১
তাকওয়া
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৪
৯ম অধ্যায় : তাকওয়া বৃদ্ধির উপায় তাকওয়া বৃদ্ধির সাইকেল
তাকওয়া বৃদ্ধির অনেক উপায় রয়েছে তবে তারমধ্যে মূল কাজ হচ্ছে নিমের এই চারটি । যে ব্যক্তি এই চারটি কাজ নিয়মিত করবে ইনশাআল্লাহ, তার তাকওয়ার মান দিন-দিন বৃদ্ধি পেতে থাকবে। আবার যে এই কাজগুলো শুধু মহান আল্লাহ তাআলাকে খুশি করার জন্য নিয়মিত করে যাবে, তার জীবনে থাকবে না কোন অশান্তি, থাকবে না কোন দুঃখ । এই চারটি কাজই প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরয ইবাদত।
১) প্রত্যেক মুসলিমের জন্য সংঘবদ্ধ জীবনযাপন অর্থাৎ জামাতবদ্ধ জীবনযাপন করা ফরয । (সূরা আলে-ইমরানঃ ১০৩)।
২) দ্বীন ইসলামের জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নরনারীর জন্য ফরয । (ইবনে মাজাহ, বাইহাকী)
৩) সার্বক্ষণিক দ্বীন ইসলামের দাওয়াতী কাজ করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরয । (সূরা বাকারা : ১৪০, সূরা আলে-ইমরান : ১০৪)
৪) দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর পথে নিজের হালাল উপার্জন থেকে নিয়মিত অর্থ ব্যয় করা। (সূরা তাওবা : ৩৮, সূরা নিসা : ৭৪)
সংঘবদ্ধ জীবনযাপন করা (Collective life with Islamic Organization)
নিয়মিত অধ্যয়ন করা (নির্ভুল জ্ঞান অর্জন করা)
নিয়মিত ইসলামের দাওয়াতী কাজ। (মুসলিম-অমুসলিদের মাঝে)
নিয়মিত আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করা।
এছাড়া কারোর জীবনে যদি কোন-রকম হতাশা থাকে তাহলেও এই চারটি কাজ। হচ্ছে হতাশা দূর করার মহৌষধ। এই চারটি কাজ আজ থেকে নিয়মিত শুরু করি ইনশাআল্লাহ দেখবো জীবন থেকে হতাশা নামক রোগটি দূর হয়ে গেছে।
১) প্রত্যেক মুসলিমের জন্য সংঘবদ্ধ জীবনযাপন অর্থাৎ জামাতবদ্ধ জীবনযাপন করা ফরয । (সূরা আলে-ইমরানঃ ১০৩)।
২) দ্বীন ইসলামের জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নরনারীর জন্য ফরয । (ইবনে মাজাহ, বাইহাকী)
৩) সার্বক্ষণিক দ্বীন ইসলামের দাওয়াতী কাজ করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরয । (সূরা বাকারা : ১৪০, সূরা আলে-ইমরান : ১০৪)
৪) দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর পথে নিজের হালাল উপার্জন থেকে নিয়মিত অর্থ ব্যয় করা। (সূরা তাওবা : ৩৮, সূরা নিসা : ৭৪)
সংঘবদ্ধ জীবনযাপন করা (Collective life with Islamic Organization)
নিয়মিত অধ্যয়ন করা (নির্ভুল জ্ঞান অর্জন করা)
নিয়মিত ইসলামের দাওয়াতী কাজ। (মুসলিম-অমুসলিদের মাঝে)
নিয়মিত আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করা।
এছাড়া কারোর জীবনে যদি কোন-রকম হতাশা থাকে তাহলেও এই চারটি কাজ। হচ্ছে হতাশা দূর করার মহৌষধ। এই চারটি কাজ আজ থেকে নিয়মিত শুরু করি ইনশাআল্লাহ দেখবো জীবন থেকে হতাশা নামক রোগটি দূর হয়ে গেছে।