম্পন্ন লোকেরাই তাঁকে ভয় করে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তিশালী ও ক্ষমাকারী। (সূরা আল ফাতির, ৩৫ : ২৮)
৫. আল্লাহ তো তাঁদের সংগে রয়েছেন, যারা তাকওয়া সহকারে কাজ করে এবং ইহসান অনুসারে আমল করে। (সূরা আন নাহল, ১৬ : ১২৮)
৬. আর সফলকাম হবে ঐ সমস্ত লোক যারা আল্লাহ ও রসূলের হুকুম পালন করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর অবাধ্যতা হতে দূরে থাকে । (সূরা আন নূর, ২৪ : ৫২)
৭. রসূল তোমাদেরকে যা দেন তা গ্রহণ কর। আর যা নিষেধ করেন তা হতে বিরত থাক। আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ কঠিন শাস্তিদাতা। (সূরা আল হাশর, ৫৯ : ৭)
৮. তোমরা যথাসম্ভব আল্লাহকে ভয় কর। আর শুন ও অনুসরণ কর এবং নিজের ধন সম্পদ ব্যয় কর, ইহা তোমাদের জন্যই কল্যাণকর। যে সকল লোক স্বীয় মনের সংকীর্ণতা হতে রক্ষা পেয়ে গেল, শুধু তারাই সফলকাম। (সূরা আত তাগাবুন, ৬৪ : ১৬)
৯. হে নবী! আল্লাহকে ভয় কর এবং কাফির ও মুনাফিকদের আনুগত্য করো না, প্রকৃতপক্ষে সব জ্ঞান ও বুদ্ধির মালিক তো আল্লাহই। (সূরা আল আহযাব, ৩৩ : ১)
১০. যারা নিজেদের অদৃশ্য আল্লাহকে ভয় করে, নিশ্চয়ই তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও অতি বড় সুফল। (সূরা আল মূলক, ৬৭ : ১২)
১১. হে ঈমানদারগণ, ধৈর্য অবলম্বন কর, বাতিলপন্থীদের মোকাবেলায় দৃঢ়তা ও অনমনীয়তা প্রদর্শন কর, যুদ্ধের জন্য সর্বক্ষণ প্রস্তুত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর, আশা করা যায় যে, তোমরা কল্যাণ লাভ করতে পারবে। (সূরা আলে ইমরান, ৩ : ২০০)।
১২. যেসব কাজ পূণ্য ও ভয়মূলক তাতে একে অপরকে সাহায্য কর, আর যা গুনাহ ও সীমালংঘনের কাজ তাতে কারো একবিন্দু সাহায্য ও সহযোগিতা করো না। আল্লাহকে ভয় কর, কেননা তাঁর দন্ড অত্যন্ত কঠিন। (সূরা আল মায়িদা, ৫:২)
১৩. হে ঈমানদার লোকেরা, তোমরা যখন পরস্পর গোপন কথা বল, তখন গুনাহ, বাড়াবাড়ি ও রসূলের নাফরমানির কথাবার্তা নয়-বরং সকর্মশীলতা ও আল্লাহকে ভয় করে চলার (তাকওয়ার) কথাবার্তা বল এবং সেই আল্লাহকে ভয় করতে থাক যার দরবারে তোমাদেরকে হাশরের দিন উপস্থিত হতে হবে। (সূরা আল মুজাদালা, ৫৮ : ৯)।
১৪. তোমাদের উম্মত একই উম্মত, আর আমি তোমাদের রব। অতএব আমাকেই ভয় কর। (সূরা আল মু'মিনূন, ২৩ : ৫২)
১৫. (হে রসূল) বলে দাও দুনিয়ার জীবন সম্পদ খুবই নগণ্য। আর পরকাল একজন আল্লাহভীরু ব্যক্তির জন্য অতিশয় উত্তম। আর তোমাদের প্রতি একবিন্দু পরিমাণও যুলুম করা হবে না। (সূরা আন নিসা, ৪ : ৭৭)
১৬. হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর, তার নৈকট্য লাভের উপায় সন্ধান কর এবং তার পথে চরম চেষ্টা সাধনা বা জিহাদ কর। সম্ভবতঃ তোমরা কল্যাণ লাভ করবে। (সূরা আল মায়িদা, ৫ : ৩৫)
১৭. হে ঈমানদার লোকেরা, আল্লাহকে ভয় কর এবং রসূলের প্রতি ঈমান আন। (সূরা আল হাদীদ, ৫৭ : ২৮)
