১
তাকওয়া
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৩
তাকওয়ার ক্ষেত্রে সুন্নাত ও বিদ’আত
বিদ’আত কী?
যে সব ধরণের কাজ বা অনুষ্ঠান ইবাদত বা সওয়াবের কাজ বলে কুরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা স্বীকৃত নয়, রসূল ও নিজে যা কখনো করেননি বা কাউকে। কখনো করতে বলেননি, তাঁর সাহাবাদের সময়ও তা ইবাদত হিসেবে প্রচলিত ছিলোনা এমন সব কাজ বা অনুষ্ঠানাদি সওয়াবের উদ্দেশ্যে পালন করার নামই বিদ’আত । বিদ’আত বলতে বুঝায় দ্বীন পরিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও দ্বীনের মধ্যে পরিবর্তন আনার অযথা চেষ্টা করা। বিদ'আতের বিপক্ষে কুরআনের দলিল :
“আজকার দিনে তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে সম্পূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামতকে সম্যকভাবে সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্যে ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম (মনোনীত করলাম)।” (সূরা মায়িদা, ৫ : ৩)
এ আয়াত থেকে অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয় যে, দ্বীন-ইসলাম পরিপূর্ণ। তাতে নেই কোন কিছুর অভাব। অতএব তা মানুষের জন্য কিয়ামত পর্যন্ত সকল দ্বীনি প্রয়োজন পূরণে পূর্ণমাত্রায় সক্ষম। এই দ্বীনে বিশ্বাসীদের দিক নির্দেশনা বা গাইডেন্সের জন্য এই দ্বীন ছাড়া অন্য কোন দিকে তাকাবার প্রয়োজন অতীতেও হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না। এতে মানুষের সব মৌলিক প্রয়োজন পূরণের ব্যবস্থা যেমন রয়েছে তেমনি এতে নেই কোন অপ্রয়োজনীয় বা বাহুল্য জিনিস। ফলে দ্বীন থেকে যেমন কোন কিছু বাদ দেয়া যাবে না, তেমনি এর সাথে কোন কিছু যোগ করাও যাবে না। এ দুটোই দ্বীনের পরিপূর্ণতার বিপরীত এবং সূরা আল মায়িদার ৩ নম্বর আয়াতে দেয়া আল্লাহর ঘোষণার পরিপন্থী। ইসলামী ইবাদতের ক্ষেত্রে সওয়াবের কাজ বলে এমন সব অনুষ্ঠানের উদ্ভাবন করা যা নবী কারীম (ﷺ) ও সাহাবায়ে কিরামের জামানায় চালু হয়নি, তা যতই আকর্ষণীয় হোক না কেন তা স্পষ্ট বিদ’আত। মহান আল্লাহ বলেনঃ
(হে নবী!) তাদেরকে বলুন, আমি কী তোমাদেরকে জানাবো যে, আমলের দিক দিয়ে কারা সবচেয়ে বেশি ব্যর্থ? (তারা হলো ঐ সব লোক) দুনিয়ার জীবনে যাদের সকল চেষ্টা-সাধনা ভুল পথে চলেছে এবং যারা মনে করে, তারা সব কিছু ঠিকই করছে। (সূরা আল কাহফ, ১৮: ১০৩-১০৪)
আয়িশা রাদিআল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, রসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের ধর্মে কোন নতুন পদ্ধতি আনলো যা আমাদের দ্বীনে নেই তা গ্রহণ করা হবে না। (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)
দ্বীনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নতুন আবিস্কৃত বিষয় বিদ’আত, প্রত্যেক বিদআতই পথভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক পথভ্রষ্টতার পরিণাম হল জাহান্নাম। (সহীহ মুসলিম, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ)
যে ব্যক্তি এমন কাজ করল যে কাজ আমাদের দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত নয় তা গ্রহণ করা হবে না। (সহীহ মুসলিম)
তোমরা আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি কর না, যেভাবে নাসারাগণ ঈসা আলাইহিস সালাম সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করেছে। বরং তোমরা বল যে, আমি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রসূল। (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)
