১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
সালাতের উপর কিছু হাদীস।
صلوا كما رأيتموني أصلي . ( رواه البخاري )
তোমরা ঐভাবে সালাত আদায় কর যেভাবে আমাকে আদায় করতে দেখেছো (বুখারী)
إذا دخل أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس . ) رواه البخاري (
তোমাদের কেহ যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন বসার পূর্বে যেন সে অবশ্যই দু রাকআত সালাত আদায় করে নেয়। (বর্ণনায় বুখারী)।
(এই সালাতকে তাহাইয়াতুল মসজিদ বলে)
لاتجلسوا على القبور ولا تصلوا إليها ( رواه البخاري )
তোমরা কবরের উপর উপবেশন কর না, এমনকি তার দিকে সালাতও আদায় কর না। (বর্ণনায় মুসলিম)
إذا أقيمت الصلوة فلا صلاة إلا المكتوبة ) رواه مسلم (
যখন ইক্বামত হয়ে যায় তখন ফরজ সালাত ছাড়া অন্য সালাত নেই। (বর্ণনায় মুসলিম)
أمرت أن لا أكف ثوبا ) رواه مسلم (
সালাতে আমাকে হুকুম করা হয়েছে পোশাক না গুটাতে (বর্ণনায় মুসলিম)
أقيموا صفوفكم وتراصوا
তোমরা তোমাদের কাতার সোজা কর, একের পা অপরের সাথে মিলিয়ে দাড়াও। অন্য রেওয়ায়াতে আছে (সাহাবাগণ বলেনঃ) আমরা সালাতে একে অপরের কাধ এবং পায়ের সাথে পা মিলিয়ে দাড়াতাম।
إذا أقيمت الصلاة فلا تأتوها وأنتم تسعون وأتوها تمشون وعليكم السكينة فما أدركتم فصلوا وما فاتكم فأتموا
যখন ইক্বামত হয়ে যায় তখন তোমরা তাড়াহুড়া করে উপস্থিত হয়োনা। বরং স্বাভাবিক ও ধীরস্থির ভাবে হেট আসবে। ইমামের সাথে যা পাও তা আদায় কর, আর যা ছুটে গেছে তা পূর্ণ কর। (বুখারী ও মুসলিম)
اركع حتى تطمئن راكعا ، ثم ارفع حتى تستوي قائما ، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا
এমনভাবে রুকু কর যাতে স্থিরতা আসে, তারপর রুকু হতে পরিপূর্ণ সোজা হয়ে দাড়াও। এরপর সিজদা কর স্থিরতার সাথে)।
إذا سجدت فضع كفيك ، وارفع مرفقيك
যখন সিজদা কর, হাতের পাতাদ্বয় মাটিতে বিছিয়ে কনুইদ্বয় খাড়া রাখ। (বর্ণনায়: মুসলিম)
إني إمامكم فلا تسبقوني بالركوع والسجود ) رواه مسلم (
আমি তোমাদের ইমাম, তাই রুকু ও সিজদাতে আমার আগে আগে যাবে না। (বর্ণনায় মুসলিম)
إن أول ما يحاسب به العبد يوم القيامة من عمله صلاته ، فإن صلحت فقد أفلح وأنجح ، وإن فسدت فقد خاب وخسر
কিয়ামতের মাঠে সর্বপ্রথম মানুষের যে হিসাব নেয়া হবে তা হচ্ছে সালাত। যদি উহা গ্রহণীয় হয় তবে সমস্ত আমলই ঠিক হবে। আর যদি তাতে দোষ ত্রুটি মিলে, তবে সমস্ত আমলেই দোষ ত্রুটি পাওয়া যাবে।
مروا أولادكم بالصلاة وهم أبناء سبع سنين واضربوهم عليها وهم أبناء عشر وفرقوا بينهم في المضاجع
তোমরা তোমাদের সন্তানদের সাত বৎসর বয়স হতেই সালাতের আদেশ দিতে থাক। যখন দশ বৎসর পদার্পণ করবে তখন (সালাত না আদায় করলে) প্রহার করবে। আর তখন হতেই তাদের বিছানা আলাদা করে দেবে। (আহমদ, হাসান)
