১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩১
এস্তেখারার সালাত
জাবের রা. বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদিগকে সর্বদা সর্ব কাজে এমনি ভাবে এস্তেখারা শিখাতেন যেমনি ভাবে শিখাতেন কোরআনের সূরা। তিনি বলতেন যখন তোমাদের কেউ কোন কাজ করতে উদ্যত হও তখন দু রাকা‘আত নফল নামায আদায় কর। অতঃপর বলঃ
اللهم إني أستخيرك بعلمك ، وأستقدرك بقدرتك ، وأسألك من فضلك العظيم ، فإنك تقدر ولا أقدر ، وتعلم ولا أعلم ، وأنت علام الغيوب ، اللهم إن كنت تعلم أن هذا الأمر خير لي في ديني ومعاشي وعاقبة أمري - أو قال : في عاجل أمري وآجله - فاقدره لي ، وإن كنت تعلم أن هذا الأمر شر لي في ديني ومعاشي وعاقبة أمري - أو قال : في عاجل أمري وآجله - فاصرفه عني واصرفني عنه ، واقدر لي الخير حيث كان ، ثم رضني به
আল্লাহুম্মা ইন্নি আস্তাখিরুকা বি‘ইলমিকা, ওয়া আসতাকদিরুকা বিকুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাজলিকাল আযীম। ফাইন্নাকা তাকদিরু ওয়ালা আকদিরু। ওয়া তা‘লামু ওয়ালা আ‘লামু ওয়া আন্তা আল্লামুল-গুয়ুউব। আল্লাহুম্মা ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হাযাল আমরু খাইরুন লী ফীদীনী ওয়া মাআশী ওয়া ‘আকিবাতি আমরি (আও কালা ফী আ‘জিলি আমরি ওয়া আজিলি) ফাকদিরহু লী, ওয়া ইয়াসসিরহু লী, ছুম্মা বারিকলী ফীহি, ওয়া ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হাযাল আমরা শাররুন লী ফী দীনী ওয়া মাআ‘শী ওয়া ‘আকিবাতি আমরি। ফাসরিফহু আননি ওয়াসরিফনী আনহু। ওয়াকদুরলি আলখাইরা হাইসু কানা, সুম্মা রাদ্দিনী বিহি। (বর্ণনায় বুখারি)
হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার নিকট কল্যাণ চাচ্ছি আপনার ইলমের অসিলায়, আর আপনার কুদরতী সাহায্য চাচ্ছি আপনার কুদরতের অসিলায় আর আপনার নিকট চাচ্ছি আপনার মহান ফজলের অসিলায়। নিশ্চয়ই আপনি কর্মক্ষম আর আমি অক্ষম। আপনি জ্ঞাত আছেন, আমি জ্ঞাত নই। নিশ্চয় গায়েবের সমস্ত কিছু আপনি জ্ঞাত আছেন। হে আল্লাহ! যদি আপনি মনে করেন, এই কাজ (এখানে নিজের কাজটা উল্লেখ করতে হবে) আমার জন্য উত্তম দ্বীনের দিক দিয়ে, দুনিয়ার দিক দিয়ে ও পরবর্তী জীবনের জন্য তবে উহাকে আমার জন্য সহজ করে দিন। তারপর উক্ত কাজে আমাকে বরকত দান করুন। আর যদি মনে করেন এই কাজ (কাজ উল্লেখ করতে হবে) আমার জন্য ক্ষতিকর আমার দ্বীন, দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য তবে উহাকে আমা হতে দূরে সরিয়ে রাখবেন এবং আমাকেও উহা হতে দূরে রাখুন। আর যে কাজে আমার মঙ্গল আছে আমাকে দিয়ে তা সম্পন্ন করুন। তারপর আমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান।
সহি হদিস মতে এই সালাত আদায়ে উত্তম হলো প্রথম রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সাথে সূরা কাফিরুণ এবং দ্বিতীয় রক‘আতে সূরা ফতিহার সাথে সূরা ইখলাস মিলিয়ে পড়া। এই সালাত ও দু‘আ প্রত্যেকে তার নিজের জন্য করবে যমন ঔষুধ নিজেই পান করে, এই নিয়তে যে নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ঐ কাজে তাকে সঠিক রাস্তা দেখাবেন। আর কবুলের নিদর্শন হচ্ছে তার জন্য আসবাব (উপকরণ) সমূহ সহজ করে দেবেন। আর ঐ বেদআতী এস্তেখারা হতে নিজকে হেফাজত করুন যাতে আছে স্বপ্নের উপর নির্ভর করা এবং স্বামী স্ত্রীর নামে হিসাব করা বা অন্যান্য জিনিস যার সম্বন্ধে দ্বীনের কোন নির্দেশ নাই।
