১
তাকওয়া
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪১
তাকওয়া অবলম্বনের কিছু সূক্ষ্ম উদাহরণ
আমি আমার অফিসের ফটোকপি মেশিন ব্যবহার করে কিছু কুরআনের আয়াত ও হাদীস ফটোকপি করে ইসলামের দাওয়াতী কাজে বিলি করলাম। এখানে আমার ভাল কাজ অবৈধ কাজের সাথে সংমিশ্রণ হয়ে গেল । অর্থাৎ প্রথম কাজটি ছিল অন্যায় কিন্তু দ্বিতীয় কাজটি ছিল ভাল ।
আমি সরকারী বাসায় থাকি এবং সেই বাসার একটা অংশ পার্ট টাইম ব্যবসার কাজে ব্যবহার করছি বা ভাড়া দিয়েছি যা হাউজিং অথরিটি থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আবার সরকারী বাসা ব্যবসার কাজে ব্যবহার করছি এবং ব্যবসার ইনকামের কোন ট্যাক্স ফাইলও করছি না। এখানেও হালাল - হারাম মিশ্রণ হয়ে যাচ্ছে। আমি যেখানে চাকুরী করি সেখানে নিয়মিত কাজে ফাঁকি দেই তা সাধারণভাবে ধরার কোন উপায় নেই। কিন্তু আমি যদি আল্লাহকে ভয় করি তাহলে অফিসে কোন বস না থাকলেও আমি আমার সব কাজকর্ম প্রতিদিন ঠিকমতোই করবো। কারণ আল্লাহ তো আমার ফাঁকিবাজিটা দেখছেন। আমি জাহাঙ্গির নগর ইউনিভার্সিটির একজন ছাত্র । বাসে উঠে দেখলাম প্রতিটি দুই সিটের আসনে একটি করে সিট খালি আছে কিন্তু প্রতিটি সিটে একজন করে মেয়ে বসে আছে। অর্থাৎ তিনজন মেয়ের পাশে একটি করে মোট তিনটি সিট খালি আছে আর মাত্র একটি সিট খালি আছে একজন ছেলের পাশে তাও আবার একেবারে বাসের পিছন দিকে। আমি এবার কোন সিটটিতে বসবো? আমার স্ত্রী-কন্যা যখন কোন ইসলামী অনুষ্ঠানে যান তখন সুন্দর হিযাব পরে যান অর্থাৎ পর্দা করেন। কিন্তু যখন অন্য কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে যান। তখন পদা করেন না। এখানেও মূল বিষয়টি তাকওয়ার, কারণ আমি পদা কেন করি বা পর্দা কেন করবো তা পরিষ্কার না। আমি দিন দিন মোটা হয়ে যাচ্ছি। একজন আমাকে পরামর্শ দিলেন যে আপনি প্রতি সপ্তাহে দুই দিন নফল সিয়াম রাখেন তাহলেই স্লিম হয়ে যাবেন এছাড়া রসূল (ﷺ)ও সপ্তাহে দুই দিন সিয়াম পালন করতেন। আমরা সিয়াম পালন কেন করি? উদ্দেশ্য মহান আল্লাহকে খুশি করা। এখানে ঐ লোকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নফল সিয়াম পালন করার মাধ্যমে শরীর স্বাস্থ্য কমানো। এক্ষেত্রেও তাকওয়ার বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে।
অতি দুঃখের বিষয়:
তাকওয়ার বিষয়টা খুবই সুক্ষ্ম । অনেক সময় দেখা যায় যে খুবই ঈমানদার লোক, ইসলামের সকল কাজকর্মই করেন কিন্তু অন্যের ভাল দেখে হিংসা করেন। তখন আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। কেন জানি অন্যের ভাল দেখলে সহ্য করতে পারেন না।
আজকাল টেকনোলজির যুগে বিভিন্ন দোকান, শপিংমল, অফিস, এপার্টমেন্ট বিভিন্ন জায়গাতেই নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে সিকিউরিটি ক্যামেরা লাগানো থাকে এবং সতর্কতামূলক সাইন লিখা থাকে যে “You are under video Surveillance”। এ কারণে সেইসব এলাকায় অপরাধ খুবই কম হয়। ঠিক তেমনি আমরা যদি এটা বিশ্বাস করে থাকি যে আল্লাহও আমাদের সব কর্মকান্ড ২৪ ঘন্টা দেখছেন এবং রেকর্ড করছেন তাহলেও কিন্তু আমাদের মধ্যেও তাকওয়া বৃদ্ধি পাবে এবং অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে । ভিডিও ক্যামেরাতো শুধু আমাদের বাহ্যিক দৃশ্যগুলো রেকর্ড করছে কিন্তু আল্লাহ শুধু আমাদের বাহ্যিক। কর্মকান্ডই নয় মনের অবস্থাটাও জেনে যাচ্ছেন এবং তা রেকর্ড করছেন।
