১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
সালাত আদায়কারীর সম্মুখ দিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ভয় প্রদর্শন
১। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
لو يعلم المار بين يدي المصلي ماذا عليه ، لكان أن يقف أربعين خيرا له من أن يمر بين يديه
যদি কেউ জানত যে, সালাত অবস্থায় কোন ব্যক্তির সম্মুখ দিয়ে যাওয়াটা কত বড় অন্যায়, তাহলে তার জন্য উত্তম হত ৪০ (দিন বা বছর) অপেক্ষা করা। (বর্ণনায় বুখারী)
ইবনে খুযাইমার রেওয়ায়েতে আছে ৪০ বছর।
এই হাদীস সালাত আদায়কারীর সিজদার জায়গার ভিতর দিয়ে যাওয়ার কথা বুঝাচ্ছে। তাতে আছে পাপ ও ভয় প্রদর্শন। সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারী যদি জানত এতে কি ধরণের পাপ হয় তাহলে ৪০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করত। কিন্তু যদি সে সিজদার জায়গার বাইরে দিয়ে অতিক্রম করে, তবে তাতে কিছু হবে না এটাই হাদীসের ভাষ্য।
আর মুসুল্লির জন্য জরুরী হচ্ছে, সে তার সম্মুখে সুতরার ব্যাবস্থা করবে, যাতে করে তার সম্মুখ দিয়ে যাবার সময় অতিক্রমকারী সাবধান হয়ে যায়।
রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যখন কেউ সালাতে দাড়ায় তখন যেন মানুষ হতে সুতরা করে নেয়। তারপর ও যদি কেউ সুতরার ভিতর দিয়ে যেতে চায় তবে সে যেন তাকে গলা ধাক্কা দেয়। যদি বাধা না মানে তবে যেন তার সাথে যুদ্ধ করে। কারণ সে ব্যক্তি শয়তান। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
এটা সহীহ হাদীস যা বুখারীতে আছে। আর এই হাদীস মসজিদূল হারাম ও মসজিদে রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উভয়কেই শামিল করে। কারণ, যখন তিনি এই হাদীস বলেন তা হয় মক্কায়, না হয় মদীনায় বলেছিলেন। এর দলিল হচ্ছেঃ ফতহুল বারীতে আছেঃ ইবনে ওমর (রাঃ) কা‘বা শরীফে বসে আত্তাহিয়াতু পড়ার সময় তার সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারী ব্যক্তিকে বাধা দেন। তারপর বলেনঃ যদি সে বাধা না মানত তবে অবশ্যই তার সাথে যুদ্ধ করতাম। হফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রঃ) বলেনঃ এখানে কা‘বা শরীফের ঘটনা এজন্য উল্লেখ করা হল যাতে করে লোকেরা এই ধারণা না করে যে, প্রচন্ড ভীড়ের কারণে ঐস্থানে মুসল্লীর সামনে দিয়ে গমন করা ক্ষমা যোগ্য।
২। কিন্তু যে হাদীসে আছে যে, কা‘বা শরীফে সুতরা ছাড়া সালাত আদায় করলে এবং তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে কোন গুনাহ হবে না, তা সঠিক নয়।
৩। বুখারীতে আছে, জুহাইফা (রাঃ) বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরত করতে বের হন এবং মক্কার বাতহা নামক স্থানে যোহর ও আসর আদায় করেন ২ রাক‘আত করে। তখন তাঁর সামনে ছোট লাঠি ছিল সুতরা হিসাবে।
মূল কথাঃ যে স্থানে মুসল্লি সিজদা করে সেই স্থান দিয়ে যাতায়াত করা হারাম। তাতে পাপ হয় এবং শক্ত আযাবের ভয়ও আছে যদি মুসল্লির সামনে সুতরা থাকে। তবে কেউ যদি প্রচন্ড ভীড়ের কারণে অপারগ হয় তবে তার জন্য অতিক্রম করা জায়েয আছে।