اللهم إني أستخيرك بعلمك ، وأستقدرك بقدرتك ، وأسألك من فضلك العظيم ، فإنك تقدر ولا أقدر ، وتعلم ولا أعلم ، وأنت علام الغيوب ، اللهم إن كنت تعلم أن هذا الأمر خير لي في ديني ومعاشي وعاقبة أمري - أو قال : في عاجل أمري وآجله - فاقدره لي ، وإن كنت تعلم أن هذا الأمر شر لي في ديني ومعاشي وعاقبة أمري - أو قال : في عاجل أمري وآجله - فاصرفه عني واصرفني عنه ، واقدر لي الخير حيث كان ، ثم رضني به
আল্লাহুম্মা ইন্নি আস্তাখিরুকা বি‘ইলমিকা, ওয়া আসতাকদিরুকা বিকুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাজলিকাল আযীম। ফাইন্নাকা তাকদিরু ওয়ালা আকদিরু। ওয়া তা‘লামু ওয়ালা আ‘লামু ওয়া আন্তা আল্লামুল-গুয়ুউব। আল্লাহুম্মা ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হাযাল আমরু খাইরুন লী ফীদীনী ওয়া মাআশী ওয়া ‘আকিবাতি আমরি (আও কালা ফী আ‘জিলি আমরি ওয়া আজিলি) ফাকদিরহু লী, ওয়া ইয়াসসিরহু লী, ছুম্মা বারিকলী ফীহি, ওয়া ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হাযাল আমরা শাররুন লী ফী দীনী ওয়া মাআ‘শী ওয়া ‘আকিবাতি আমরি। ফাসরিফহু আননি ওয়াসরিফনী আনহু। ওয়াকদুরলি আলখাইরা হাইসু কানা, সুম্মা রাদ্দিনী বিহি। (বর্ণনায় বুখারি)
হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার নিকট কল্যাণ চাচ্ছি আপনার ইলমের অসিলায়, আর আপনার কুদরতী সাহায্য চাচ্ছি আপনার কুদরতের অসিলায় আর আপনার নিকট চাচ্ছি আপনার মহান ফজলের অসিলায়। নিশ্চয়ই আপনি কর্মক্ষম আর আমি অক্ষম। আপনি জ্ঞাত আছেন, আমি জ্ঞাত নই। নিশ্চয় গায়েবের সমস্ত কিছু আপনি জ্ঞাত আছেন। হে আল্লাহ! যদি আপনি মনে করেন, এই কাজ (এখানে নিজের কাজটা উল্লেখ করতে হবে) আমার জন্য উত্তম দ্বীনের দিক দিয়ে, দুনিয়ার দিক দিয়ে ও পরবর্তী জীবনের জন্য তবে উহাকে আমার জন্য সহজ করে দিন। তারপর উক্ত কাজে আমাকে বরকত দান করুন। আর যদি মনে করেন এই কাজ (কাজ উল্লেখ করতে হবে) আমার জন্য ক্ষতিকর আমার দ্বীন, দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য তবে উহাকে আমা হতে দূরে সরিয়ে রাখবেন এবং আমাকেও উহা হতে দূরে রাখুন। আর যে কাজে আমার মঙ্গল আছে আমাকে দিয়ে তা সম্পন্ন করুন। তারপর আমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান।
সহি হদিস মতে এই সালাত আদায়ে উত্তম হলো প্রথম রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সাথে সূরা কাফিরুণ এবং দ্বিতীয় রক‘আতে সূরা ফতিহার সাথে সূরা ইখলাস মিলিয়ে পড়া। এই সালাত ও দু‘আ প্রত্যেকে তার নিজের জন্য করবে যমন ঔষুধ নিজেই পান করে, এই নিয়তে যে নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ঐ কাজে তাকে সঠিক রাস্তা দেখাবেন। আর কবুলের নিদর্শন হচ্ছে তার জন্য আসবাব (উপকরণ) সমূহ সহজ করে দেবেন। আর ঐ বেদআতী এস্তেখারা হতে নিজকে হেফাজত করুন যাতে আছে স্বপ্নের উপর নির্ভর করা এবং স্বামী স্ত্রীর নামে হিসাব করা বা অন্যান্য জিনিস যার সম্বন্ধে দ্বীনের কোন নির্দেশ নাই।