১
তাকওয়া
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
৭ম অধ্যায় : অধিকার আদায়ে তাকওয়া মানব জীবনে তাকওয়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য
মানব চরিত্রের অন্যতম সম্পদ তাকওয়া। ইহলৌকিক ও পারলৌকিক জীবনের মূল ভিত্তিও হচ্ছে এটি। মানুষের ব্যক্তিগত ও জাতীয় পর্যায়ে সুষ্ঠু ও সুন্দর জীবনযাপনের চালিকা শক্তি হচ্ছে তাকওয়া। মানব জীবনে তাকওয়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে পবিত্র কুরআন ও হাদীসে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথার্থভাবে ভয় কর।” (সূরা আলে ইমরান : ১০২)
আরো ইরশাদ হয়েছে : “আল্লাহর নিকট পৌছে না গোশত ও রক্ত (কুরবানীর পশুর)। বরং পৌছে তোমাদের তাকওয়া।” (সূরা হাজ্জ : ৩৭)
তাকওয়া আল্লাহর নৈকট্য ও ভালোবাসা লাভ করার উপায়
কুরআনে আল্লাহ বলেন : “নিশ্চয়ই আল্লাহ মুত্তাকীদের ভালবাসেন।” (সূরা তাওবা : ০৪)।
আরো ইরশাদ হয়েছে : “এবং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আর মনে রেখ, নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে আছেন।” (সূরা বাকারা : ১৯৪)।
মূলত তাকওয়া অবলম্বন জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায় । এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর হাদীসে আছে, দুটি চোখকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করতে পারবে। না, একটি চোখ যা আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, আর অপর চোখ যা আল্লাহর রাস্তায় পাহারারত অবস্থায় রাত্রি যাপন করে।
তাকওয়া শুধু জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয় না, বরং তা জান্নাতে প্রবেশ করতেও সাহায্য করে। যেমন আল্লাহ বলেন : “আর যে ব্যক্তি তার রবের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং নিজেকে কুপ্রবত্তি থেকে ফিরিয়ে রাখে নিশ্চয়ই জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।” (সূরা নাযি'আত : ৪০-৪১)
আল্লাহ তাআলা অন্যত্রে ইরশাদ করেন : “মুত্তাকীরা থাকবে নিরাপদ স্থানে।” (সূরা দুখান : ৫১)
মুত্তাকী আল্লাহর নিকট সম্মানিত। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন : “তোমাদের মাঝে সে ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে অধিক মুত্তাকী।” (সূরা হুজুরাত : ১৩)
বস্তুত তাকওয়া সমাজ জীবনে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে সমাজে একে অপরের মাঝে ইতিবাচক মূল্যবোধ গঠন করে অন্যদিকে তাকওয়ার অভাবে মানুষ চারিত্রিক পাপকর্মে লিপ্ত হয়ে সামাজিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে, যার নজীর বর্তমান বিশ্বের কোথাও-কোথাও বিরাজমান। সুতরাং মানব জীবনকে মানবতার কল্যাণে তথা সকল সৃষ্টির কল্যাণে নিবেদিত করনে তাকওয়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য একান্তই অপরিহার্য ।
আরো ইরশাদ হয়েছে : “আল্লাহর নিকট পৌছে না গোশত ও রক্ত (কুরবানীর পশুর)। বরং পৌছে তোমাদের তাকওয়া।” (সূরা হাজ্জ : ৩৭)
তাকওয়া আল্লাহর নৈকট্য ও ভালোবাসা লাভ করার উপায়
কুরআনে আল্লাহ বলেন : “নিশ্চয়ই আল্লাহ মুত্তাকীদের ভালবাসেন।” (সূরা তাওবা : ০৪)।
আরো ইরশাদ হয়েছে : “এবং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আর মনে রেখ, নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে আছেন।” (সূরা বাকারা : ১৯৪)।
মূলত তাকওয়া অবলম্বন জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায় । এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর হাদীসে আছে, দুটি চোখকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করতে পারবে। না, একটি চোখ যা আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, আর অপর চোখ যা আল্লাহর রাস্তায় পাহারারত অবস্থায় রাত্রি যাপন করে।
তাকওয়া শুধু জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয় না, বরং তা জান্নাতে প্রবেশ করতেও সাহায্য করে। যেমন আল্লাহ বলেন : “আর যে ব্যক্তি তার রবের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং নিজেকে কুপ্রবত্তি থেকে ফিরিয়ে রাখে নিশ্চয়ই জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।” (সূরা নাযি'আত : ৪০-৪১)
আল্লাহ তাআলা অন্যত্রে ইরশাদ করেন : “মুত্তাকীরা থাকবে নিরাপদ স্থানে।” (সূরা দুখান : ৫১)
মুত্তাকী আল্লাহর নিকট সম্মানিত। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন : “তোমাদের মাঝে সে ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে অধিক মুত্তাকী।” (সূরা হুজুরাত : ১৩)
বস্তুত তাকওয়া সমাজ জীবনে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে সমাজে একে অপরের মাঝে ইতিবাচক মূল্যবোধ গঠন করে অন্যদিকে তাকওয়ার অভাবে মানুষ চারিত্রিক পাপকর্মে লিপ্ত হয়ে সামাজিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে, যার নজীর বর্তমান বিশ্বের কোথাও-কোথাও বিরাজমান। সুতরাং মানব জীবনকে মানবতার কল্যাণে তথা সকল সৃষ্টির কল্যাণে নিবেদিত করনে তাকওয়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য একান্তই অপরিহার্য ।