hadith book logo

তাকওয়া

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৬১

ইতিকাফের মাধ্যমে তাকওয়া বৃদ্ধি

বিশেষ নিয়তে বিশেষ অবস্থায় আল্লাহ তা'আলার আনুগত্যের উদ্দেশ্যে মসজিদে অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলে। ইতিকাফ একটি মহান ইবাদত। মদীনায় অবস্থানকালীন সময়ে রসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রতি বছরই ইতিকাফ পালন করেছেন। দাওয়াত, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা এবং জিহাদে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও রমাদানে তিনি ইতিকাফ ছাড়েননি। ইতিকাফ ঈমানী প্রশিক্ষণের একটি স্কুল, এবং রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর হিদায়াতে আলোর একটি প্রতীক। ইতিকাফরত অবস্থায় বান্দা নিজেকে আল্লাহর ইবাদতের জন্য দুনিয়ার অন্যান্য সকল বিষয় থেকে আলাদা করে নেয় একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। ইতিকাফ ঈমান বৃদ্ধির মাধ্যমে তাকওয়া অবলম্বনের একটি সুযোগ। আমরা এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের ঈমানী চেতনাকে শাণিত করে তাকওয়ার উন্নততর পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারি । রসূলুল্লাহ (ﷺ) রমাদানের শেষের দশ দিনে ইতিকাফ করেছেন, ইন্তেকাল পর্যন্ত । এরপর তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

আল্লাহ তা'আলাও তাঁর বান্দাদেরকে নিরাশ করেন না, বরং তিনি বান্দাদেরকে নিরাশ হতে নিষেধ করে দিয়ে বলেছেন : (হে নবী!) বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ। তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেবেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আয যুমার, ৩৯ : ৫৩)

“আর আমার বান্দারা যখন তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে আমার ব্যাপারে- বস্তুত আমি রয়েছি সন্নিকটে। প্রার্থনাকারীর প্রার্থনা কবুল করি যখন সে প্রার্থনা করে। কাজেই তারা যেন আমার হুকুম মান্য করে এবং আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে। সম্ভবত তারা সঠিক পথ প্রাপ্ত হবে।” (সূরা আল-বাকারা, ২: ১৮৬)