আকিদা
তাওহীদ
সুন্নাত
বিদ'আত
শিরক
যে সব ধরণের কাজ বা অনুষ্ঠান ইবাদত বা সওয়াবের কাজ বলে কুরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা স্বীকৃত নয়, রসূল ও নিজে যা কখনো করেননি বা কাউকে। কখনো করতে বলেননি, তাঁর সাহাবাদের সময়ও তা ইবাদত হিসেবে প্রচলিত ছিলোনা এমন সব কাজ বা অনুষ্ঠানাদি সওয়াবের উদ্দেশ্যে পালন করার নামই বিদ’আত । বিদ’আত বলতে বুঝায় দ্বীন পরিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও দ্বীনের মধ্যে পরিবর্তন আনার অযথা চেষ্টা করা। বিদ'আতের বিপক্ষে কুরআনের দলিল :
“আজকার দিনে তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে সম্পূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামতকে সম্যকভাবে সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্যে ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম (মনোনীত করলাম)।” (সূরা মায়িদা, ৫ : ৩)
এ আয়াত থেকে অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয় যে, দ্বীন-ইসলাম পরিপূর্ণ। তাতে নেই কোন কিছুর অভাব। অতএব তা মানুষের জন্য কিয়ামত পর্যন্ত সকল দ্বীনি প্রয়োজন পূরণে পূর্ণমাত্রায় সক্ষম। এই দ্বীনে বিশ্বাসীদের দিক নির্দেশনা বা গাইডেন্সের জন্য এই দ্বীন ছাড়া অন্য কোন দিকে তাকাবার প্রয়োজন অতীতেও হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না। এতে মানুষের সব মৌলিক প্রয়োজন পূরণের ব্যবস্থা যেমন রয়েছে তেমনি এতে নেই কোন অপ্রয়োজনীয় বা বাহুল্য জিনিস। ফলে দ্বীন থেকে যেমন কোন কিছু বাদ দেয়া যাবে না, তেমনি এর সাথে কোন কিছু যোগ করাও যাবে না। এ দুটোই দ্বীনের পরিপূর্ণতার বিপরীত এবং সূরা আল মায়িদার ৩ নম্বর আয়াতে দেয়া আল্লাহর ঘোষণার পরিপন্থী। ইসলামী ইবাদতের ক্ষেত্রে সওয়াবের কাজ বলে এমন সব অনুষ্ঠানের উদ্ভাবন করা যা নবী কারীম (ﷺ) ও সাহাবায়ে কিরামের জামানায় চালু হয়নি, তা যতই আকর্ষণীয় হোক না কেন তা স্পষ্ট বিদ’আত। মহান আল্লাহ বলেনঃ
(হে নবী!) তাদেরকে বলুন, আমি কী তোমাদেরকে জানাবো যে, আমলের দিক দিয়ে কারা সবচেয়ে বেশি ব্যর্থ? (তারা হলো ঐ সব লোক) দুনিয়ার জীবনে যাদের সকল চেষ্টা-সাধনা ভুল পথে চলেছে এবং যারা মনে করে, তারা সব কিছু ঠিকই করছে। (সূরা আল কাহফ, ১৮: ১০৩-১০৪)
আয়িশা রাদিআল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, রসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের ধর্মে কোন নতুন পদ্ধতি আনলো যা আমাদের দ্বীনে নেই তা গ্রহণ করা হবে না। (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)
দ্বীনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নতুন আবিস্কৃত বিষয় বিদ’আত, প্রত্যেক বিদআতই পথভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক পথভ্রষ্টতার পরিণাম হল জাহান্নাম। (সহীহ মুসলিম, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ)
যে ব্যক্তি এমন কাজ করল যে কাজ আমাদের দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত নয় তা গ্রহণ করা হবে না। (সহীহ মুসলিম)
তোমরা আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি কর না, যেভাবে নাসারাগণ ঈসা আলাইহিস সালাম সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করেছে। বরং তোমরা বল যে, আমি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রসূল। (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)
আকিদা
তাওহীদ
সুন্নাত
বিদ'আত
শিরক