আমি সরকারী বাসায় থাকি এবং সেই বাসার একটা অংশ পার্ট টাইম ব্যবসার কাজে ব্যবহার করছি বা ভাড়া দিয়েছি যা হাউজিং অথরিটি থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আবার সরকারী বাসা ব্যবসার কাজে ব্যবহার করছি এবং ব্যবসার ইনকামের কোন ট্যাক্স ফাইলও করছি না। এখানেও হালাল - হারাম মিশ্রণ হয়ে যাচ্ছে। আমি যেখানে চাকুরী করি সেখানে নিয়মিত কাজে ফাঁকি দেই তা সাধারণভাবে ধরার কোন উপায় নেই। কিন্তু আমি যদি আল্লাহকে ভয় করি তাহলে অফিসে কোন বস না থাকলেও আমি আমার সব কাজকর্ম প্রতিদিন ঠিকমতোই করবো। কারণ আল্লাহ তো আমার ফাঁকিবাজিটা দেখছেন। আমি জাহাঙ্গির নগর ইউনিভার্সিটির একজন ছাত্র । বাসে উঠে দেখলাম প্রতিটি দুই সিটের আসনে একটি করে সিট খালি আছে কিন্তু প্রতিটি সিটে একজন করে মেয়ে বসে আছে। অর্থাৎ তিনজন মেয়ের পাশে একটি করে মোট তিনটি সিট খালি আছে আর মাত্র একটি সিট খালি আছে একজন ছেলের পাশে তাও আবার একেবারে বাসের পিছন দিকে। আমি এবার কোন সিটটিতে বসবো? আমার স্ত্রী-কন্যা যখন কোন ইসলামী অনুষ্ঠানে যান তখন সুন্দর হিযাব পরে যান অর্থাৎ পর্দা করেন। কিন্তু যখন অন্য কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে যান। তখন পদা করেন না। এখানেও মূল বিষয়টি তাকওয়ার, কারণ আমি পদা কেন করি বা পর্দা কেন করবো তা পরিষ্কার না। আমি দিন দিন মোটা হয়ে যাচ্ছি। একজন আমাকে পরামর্শ দিলেন যে আপনি প্রতি সপ্তাহে দুই দিন নফল সিয়াম রাখেন তাহলেই স্লিম হয়ে যাবেন এছাড়া রসূল (ﷺ)ও সপ্তাহে দুই দিন সিয়াম পালন করতেন। আমরা সিয়াম পালন কেন করি? উদ্দেশ্য মহান আল্লাহকে খুশি করা। এখানে ঐ লোকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নফল সিয়াম পালন করার মাধ্যমে শরীর স্বাস্থ্য কমানো। এক্ষেত্রেও তাকওয়ার বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে।
অতি দুঃখের বিষয়:
তাকওয়ার বিষয়টা খুবই সুক্ষ্ম । অনেক সময় দেখা যায় যে খুবই ঈমানদার লোক, ইসলামের সকল কাজকর্মই করেন কিন্তু অন্যের ভাল দেখে হিংসা করেন। তখন আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। কেন জানি অন্যের ভাল দেখলে সহ্য করতে পারেন না।
আজকাল টেকনোলজির যুগে বিভিন্ন দোকান, শপিংমল, অফিস, এপার্টমেন্ট বিভিন্ন জায়গাতেই নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে সিকিউরিটি ক্যামেরা লাগানো থাকে এবং সতর্কতামূলক সাইন লিখা থাকে যে “You are under video Surveillance”। এ কারণে সেইসব এলাকায় অপরাধ খুবই কম হয়। ঠিক তেমনি আমরা যদি এটা বিশ্বাস করে থাকি যে আল্লাহও আমাদের সব কর্মকান্ড ২৪ ঘন্টা দেখছেন এবং রেকর্ড করছেন তাহলেও কিন্তু আমাদের মধ্যেও তাকওয়া বৃদ্ধি পাবে এবং অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে । ভিডিও ক্যামেরাতো শুধু আমাদের বাহ্যিক দৃশ্যগুলো রেকর্ড করছে কিন্তু আল্লাহ শুধু আমাদের বাহ্যিক। কর্মকান্ডই নয় মনের অবস্থাটাও জেনে যাচ্ছেন এবং তা রেকর্ড করছেন।