তোমরা ঐভাবে সালাত আদায় কর যেভাবে আমাকে আদায় করতে দেখেছো (বুখারী)
إذا دخل أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس . ) رواه البخاري (
তোমাদের কেহ যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন বসার পূর্বে যেন সে অবশ্যই দু রাকআত সালাত আদায় করে নেয়। (বর্ণনায় বুখারী)।
(এই সালাতকে তাহাইয়াতুল মসজিদ বলে)
لاتجلسوا على القبور ولا تصلوا إليها ( رواه البخاري )
তোমরা কবরের উপর উপবেশন কর না, এমনকি তার দিকে সালাতও আদায় কর না। (বর্ণনায় মুসলিম)
إذا أقيمت الصلوة فلا صلاة إلا المكتوبة ) رواه مسلم (
যখন ইক্বামত হয়ে যায় তখন ফরজ সালাত ছাড়া অন্য সালাত নেই। (বর্ণনায় মুসলিম)
أمرت أن لا أكف ثوبا ) رواه مسلم (
সালাতে আমাকে হুকুম করা হয়েছে পোশাক না গুটাতে (বর্ণনায় মুসলিম)
أقيموا صفوفكم وتراصوا
তোমরা তোমাদের কাতার সোজা কর, একের পা অপরের সাথে মিলিয়ে দাড়াও। অন্য রেওয়ায়াতে আছে (সাহাবাগণ বলেনঃ) আমরা সালাতে একে অপরের কাধ এবং পায়ের সাথে পা মিলিয়ে দাড়াতাম।
إذا أقيمت الصلاة فلا تأتوها وأنتم تسعون وأتوها تمشون وعليكم السكينة فما أدركتم فصلوا وما فاتكم فأتموا
যখন ইক্বামত হয়ে যায় তখন তোমরা তাড়াহুড়া করে উপস্থিত হয়োনা। বরং স্বাভাবিক ও ধীরস্থির ভাবে হেট আসবে। ইমামের সাথে যা পাও তা আদায় কর, আর যা ছুটে গেছে তা পূর্ণ কর। (বুখারী ও মুসলিম)
اركع حتى تطمئن راكعا ، ثم ارفع حتى تستوي قائما ، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا
এমনভাবে রুকু কর যাতে স্থিরতা আসে, তারপর রুকু হতে পরিপূর্ণ সোজা হয়ে দাড়াও। এরপর সিজদা কর স্থিরতার সাথে)।
إذا سجدت فضع كفيك ، وارفع مرفقيك
যখন সিজদা কর, হাতের পাতাদ্বয় মাটিতে বিছিয়ে কনুইদ্বয় খাড়া রাখ। (বর্ণনায়: মুসলিম)
إني إمامكم فلا تسبقوني بالركوع والسجود ) رواه مسلم (
আমি তোমাদের ইমাম, তাই রুকু ও সিজদাতে আমার আগে আগে যাবে না। (বর্ণনায় মুসলিম)
إن أول ما يحاسب به العبد يوم القيامة من عمله صلاته ، فإن صلحت فقد أفلح وأنجح ، وإن فسدت فقد خاب وخسر
কিয়ামতের মাঠে সর্বপ্রথম মানুষের যে হিসাব নেয়া হবে তা হচ্ছে সালাত। যদি উহা গ্রহণীয় হয় তবে সমস্ত আমলই ঠিক হবে। আর যদি তাতে দোষ ত্রুটি মিলে, তবে সমস্ত আমলেই দোষ ত্রুটি পাওয়া যাবে।
مروا أولادكم بالصلاة وهم أبناء سبع سنين واضربوهم عليها وهم أبناء عشر وفرقوا بينهم في المضاجع
তোমরা তোমাদের সন্তানদের সাত বৎসর বয়স হতেই সালাতের আদেশ দিতে থাক। যখন দশ বৎসর পদার্পণ করবে তখন (সালাত না আদায় করলে) প্রহার করবে। আর তখন হতেই তাদের বিছানা আলাদা করে দেবে। (আহমদ, হাসান)