১
তাকওয়া
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৮
আদর্শ প্রতিষ্ঠায় ঈমানের পরীক্ষা
যে আত্মা খিলাফতে ইলাহীর আমানত বহন এবং এর ভারোত্তলন করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়, ইসলাম মানুষের মধ্যে এমন আত্মাই সৃষ্টি করে থাকে। অপরিহার্য রূপে এ আত্মা এত কঠোর ও লৌহ কঠিন দৃঢ় মজবুত ও নিরঙ্কুশ এবং দৃঢ়ভাবে হবে যেন এপথে নিজের সমুদয় বস্তু জলাঞ্জলি দিতে পারে, প্রত্যেকটি পরীক্ষাকে স্বাগত জানাতে সক্ষম হয় এবং পার্থিব ধন-সম্পদের মধ্যে কোন বস্তুর দিকে দৃষ্টি না রাখার পরিবর্তে শুধু আখিরাতকেই লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত করে নেয় ও আল্লাহর সন্তুষ্টির প্রার্থী থাকে। এ আত্মা এমন নজীরবিহীন আত্ম হবে যেন এ পার্থিব জগতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা অবধি দুঃখ-কষ্ট, বিপদ-আপদ, লাঞ্ছনা, ভাগ্য বিড়ম্বনা মন-প্রাণ উজাড় করে দেয়া এমনকি প্রাণ বিসর্জন দেয়ার ন্যায় ত্যাগ তিতিক্ষার মধ্যে অতিবাহিত করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায় ।
এসব প্রতিকূলতা ও জটিলতার মোকাবিলার জন্য যে শক্তি ও সামর্থ্যের প্রয়োজন তা অর্জনের উপায় হচ্ছে ‘সবর বা অসীম ধৈর্য অবলম্বন। এ ‘সবর বা ধৈর্য মুমিনকে প্রচুর শক্তি দান করে। এর মধ্যে সেই পরিচয় পাওয়া যায় ঈমানের দাবীতে কে কতটা সত্যবাদী। ধৈর্য এমন একটি কষ্টি পাথর যার মাধ্যমে মুমিনের সঠিক পরীক্ষা হয়ে যায় এবং প্রমাণ হয়ে যায় সত্য ও মিথ্যার, দুর্বল ঈমানদার ও কপট ব্যক্তিরাও এভাবে ছাঁটাই হয়ে যায়, এরপর ময়দানে যারা টিকে থাকে তারা সেসব তাকওয়াবান মুজাহিদ, প্রকৃতপক্ষে যারা দশগুণ শক্তিদ্ধর শত্রুর মোকাবিলায় বিজয় লাভে সক্ষম। দেশে দেশে, যুগে যুগে শির উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন যেসব তাকওয়াবান মুজাহিদরা। সহ্য করেছেন যালিম। শক্তির অত্যাচার ও লাঞ্ছনা-নিগ্রহ। তাঁদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। জেলখানার অমানুষিক জীবন। ফাঁসীর মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে তাঁদের চোখের সামনে, মৃত্যুর মুখোমুখী দাঁড় করিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে ইসলামী আদর্শের সেসব বীর সৈনিককে ‘সুখে-শান্তিতে আবার জীবনে বেঁচে থাকতে পার, যদি ত্যাগ কর আদর্শের ঐসব পাগলামীকে। প্রতি ক্ষেত্রে প্রতি কণ্ঠ থেকে নির্ভীক উত্তর এসেছে। ‘ইসলামের জন্য জীবন, ইসলামের জন্য মরণ, ইসলামের জন্য আমাদের বন্দুর পথ পরিক্রমা, ইসলামী আদর্শ পরিত্যাগ করে জীবনধারণ! এতো অলীক কল্পনা! আমরা চাই মানুষকে ফিরিয়ে দাও সেই ইসলামী রাষ্ট্র, ফিরিয়ে দাও মদীনার সেই ইসলামকে। জীবন তাঁরা বিলিয়ে দিয়েছেন। সমুন্নত রেখেছেন ইসলাম আদর্শের পতাকা।
এসব প্রতিকূলতা ও জটিলতার মোকাবিলার জন্য যে শক্তি ও সামর্থ্যের প্রয়োজন তা অর্জনের উপায় হচ্ছে ‘সবর বা অসীম ধৈর্য অবলম্বন। এ ‘সবর বা ধৈর্য মুমিনকে প্রচুর শক্তি দান করে। এর মধ্যে সেই পরিচয় পাওয়া যায় ঈমানের দাবীতে কে কতটা সত্যবাদী। ধৈর্য এমন একটি কষ্টি পাথর যার মাধ্যমে মুমিনের সঠিক পরীক্ষা হয়ে যায় এবং প্রমাণ হয়ে যায় সত্য ও মিথ্যার, দুর্বল ঈমানদার ও কপট ব্যক্তিরাও এভাবে ছাঁটাই হয়ে যায়, এরপর ময়দানে যারা টিকে থাকে তারা সেসব তাকওয়াবান মুজাহিদ, প্রকৃতপক্ষে যারা দশগুণ শক্তিদ্ধর শত্রুর মোকাবিলায় বিজয় লাভে সক্ষম। দেশে দেশে, যুগে যুগে শির উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন যেসব তাকওয়াবান মুজাহিদরা। সহ্য করেছেন যালিম। শক্তির অত্যাচার ও লাঞ্ছনা-নিগ্রহ। তাঁদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। জেলখানার অমানুষিক জীবন। ফাঁসীর মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে তাঁদের চোখের সামনে, মৃত্যুর মুখোমুখী দাঁড় করিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে ইসলামী আদর্শের সেসব বীর সৈনিককে ‘সুখে-শান্তিতে আবার জীবনে বেঁচে থাকতে পার, যদি ত্যাগ কর আদর্শের ঐসব পাগলামীকে। প্রতি ক্ষেত্রে প্রতি কণ্ঠ থেকে নির্ভীক উত্তর এসেছে। ‘ইসলামের জন্য জীবন, ইসলামের জন্য মরণ, ইসলামের জন্য আমাদের বন্দুর পথ পরিক্রমা, ইসলামী আদর্শ পরিত্যাগ করে জীবনধারণ! এতো অলীক কল্পনা! আমরা চাই মানুষকে ফিরিয়ে দাও সেই ইসলামী রাষ্ট্র, ফিরিয়ে দাও মদীনার সেই ইসলামকে। জীবন তাঁরা বিলিয়ে দিয়েছেন। সমুন্নত রেখেছেন ইসলাম আদর্শের পতাকা।