১৮. আল্লাহকে ভয় কর, সম্ভবতঃ তোমরা কল্যাণ লাভ করবে। (সূরা আল বাকারা, ২ : ১৮৯)
১৯. হে ঈমানদার লোকেরা, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অগ্রে অগ্রসর হয়ো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (সূরা আল হুজুরাত, ৪৯ : ১)
২০. হে মানবজাতি, তোমরা ভয় কর তোমাদের সেই রবকে যিনি তোমাদেরকে একটি নফস থেকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তা থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। আর তাদের দু’জন হতে অসংখ্য নারী-পুরুষ ছড়িয়ে দিয়েছেন। আল্লাহকে ভয় কর, যার নামে তোমরা একে অপরের নিকট দাবী করে থাক এবং আত্মীয়-স্বজনদের ব্যাপারেও ভয় কর। আল্লাহ তোমাদের উপর প্রহরীরূপে আছেন। (সূরা আন নিসা, ৪ : ১)।
২১. তোমরা ভয় কর সেই দিনের যেদিন কেউ কারো এক বিন্দু উপকারে আসবে না, কারো নিকট হতে কোন বিনিময় গ্রহণ করা হবে না, কোন সুপারিশই কাউকে এক বিন্দু উপকার দান করবে না, আর পাপীগণ কোন দিক দিয়েও কিছুমাত্র সাহায্য প্রাপ্ত হবে না। (সূরা আল বাকারা, ২: ১২৩)
২২. যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার মুক্তির পথ বের করে দেন এবং তার কল্পনাতীত উৎস থেকে তিনি তাকে রিযিক দেন। (সূরা আত তালাক, ৬৫ : ২-৩)
২৩. যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তাহলে তিনি তোমাদেরকে (ভালো ও মন্দের মধ্যে পার্থক্য করার যোগ্যতা ও শক্তি দান করবেন, তোমাদের থেকে তোমাদের গুনাহসমূহ দূর করে দেবেন এবং তোমাদের মাফ করে দেবেন। আর আল্লাহ বড়ই মহান। (সূরা আল আনফাল, ৮ : ২৯)
২৪. আর যারা সত্যসহ আগমণ করে এবং (যারা) সত্যকে সত্য বলে সমর্থন করে তারাই আল্লাহভীরু। (সূরা আয যুমার, ৩৯ : ৩৩)
২৫.তোমরা পাথেয় সঞ্চয় কর। সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে তাকওয়া। আর হে বিবেকবানেরা, একমাত্র আমাকেই ভয় কর। (সূরা বাকারা, ২: ১৯৭)।
২৬. এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রেখো, আল্লাহ সহিষ্ণু পরহেজগার আমলদারদের সাথে রয়েছেন। (সূরা আল বাকারা, ২: ১৯৪)
২৭. হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক/সত্য কথা বল। (সূরা আল আহযাব, ৩৩ : ৭০)
২৮. তোমরা আত্মপ্রসংশা করো না, আল্লাহ উত্তমরূপে জানেন মুত্তাকী কে (সূরা নাজম ৫৩ : ৩২) আল্লাহ মুত্তাকীদের সম্বন্ধে উত্তমরূপেই জানেন (সূরা আলে ইমরান ৩: ১১৫)
১. নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত যিনি তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক আল্লাহভীরু। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সব কিছু জানেন এবং সব বিষয়ে অবহিত। (সূরা আল হুজুরাত, ৪৯ : ১৩)
