১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
যাকাত ও ইসলামে তার গুরুত্ব
কিছু সংখ্যক লোকের উপর শর্ত সাপেক্ষে ও নিদিষ্ট সময়ে যাকাত ওয়াজিব। যাকাত হচ্ছে ইসলামের রোকনসমূহের একটা রোকন এবং তার ভিত্তি স্বরূপ আল্লহ তাআলা কোরআনের বহু আয়াতে সালাতের সাথে সাথে যাকাতের কথা উল্লেখ করেছেন। উহা যে ফরয তার উপর মুসলমানদের ইজমা তথা ঐক্যমত কায়েম হয়েছে। যে ব্যক্তি জেনে বুঝে তাকে অস্বীকার করবে, সে কাফের। ইসলাম হতে বের হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি উহা আদায়ের ক্ষেত্রে কৃপণতা করবে, বা কম করবে সে ঐসমস্ত জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে যাদের সম্বন্ধে কঠিন আযাব ও শাস্তির কথা বলা হয়েছে।
উপরোক্ত কথার দলীলসমূহঃ
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
(আরবি)
সালাত কায়েম কর এবং যাকাত আদায় কর। (সূরা আল-বাক্বারা ১১০)
আল্লাহ তাআলা আরো বলেন :
(আরবি)
তাদেরকে তো এ হুকুম করা হয়েছে যে তারা সঠিক ভাবে ইখলাসের সাথে আল্লাহ তাআলার ইবাদত করতে এবং সালাত কায়েম করতে ও যাকাত আদায় করতে। আর এটাই প্রতিষ্ঠিত দ্বীন। (সূরা আল-বাইয়েন্নাহ)
মায়ায বিন জাবাল রাঃ কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইয়ামানে পাঠান তখন তাকে যে উপদেশ দেন তার মধ্যে আছেঃ যদি তারা তোমার ঐ কথা মেনে নেয় তবে তাদের জানাবে, আল্লাহ তাদের উপর কিছু সাদাক্বাহ ফরয করেছেন। তা ধনীদের কাছ থেকে গ্রহণ করা হবে এবং গরীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। (বর্ণনায় বুখারী)
যারা যাকাত আদায় করবে না, তারা যে কুফরি করল এ সম্বন্ধে আল্লাহপাক বলেনঃ
(আরবি)
যদি তারা তওবা করে এবং সালাত কায়েম করে এবং যাকাত আদায় করে তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই। (সূরা আত-তাওবাহ ১১)
এই আয়াত হতে এ কথা পরিষ্কার হচ্ছে যে, যারা সালাত আদায় করবে না এবং যাকাত প্রদান করবে না তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই নয়। বরং তারা কাফির। এজন্য আবু বকর (রাঃ) ঐ সমস্ত লোকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন যারা সালাত ও যাকাতকে আলাদা করেছিল এবং সালাত কায়েম রেখেছিল কিন্তু যাকাত দিতে অস্বীকার করেছিল। আর সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম তাঁর ঐ জিহাদকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।
উপরোক্ত কথার দলীলসমূহঃ
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
(আরবি)
সালাত কায়েম কর এবং যাকাত আদায় কর। (সূরা আল-বাক্বারা ১১০)
আল্লাহ তাআলা আরো বলেন :
(আরবি)
তাদেরকে তো এ হুকুম করা হয়েছে যে তারা সঠিক ভাবে ইখলাসের সাথে আল্লাহ তাআলার ইবাদত করতে এবং সালাত কায়েম করতে ও যাকাত আদায় করতে। আর এটাই প্রতিষ্ঠিত দ্বীন। (সূরা আল-বাইয়েন্নাহ)
মায়ায বিন জাবাল রাঃ কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইয়ামানে পাঠান তখন তাকে যে উপদেশ দেন তার মধ্যে আছেঃ যদি তারা তোমার ঐ কথা মেনে নেয় তবে তাদের জানাবে, আল্লাহ তাদের উপর কিছু সাদাক্বাহ ফরয করেছেন। তা ধনীদের কাছ থেকে গ্রহণ করা হবে এবং গরীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। (বর্ণনায় বুখারী)
যারা যাকাত আদায় করবে না, তারা যে কুফরি করল এ সম্বন্ধে আল্লাহপাক বলেনঃ
(আরবি)
যদি তারা তওবা করে এবং সালাত কায়েম করে এবং যাকাত আদায় করে তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই। (সূরা আত-তাওবাহ ১১)
এই আয়াত হতে এ কথা পরিষ্কার হচ্ছে যে, যারা সালাত আদায় করবে না এবং যাকাত প্রদান করবে না তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই নয়। বরং তারা কাফির। এজন্য আবু বকর (রাঃ) ঐ সমস্ত লোকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন যারা সালাত ও যাকাতকে আলাদা করেছিল এবং সালাত কায়েম রেখেছিল কিন্তু যাকাত দিতে অস্বীকার করেছিল। আর সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম তাঁর ঐ জিহাদকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।