لو يعلم المار بين يدي المصلي ماذا عليه ، لكان أن يقف أربعين خيرا له من أن يمر بين يديه
যদি কেউ জানত যে, সালাত অবস্থায় কোন ব্যক্তির সম্মুখ দিয়ে যাওয়াটা কত বড় অন্যায়, তাহলে তার জন্য উত্তম হত ৪০ (দিন বা বছর) অপেক্ষা করা। (বর্ণনায় বুখারী)
ইবনে খুযাইমার রেওয়ায়েতে আছে ৪০ বছর।
এই হাদীস সালাত আদায়কারীর সিজদার জায়গার ভিতর দিয়ে যাওয়ার কথা বুঝাচ্ছে। তাতে আছে পাপ ও ভয় প্রদর্শন। সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারী যদি জানত এতে কি ধরণের পাপ হয় তাহলে ৪০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করত। কিন্তু যদি সে সিজদার জায়গার বাইরে দিয়ে অতিক্রম করে, তবে তাতে কিছু হবে না এটাই হাদীসের ভাষ্য।
আর মুসুল্লির জন্য জরুরী হচ্ছে, সে তার সম্মুখে সুতরার ব্যাবস্থা করবে, যাতে করে তার সম্মুখ দিয়ে যাবার সময় অতিক্রমকারী সাবধান হয়ে যায়।
রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যখন কেউ সালাতে দাড়ায় তখন যেন মানুষ হতে সুতরা করে নেয়। তারপর ও যদি কেউ সুতরার ভিতর দিয়ে যেতে চায় তবে সে যেন তাকে গলা ধাক্কা দেয়। যদি বাধা না মানে তবে যেন তার সাথে যুদ্ধ করে। কারণ সে ব্যক্তি শয়তান। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
এটা সহীহ হাদীস যা বুখারীতে আছে। আর এই হাদীস মসজিদূল হারাম ও মসজিদে রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উভয়কেই শামিল করে। কারণ, যখন তিনি এই হাদীস বলেন তা হয় মক্কায়, না হয় মদীনায় বলেছিলেন। এর দলিল হচ্ছেঃ ফতহুল বারীতে আছেঃ ইবনে ওমর (রাঃ) কা‘বা শরীফে বসে আত্তাহিয়াতু পড়ার সময় তার সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারী ব্যক্তিকে বাধা দেন। তারপর বলেনঃ যদি সে বাধা না মানত তবে অবশ্যই তার সাথে যুদ্ধ করতাম। হফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রঃ) বলেনঃ এখানে কা‘বা শরীফের ঘটনা এজন্য উল্লেখ করা হল যাতে করে লোকেরা এই ধারণা না করে যে, প্রচন্ড ভীড়ের কারণে ঐস্থানে মুসল্লীর সামনে দিয়ে গমন করা ক্ষমা যোগ্য।
২। কিন্তু যে হাদীসে আছে যে, কা‘বা শরীফে সুতরা ছাড়া সালাত আদায় করলে এবং তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে কোন গুনাহ হবে না, তা সঠিক নয়।
৩। বুখারীতে আছে, জুহাইফা (রাঃ) বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরত করতে বের হন এবং মক্কার বাতহা নামক স্থানে যোহর ও আসর আদায় করেন ২ রাক‘আত করে। তখন তাঁর সামনে ছোট লাঠি ছিল সুতরা হিসাবে।
মূল কথাঃ যে স্থানে মুসল্লি সিজদা করে সেই স্থান দিয়ে যাতায়াত করা হারাম। তাতে পাপ হয় এবং শক্ত আযাবের ভয়ও আছে যদি মুসল্লির সামনে সুতরা থাকে। তবে কেউ যদি প্রচন্ড ভীড়ের কারণে অপারগ হয় তবে তার জন্য অতিক্রম করা জায়েয আছে।