১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
যাকাতের হিকমত
যাকাতকে যে প্রবর্তন করা হয়েছে তাতে বহু হিকমত রয়েছে। আর তার উদ্দেশ্য অনেক বড়, মানব কল্যাণও প্রচুর। যখন আমরা কোরআন ও হাদীস পর্যালোচলনা করব তখন এগুলো আমাদের সম্মুখে পরিস্ফুট হবে। যাকাত কাকে কাকে দিতে হবে এ সম্পর্কে সূরা তাওবা এবং অন্যান্য আয়াতে ও হাদীসের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় যে, সাদাক্বাহ (যাকাত) দেয়ার ব্যাপারে এবং অন্যান্য সমস্ত ধরণের ভাল কাজে ব্যয় করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। এতেই আল্লাহ তাআলার হিকমতগুলো পরিষ্কার হয়ে উঠে।
১। উহা মুমিনদের অন্তরকে নানা ধারণের পাপ-গুনাহ হতে পরিষ্কার করে এবং খারাপ কাজের প্রভাব হতে অন্তরকে পরিষ্কর করে। আর তার রুহকে কৃপণতার খারাবি এবং টাকা পয়সার প্রতি অত্যাধিক লোভ এবং এই লোভের কারণে অন্যান্য যে খারাবি হয় তা হতে অন্তরকে পবিত্র করে।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
(আরবি)
তুমি তাদের মাল দৌলত হতে সাদাক্বাহ গ্রহণ করে তাদেরকে পবিত্র কর এবং তাদের অন্তরকে সংশোধন কর। (সূরা তাওবা ১০৩)
২। গরীব মুসলিমদের সাহায্য করা, তাদের চাহিদা পূর্ণ করা, তাদের সহায়তা ও সম্মান করা যাতে তারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদের নিকট সাহায্য চেয়ে নিজেদেরকে অপমান না করে।
৩। ঋণগ্রস্ত মুসলিমের ঋণ শোধ করে দিয়ে তার মনের পেরেশানী দূর করা এবং যারা ঋণভারে ভারাক্রান্ত তাদের বোঝা লাঘব করা।
৪। অন্তরকে ঈমান ও ইসলামের উপর শক্তিশালী করা, যাতে তারা বিভিন্ন ধরণের সন্দেহ ও মনের ধোকা হতে বাঁচতে পারে (ঈমানের দৃঢ়তা আসার পূর্ব পর্যন্ত)। ফলে আস্তে আস্তে তাদের ঈমানের মধ্যে দৃঢ়তা আসবে এবং পরিপূর্ণ ইয়াক্বীন পয়দা হবে।
৫। যারা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করবে তাদের প্রস্তুত করা। তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস ও হাতিয়ারের ব্যবস্থা করা। যাতে তারা ইসলাম প্রচার করতে পারে। আর কুফরি ও ফিৎনা ফাসাদকে সমূলে উচ্ছেদ করতে পারে। সাথে সাথে ন্যায়ের পতাকাকে মানুষের মাঝে সমুন্নত করতে পারে। ফলে সমাজে কোন ফিৎনা দেখা দেবে না, বরঞ্চ দ্বীন সম্পূর্ণভাবে এক আল্লাহর জন্যই হবে।
৬। যখন কোন মুসলিম মুসাফির, যাত্রা পথে বিপদে পড়ে এবং তার যাত্রার শেষে ঘরে ফিরার মত টাকা পয়সা না থাকে তখন তাকে ঐ পরিমাণ যাকাতের মাল দেয়া যাবে যা দিয়ে সে ঘরে পৌঁছতে পারে।
৭। সম্পদকে পবিত্র করা তাকে বৃদ্ধি ও হেফাজত করা এবং তাকে নানা ধরণের বিপদ আপদ থেকে বাঁচিয়ে কাখা। আর এটা তখনই সম্ভব হবে যখন আল্লাহ তাআলার আনুগত্য ও তাঁর হুকুমের উপর চলার বরকত পাওয়া যাবে এবং তাঁর সৃষ্টির প্রতি ইহসান করা হবে।
