১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯১
শরীয়তী ইলম শিক্ষা করা এবং বর্তমান বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ইলম শিক্ষার হুকুম
প্রশ্নঃ শরিয়তের ইলম এবং নব আবিষ্কার উপকারী ইলম শিক্ষার হুকুম কি ?
উত্তরঃ শরিয়তের ইলম দু ভাগে বিভক্ত।
প্রথমতঃ এমন ইলম শিক্ষা করা যা ব্যতীত আক্বীদা ও ইবাদত সহীহ হবে না। উহা শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরযে আইন।
দ্বিতীয়তঃ ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন সুক্ষ্ম জিনিস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা।
যেমন ফারায়েযের ইলম, সূক্ষ্ম হুকুম আহকাম, উসূলে ফিকহ, হাদীসের উসূল ইত্যাদি। ইহা ফরযে কেফায়াহ। যদি কিছু সংখ্যক আলেম এটা শিক্ষা করেন, তবে অন্যদের উপর আর ইহা ফরয থাকে না।
আর কোন শিল্প সংক্রান্ত শিক্ষা, জরুরী আবিষ্কার ইত্যাদির ইলম শিক্ষা করা ফরজে কেফায়াহ। যদি কোন নির্দিষ্ট মুসলিমের জন্য ইহা শিক্ষা করা অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে, তবে তার উপর ইহা শিক্ষা করা ওয়াজিব।
শাসকগণ ইচ্ছা করলে এই ধরনের লোকদের উক্ত শিক্ষা গ্রহণে বাধ্য করতে পারেন। যারা কোন আবিষ্কার, উদ্ভাবন জানা সত্বেও উহা বাস্তবায়ন করতে রাজী নয়, মুসলিম শাসকগণ তাদের জন্য অন্য কার্য নিষিদ্ধ করে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করতে পারেন।
আর বাইতুল মাল হতে টাকা খরচ করে হলেও তাদের উৎসহিত করা প্রয়োজন। আর প্রতিটি মুসলিম কর্মীর জন্য নব নব আবিষ্কারের চেষ্টা করা খুবই প্রয়োজন। প্রতিটি পদার্থকে পরীক্ষা নিরিক্ষা করা দরকার। আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপদেশকে সামনে রেখে দ্বীনকে সম্মানীয় মর্যদায় উন্নীত করতে ও মুসলিমদের শান বাড়াতে আর আল্লাহ তাআলার কালেমাকে দুনিয়াতে উঁচু করতে এবং শত্রুদের নির্মূল করতে তৎপর হওয়া উচিত।
উত্তরঃ শরিয়তের ইলম দু ভাগে বিভক্ত।
প্রথমতঃ এমন ইলম শিক্ষা করা যা ব্যতীত আক্বীদা ও ইবাদত সহীহ হবে না। উহা শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরযে আইন।
দ্বিতীয়তঃ ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন সুক্ষ্ম জিনিস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা।
যেমন ফারায়েযের ইলম, সূক্ষ্ম হুকুম আহকাম, উসূলে ফিকহ, হাদীসের উসূল ইত্যাদি। ইহা ফরযে কেফায়াহ। যদি কিছু সংখ্যক আলেম এটা শিক্ষা করেন, তবে অন্যদের উপর আর ইহা ফরয থাকে না।
আর কোন শিল্প সংক্রান্ত শিক্ষা, জরুরী আবিষ্কার ইত্যাদির ইলম শিক্ষা করা ফরজে কেফায়াহ। যদি কোন নির্দিষ্ট মুসলিমের জন্য ইহা শিক্ষা করা অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে, তবে তার উপর ইহা শিক্ষা করা ওয়াজিব।
শাসকগণ ইচ্ছা করলে এই ধরনের লোকদের উক্ত শিক্ষা গ্রহণে বাধ্য করতে পারেন। যারা কোন আবিষ্কার, উদ্ভাবন জানা সত্বেও উহা বাস্তবায়ন করতে রাজী নয়, মুসলিম শাসকগণ তাদের জন্য অন্য কার্য নিষিদ্ধ করে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করতে পারেন।
আর বাইতুল মাল হতে টাকা খরচ করে হলেও তাদের উৎসহিত করা প্রয়োজন। আর প্রতিটি মুসলিম কর্মীর জন্য নব নব আবিষ্কারের চেষ্টা করা খুবই প্রয়োজন। প্রতিটি পদার্থকে পরীক্ষা নিরিক্ষা করা দরকার। আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপদেশকে সামনে রেখে দ্বীনকে সম্মানীয় মর্যদায় উন্নীত করতে ও মুসলিমদের শান বাড়াতে আর আল্লাহ তাআলার কালেমাকে দুনিয়াতে উঁচু করতে এবং শত্রুদের নির্মূল করতে তৎপর হওয়া উচিত।