২. হে ঈমানদার লোকেরা! আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেক ব্যক্তি যেন লক্ষ্য করে যে, সে আগামীদিনের জন্য কী সামগ্রীর ব্যবস্থা করে রেখেছে। আল্লাহকেই ভয় করতে থাক। আল্লাহ নিশ্চয়ই তোমাদের সে সব আমল সম্পর্কে অবহিত যা তোমরা কর। (সূরা আল হাশর, ৫৯ : ১৮)
৩. হে ঈমানদার লোকেরা, আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যাদর্শ লোকদের সঙ্গী হও। (সূরা আত তাওবা, ৯: ১১৯)
৪. নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল ইলমসম্পন্ন লোকেরাই তাঁকে ভয় করে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তিশালী ও ক্ষমাকারী। (সূরা আল ফাতির, ৩৫ : ২৮)
৫. আল্লাহ তো তাঁদের সংগে রয়েছেন, যারা তাকওয়া সহকারে কাজ করে এবং ইহসান অনুসারে আমল করে। (সূরা আন নাহল, ১৬ : ১২৮)
৬. আর সফলকাম হবে ঐ সমস্ত লোক যারা আল্লাহ ও রসূলের হুকুম পালন করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর অবাধ্যতা হতে দূরে থাকে । (সূরা আন নূর, ২৪ : ৫২)
৭. রসূল তোমাদেরকে যা দেন তা গ্রহণ কর। আর যা নিষেধ করেন তা হতে বিরত থাক। আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ কঠিন শাস্তিদাতা। (সূরা আল হাশর, ৫৯ : ৭)
৮. তোমরা যথাসম্ভব আল্লাহকে ভয় কর। আর শুন ও অনুসরণ কর এবং নিজের ধন সম্পদ ব্যয় কর, ইহা তোমাদের জন্যই কল্যাণকর। যে সকল লোক স্বীয় মনের সংকীর্ণতা হতে রক্ষা পেয়ে গেল, শুধু তারাই সফলকাম। (সূরা আত তাগাবুন, ৬৪ : ১৬)
৯. হে নবী! আল্লাহকে ভয় কর এবং কাফির ও মুনাফিকদের আনুগত্য করো না, প্রকৃতপক্ষে সব জ্ঞান ও বুদ্ধির মালিক তো আল্লাহই। (সূরা আল আহযাব, ৩৩ : ১)
১০. যারা নিজেদের অদৃশ্য আল্লাহকে ভয় করে, নিশ্চয়ই তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও অতি বড় সুফল। (সূরা আল মূলক, ৬৭ : ১২)
১১. হে ঈমানদারগণ, ধৈর্য অবলম্বন কর, বাতিলপন্থীদের মোকাবেলায় দৃঢ়তা ও অনমনীয়তা প্রদর্শন কর, যুদ্ধের জন্য সর্বক্ষণ প্রস্তুত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর, আশা করা যায় যে, তোমরা কল্যাণ লাভ করতে পারবে। (সূরা আলে ইমরান, ৩ : ২০০)।
১২. যেসব কাজ পূণ্য ও ভয়মূলক তাতে একে অপরকে সাহায্য কর, আর যা গুনাহ ও সীমালংঘনের কাজ তাতে কারো একবিন্দু সাহায্য ও সহযোগিতা করো না। আল্লাহকে ভয় কর, কেননা তাঁর দন্ড অত্যন্ত কঠিন। (সূরা আল মায়িদা, ৫:২)
১৩. হে ঈমানদার লোকেরা, তোমরা যখন পরস্পর গোপন কথা বল, তখন গুনাহ, বাড়াবাড়ি ও রসূলের নাফরমানির কথাবার্তা নয়-বরং সকর্মশীলতা ও আল্লাহকে ভয় করে চলার (তাকওয়ার) কথাবার্তা বল এবং সেই আল্লাহকে ভয় করতে থাক যার দরবারে তোমাদেরকে হাশরের দিন উপস্থিত হতে হবে। (সূরা আল মুজাদালা, ৫৮ : ৯)।
১৪. তোমাদের উম্মত একই উম্মত, আর আমি তোমাদের রব। অতএব আমাকেই ভয় কর। (সূরা আল মু'মিনূন, ২৩ : ৫২)
