১
তাকওয়া
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
সংঘবদ্ধ জীবনযাপন করা
ঈমানদারদের দাওয়াতী কাজ সংঘবদ্ধভাবে করার ব্যাপারটিও শরীয়তের বাধ্যবাধকতার আওতাভূক্ত । একদল লোক সংঘবদ্ধভাবে নিজেদের আত্মগঠন ও দ্বীন প্রচারের কাজ চালিয়ে যাবে । এর মূল কাঠামো ও মডেল হবে আল্লাহর রসূল (ﷺ) এর যুগ ও জিন্দেগী হতে নেয়া। সংঘবদ্ধ জীবন - সুশৃংখল জীবন গঠন, দ্বীন বুঝা ও এর চর্চায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। জামাতবদ্ধ জীবনের গুরুত্ব কুরআন ও সুন্নাহে সমভাবে উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহর রসূল (ﷺ) বলেছেন ও শয়তান একাকী পেলে সঙ্গী হয়, দলবদ্ধ থাকলে সে সটকে পড়ে। অর্থাৎ দ্বীনের কাজ একা একা করা যায় না। ঈমানদারদেরকে তাওহীদের ভিত্তিতে কোন না কোন ভাবে সংঘবদ্ধ থাকতেই হবে। এ সংঘবদ্ধতার ভিত্তি হবে আল্লাহর দ্বীন, রসূলের সুন্নাহ। অন্য কোন মানুষের আদর্শের ভিত্তিতে নয় ।
অর্থাৎ মুসলিম জনগোষ্ঠীর জীবন শুধু তাসবীহ-তাহলীল পড়ার জন্য নয়। শুধু কিছু আনুষ্ঠানিক ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য আল্লাহ মুসলিম জাতির সৃষ্টি করেননি। শুধু তাসবীহ তো গাছপালা, পশু-পাখীরাই করে যাচ্ছে। বরং এক মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে মহাবিজ্ঞানী আল্লাহ ঈমানদারদের সৃষ্টি করেছেন। এদের দায়িত্ব হলো সারা জাহানের মানুষকে হেদায়াতের পথ দেখানো। প্রত্যেক রসূল এ কাজ করেছেন, রসূলের সঙ্গীরা এ কাজে সারাজীবন অতিবাহিত করেছেন, পরবর্তী যুগের ঈমানদারগণও এ কাজ করেছেন। প্রত্যেক মুসলিম বান্দার উপর এ দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে এবং সে তার সামর্থ অনুযায়ী তা পালন করবে । দ্বীন বুঝেও চুপচাপ বসে থেকে শুধু যিকর করা আর সলাত আদায়ের মধ্যে স্বার্থপরতা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায় না। ঈমানের মত মহাসম্পদকে কাজে লাগিয়ে কলুষিত সমাজের কালিমা দূর করতে হবে, সমাজকে ঈমানের আলোকে আলোকিত করতে হবে। সূরা আলে ইমরান (৩)-এর ১০৪, ১১০ এবং ১১৪ নম্বর আয়াতগুলো দ্রষ্টব্য।
অর্থাৎ মুসলিম জনগোষ্ঠীর জীবন শুধু তাসবীহ-তাহলীল পড়ার জন্য নয়। শুধু কিছু আনুষ্ঠানিক ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য আল্লাহ মুসলিম জাতির সৃষ্টি করেননি। শুধু তাসবীহ তো গাছপালা, পশু-পাখীরাই করে যাচ্ছে। বরং এক মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে মহাবিজ্ঞানী আল্লাহ ঈমানদারদের সৃষ্টি করেছেন। এদের দায়িত্ব হলো সারা জাহানের মানুষকে হেদায়াতের পথ দেখানো। প্রত্যেক রসূল এ কাজ করেছেন, রসূলের সঙ্গীরা এ কাজে সারাজীবন অতিবাহিত করেছেন, পরবর্তী যুগের ঈমানদারগণও এ কাজ করেছেন। প্রত্যেক মুসলিম বান্দার উপর এ দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে এবং সে তার সামর্থ অনুযায়ী তা পালন করবে । দ্বীন বুঝেও চুপচাপ বসে থেকে শুধু যিকর করা আর সলাত আদায়ের মধ্যে স্বার্থপরতা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায় না। ঈমানের মত মহাসম্পদকে কাজে লাগিয়ে কলুষিত সমাজের কালিমা দূর করতে হবে, সমাজকে ঈমানের আলোকে আলোকিত করতে হবে। সূরা আলে ইমরান (৩)-এর ১০৪, ১১০ এবং ১১৪ নম্বর আয়াতগুলো দ্রষ্টব্য।