এগুলো হচ্ছে যাকাত আদায়ের হিকমত এবং মহান উদ্দেশ্যের কয়েকটি। এ ছাড়া উহা আদায়ে আরও অনেক উপকার আছে। কারণ, শরীয়তের হুকুমের গোপন রহস্য ও হিকমত পরিপূর্ণ ভাবে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
১। উহা মুমিনদের অন্তরকে নানা ধারণের পাপ-গুনাহ হতে পরিষ্কার করে এবং খারাপ কাজের প্রভাব হতে অন্তরকে পরিষ্কর করে। আর তার রুহকে কৃপণতার খারাবি এবং টাকা পয়সার প্রতি অত্যাধিক লোভ এবং এই লোভের কারণে অন্যান্য যে খারাবি হয় তা হতে অন্তরকে পবিত্র করে।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
(আরবি)
তুমি তাদের মাল দৌলত হতে সাদাক্বাহ গ্রহণ করে তাদেরকে পবিত্র কর এবং তাদের অন্তরকে সংশোধন কর। (সূরা তাওবা ১০৩)
২। গরীব মুসলিমদের সাহায্য করা, তাদের চাহিদা পূর্ণ করা, তাদের সহায়তা ও সম্মান করা যাতে তারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদের নিকট সাহায্য চেয়ে নিজেদেরকে অপমান না করে।
৩। ঋণগ্রস্ত মুসলিমের ঋণ শোধ করে দিয়ে তার মনের পেরেশানী দূর করা এবং যারা ঋণভারে ভারাক্রান্ত তাদের বোঝা লাঘব করা।
৪। অন্তরকে ঈমান ও ইসলামের উপর শক্তিশালী করা, যাতে তারা বিভিন্ন ধরণের সন্দেহ ও মনের ধোকা হতে বাঁচতে পারে (ঈমানের দৃঢ়তা আসার পূর্ব পর্যন্ত)। ফলে আস্তে আস্তে তাদের ঈমানের মধ্যে দৃঢ়তা আসবে এবং পরিপূর্ণ ইয়াক্বীন পয়দা হবে।
৫। যারা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করবে তাদের প্রস্তুত করা। তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস ও হাতিয়ারের ব্যবস্থা করা। যাতে তারা ইসলাম প্রচার করতে পারে। আর কুফরি ও ফিৎনা ফাসাদকে সমূলে উচ্ছেদ করতে পারে। সাথে সাথে ন্যায়ের পতাকাকে মানুষের মাঝে সমুন্নত করতে পারে। ফলে সমাজে কোন ফিৎনা দেখা দেবে না, বরঞ্চ দ্বীন সম্পূর্ণভাবে এক আল্লাহর জন্যই হবে।
৬। যখন কোন মুসলিম মুসাফির, যাত্রা পথে বিপদে পড়ে এবং তার যাত্রার শেষে ঘরে ফিরার মত টাকা পয়সা না থাকে তখন তাকে ঐ পরিমাণ যাকাতের মাল দেয়া যাবে যা দিয়ে সে ঘরে পৌঁছতে পারে।
৭। সম্পদকে পবিত্র করা তাকে বৃদ্ধি ও হেফাজত করা এবং তাকে নানা ধরণের বিপদ আপদ থেকে বাঁচিয়ে কাখা। আর এটা তখনই সম্ভব হবে যখন আল্লাহ তাআলার আনুগত্য ও তাঁর হুকুমের উপর চলার বরকত পাওয়া যাবে এবং তাঁর সৃষ্টির প্রতি ইহসান করা হবে।
এগুলো হচ্ছে যাকাত আদায়ের হিকমত এবং মহান উদ্দেশ্যের কয়েকটি। এ ছাড়া উহা আদায়ে আরও অনেক উপকার আছে। কারণ, শরীয়তের হুকুমের গোপন রহস্য ও হিকমত পরিপূর্ণ ভাবে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।