১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
সালাতের ফজিলত ও উহা পরিত্যাগকারী পরিণাম
১। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
(আরবি)
এবং যারা তাদের সালাতসমূহকে হেফাজত করে তারাতো জান্নাতে সম্মানের আসন পাবে। (সূরা আল-মায়াজিয ৩৪-৩৫)
২। আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ
(আরবি)
এবং সালাত কায়েম কর, নিশ্চয়ই সালাত সমস্ত ধরণের মন্দ ও গর্হিত কাজ হতে মানুষকে বিরত রাখে। (সূরা আল- আনকাবুত ৪৫) ِ
৩। আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ
(আরবি)
ঐ সমস্ত সালাত আদায়কারীর জন্য ধ্বংস যারা তাদের সালাতে অমনোযোগী। (সূরা আল-মা‘উন ৪-৫)
অর্থাৎ উহা হতে গাফেল এবং নির্দিষ্ট সময়ে উহা আদায় করে না, অথবা অযথা দেরী করে আদায় করে)
৪। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
(আরবি)
নিশ্চয়ই ঐ মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে যারা তাদের সালাতের মধ্যে খুশু (আল্লাহর ভয়) অবলম্বন করে। (সূরা আল মুমিনুন ১-২)
৫। আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ
(আরবি)
তারপর তাদের পরে পরবর্তীগণ আসলো যারা সালাতসমূহকে নষ্ট করল এবং নিজেদের খেয়াল খুশীমত (কুপ্রবৃত্তি অনুযায়ী ) চলতে শুরু করল, শীঘ্রই তারা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা মারইয়াম, ৫৯)
৬। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
أرئيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل فيه كل يوم خمس مرات هل يبقى من درنه شيء قالوا لا يبقى من درنه شيء قال فكذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا ) متفق عليه (
তোমরা বলোতো যদি কারো বাড়ীর দরজার নিকট কোন নহর (নদী) প্রবাহিত হতে থাকে, আর তাতে সে প্রত্যহ পাঁচবার গোসল করে তবে কি তার শরীরে কোন ময়লা থাকবে? সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) বললেনঃ না, কখনো কোন কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। উত্তরে তিনি বললেনঃ এই রকমই পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরণ যার দ্বারা আল্লাহ তাআলা বান্দার গুনাহসমূহকে দূরীভুত করেন। (বর্ণনায় বুখারিও মুসলিম)
৭। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেনঃ
العهد الذى بيننا وبينهم الصلاة فمن تركها فقد كفر ) صحيح رواه احمد وغيره (
তাদের (কাফেরদের) সাথে আমাদের পার্থক্য হল সালাত। যে তাকে পরিত্যাগ করল সে যেন কাফির হয়ে গেল। (বর্ণনায় সহিহ আহমদ)
৮। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেনঃ
بين الرجل وبين الشرك والكفر ترك الصلاة ) رواه مسلم (
কোন ব্যক্তি এবং শিরক ও কুফরির মধ্যে পার্থক্য হল সালাকে পরিত্যাগ করা। (বর্ণনায় মুসলিম)
(আরবি)
এবং যারা তাদের সালাতসমূহকে হেফাজত করে তারাতো জান্নাতে সম্মানের আসন পাবে। (সূরা আল-মায়াজিয ৩৪-৩৫)
২। আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ
(আরবি)
এবং সালাত কায়েম কর, নিশ্চয়ই সালাত সমস্ত ধরণের মন্দ ও গর্হিত কাজ হতে মানুষকে বিরত রাখে। (সূরা আল- আনকাবুত ৪৫) ِ
৩। আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ
(আরবি)
ঐ সমস্ত সালাত আদায়কারীর জন্য ধ্বংস যারা তাদের সালাতে অমনোযোগী। (সূরা আল-মা‘উন ৪-৫)
অর্থাৎ উহা হতে গাফেল এবং নির্দিষ্ট সময়ে উহা আদায় করে না, অথবা অযথা দেরী করে আদায় করে)
৪। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
(আরবি)
নিশ্চয়ই ঐ মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে যারা তাদের সালাতের মধ্যে খুশু (আল্লাহর ভয়) অবলম্বন করে। (সূরা আল মুমিনুন ১-২)
৫। আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ
(আরবি)
তারপর তাদের পরে পরবর্তীগণ আসলো যারা সালাতসমূহকে নষ্ট করল এবং নিজেদের খেয়াল খুশীমত (কুপ্রবৃত্তি অনুযায়ী ) চলতে শুরু করল, শীঘ্রই তারা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা মারইয়াম, ৫৯)
৬। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
أرئيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل فيه كل يوم خمس مرات هل يبقى من درنه شيء قالوا لا يبقى من درنه شيء قال فكذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا ) متفق عليه (
তোমরা বলোতো যদি কারো বাড়ীর দরজার নিকট কোন নহর (নদী) প্রবাহিত হতে থাকে, আর তাতে সে প্রত্যহ পাঁচবার গোসল করে তবে কি তার শরীরে কোন ময়লা থাকবে? সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) বললেনঃ না, কখনো কোন কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। উত্তরে তিনি বললেনঃ এই রকমই পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরণ যার দ্বারা আল্লাহ তাআলা বান্দার গুনাহসমূহকে দূরীভুত করেন। (বর্ণনায় বুখারিও মুসলিম)
৭। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেনঃ
العهد الذى بيننا وبينهم الصلاة فمن تركها فقد كفر ) صحيح رواه احمد وغيره (
তাদের (কাফেরদের) সাথে আমাদের পার্থক্য হল সালাত। যে তাকে পরিত্যাগ করল সে যেন কাফির হয়ে গেল। (বর্ণনায় সহিহ আহমদ)
৮। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেনঃ
بين الرجل وبين الشرك والكفر ترك الصلاة ) رواه مسلم (
কোন ব্যক্তি এবং শিরক ও কুফরির মধ্যে পার্থক্য হল সালাকে পরিত্যাগ করা। (বর্ণনায় মুসলিম)