১৫. (হে রসূল) বলে দাও দুনিয়ার জীবন সম্পদ খুবই নগণ্য। আর পরকাল একজন আল্লাহভীরু ব্যক্তির জন্য অতিশয় উত্তম। আর তোমাদের প্রতি একবিন্দু পরিমাণও যুলুম করা হবে না। (সূরা আন নিসা, ৪ : ৭৭)
১৬. হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর, তার নৈকট্য লাভের উপায় সন্ধান কর এবং তার পথে চরম চেষ্টা সাধনা বা জিহাদ কর। সম্ভবতঃ তোমরা কল্যাণ লাভ করবে। (সূরা আল মায়িদা, ৫ : ৩৫)
১৭. হে ঈমানদার লোকেরা, আল্লাহকে ভয় কর এবং রসূলের প্রতি ঈমান আন। (সূরা আল হাদীদ, ৫৭ : ২৮)
১৮. আল্লাহকে ভয় কর, সম্ভবতঃ তোমরা কল্যাণ লাভ করবে। (সূরা আল বাকারা, ২ : ১৮৯)
১৯. হে ঈমানদার লোকেরা, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অগ্রে অগ্রসর হয়ো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (সূরা আল হুজুরাত, ৪৯ : ১)
২০. হে মানবজাতি, তোমরা ভয় কর তোমাদের সেই রবকে যিনি তোমাদেরকে একটি নফস থেকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তা থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। আর তাদের দু’জন হতে অসংখ্য নারী-পুরুষ ছড়িয়ে দিয়েছেন। আল্লাহকে ভয় কর, যার নামে তোমরা একে অপরের নিকট দাবী করে থাক এবং আত্মীয়-স্বজনদের ব্যাপারেও ভয় কর। আল্লাহ তোমাদের উপর প্রহরীরূপে আছেন। (সূরা আন নিসা, ৪ : ১)।
২১. তোমরা ভয় কর সেই দিনের যেদিন কেউ কারো এক বিন্দু উপকারে আসবে না, কারো নিকট হতে কোন বিনিময় গ্রহণ করা হবে না, কোন সুপারিশই কাউকে এক বিন্দু উপকার দান করবে না, আর পাপীগণ কোন দিক দিয়েও কিছুমাত্র সাহায্য প্রাপ্ত হবে না। (সূরা আল বাকারা, ২: ১২৩)
২২. যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার মুক্তির পথ বের করে দেন এবং তার কল্পনাতীত উৎস থেকে তিনি তাকে রিযিক দেন। (সূরা আত তালাক, ৬৫ : ২-৩)
২৩. যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তাহলে তিনি তোমাদেরকে (ভালো ও মন্দের মধ্যে পার্থক্য করার যোগ্যতা ও শক্তি দান করবেন, তোমাদের থেকে তোমাদের গুনাহসমূহ দূর করে দেবেন এবং তোমাদের মাফ করে দেবেন। আর আল্লাহ বড়ই মহান। (সূরা আল আনফাল, ৮ : ২৯)
২৪. আর যারা সত্যসহ আগমণ করে এবং (যারা) সত্যকে সত্য বলে সমর্থন করে তারাই আল্লাহভীরু। (সূরা আয যুমার, ৩৯ : ৩৩)
২৫.তোমরা পাথেয় সঞ্চয় কর। সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে তাকওয়া। আর হে বিবেকবানেরা, একমাত্র আমাকেই ভয় কর। (সূরা বাকারা, ২: ১৯৭)।
২৬. এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রেখো, আল্লাহ সহিষ্ণু পরহেজগার আমলদারদের সাথে রয়েছেন। (সূরা আল বাকারা, ২: ১৯৪)
২৭. হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক/সত্য কথা বল। (সূরা আল আহযাব, ৩৩ : ৭০)
২৮. তোমরা আত্মপ্রসংশা করো না, আল্লাহ উত্তমরূপে জানেন মুত্তাকী কে (সূরা নাজম ৫৩ : ৩২) আল্লাহ মুত্তাকীদের সম্বন্ধে উত্তমরূপেই জানেন (সূরা আলে ইমরান ৩: ১১৫)