১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ইসলামের ভিত্তিসমূহ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ইসলামের ভিত্তি পাঁচটিঃ
১। কালেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্ এর সাক্ষ্য দেয়া। অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া সত্যিকারের অর্থে কোন উপাস্য নেই। আর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঐ সমস্ত কথা ও কাজের উপর ‘আমল করা ওয়াজিব যা তিনি আল্লাহর পক্ষ হতে পৌঁছিয়েছেন।
২। সালাত কায়েম করাঃ এর মধ্যে আছে উহার রোকন ও ওয়জিবসমূহ পুরোপুরি আদায় করা এবং সালাতের মধ্যে খুশু (আল্লাহর ভয়) বজায় রাখা।
৩। যাকাত প্রদান করাঃ যখন কোন মুসলিম ৮৫ গ্রাম পরিমাণ সোনা অথবা ৫৯৫ গ্রাম রৌপ্য বা ঐ পরিমাণ অর্থের মালিক হয় তখন তার উপর যাকাত আদায় করা ওয়াজিব হবে। প্রত্যেক বৎসরের শেষে সে যাকাত হিসাবে শতকরা ২.৫০%
(চল্লিশ ভাগের এক ভাগ) হারে আদায় করবে। নগদ টাকা ব্যতিত অন্যান্য জিনিসের যাকাত আদায়ের নির্দিষ্ট হিসাব আছে।
৪। বাইতুল্লাহতে হজ আদায় করাঃ যার সামর্থ আছে উহা তার উপরে ফরজ।
৫। রমজানে সিয়াম পালন করাঃ উহা হল খাদ্য, পানীয় এবং অন্যান্য যে সব কারণে সিয়াম (রোজা) ভঙ্গ হয় উহা হতে সিয়ামের (রোজার) নিয়তে ফজর হতে মাগরিব পর্যন্ত বিরত থাকা। (বর্ণনায় বুখারি ও মুসলিম)
১। কালেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্ এর সাক্ষ্য দেয়া। অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া সত্যিকারের অর্থে কোন উপাস্য নেই। আর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঐ সমস্ত কথা ও কাজের উপর ‘আমল করা ওয়াজিব যা তিনি আল্লাহর পক্ষ হতে পৌঁছিয়েছেন।
২। সালাত কায়েম করাঃ এর মধ্যে আছে উহার রোকন ও ওয়জিবসমূহ পুরোপুরি আদায় করা এবং সালাতের মধ্যে খুশু (আল্লাহর ভয়) বজায় রাখা।
৩। যাকাত প্রদান করাঃ যখন কোন মুসলিম ৮৫ গ্রাম পরিমাণ সোনা অথবা ৫৯৫ গ্রাম রৌপ্য বা ঐ পরিমাণ অর্থের মালিক হয় তখন তার উপর যাকাত আদায় করা ওয়াজিব হবে। প্রত্যেক বৎসরের শেষে সে যাকাত হিসাবে শতকরা ২.৫০%
(চল্লিশ ভাগের এক ভাগ) হারে আদায় করবে। নগদ টাকা ব্যতিত অন্যান্য জিনিসের যাকাত আদায়ের নির্দিষ্ট হিসাব আছে।
৪। বাইতুল্লাহতে হজ আদায় করাঃ যার সামর্থ আছে উহা তার উপরে ফরজ।
৫। রমজানে সিয়াম পালন করাঃ উহা হল খাদ্য, পানীয় এবং অন্যান্য যে সব কারণে সিয়াম (রোজা) ভঙ্গ হয় উহা হতে সিয়ামের (রোজার) নিয়তে ফজর হতে মাগরিব পর্যন্ত বিরত থাকা। (বর্ণনায় বুখারি ও মুসলিম)