১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৩
হজ ও ওমরাহর আদবসমূহ
১। ইখলাসের সাথে একমাত্র আল্লাহর জন্যই হজ আদায় করুন। মনে মনে বলুনঃ হে আল্লাহ ! এই হজ কোন লোক দেখানো আমল বা নামের নাম নয়।
২। নেককার লোকদের সাথে সফর করুন এবং তাদের খেদমত করতে সচেষ্ট হোন। আর আপনার প্রতিবেশীর দেয়া কষ্ট সহ্য করতে সচেষ্ট হোন।
৩। ধুমপান ত্যাগ ও সিগারেট ক্রয় করা হতে সাবধান হোন। কারণ উহা হারাম। উহা শরীরকে, পার্শ্ববর্তীজনকে ও সম্পদের ক্ষতি করে। আর উহা আল্লাহ পাকের স্পষ্ট নাফরমানী।
৪। প্রতিটি সালাতের সময় মেসওয়াক করতে তৎপর হোন। সেখান থেকে যমযমের পানি ও খেজুর হাদিয়া হিসাবে বহন করুন। কারণ এগুলোর ফজিলত সম্বন্ধে সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছ।
৫। মেয়ে মানুষ স্পর্শ করা হতে সাবধান হোন। তাদের প্রতি অহেতুক দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন না। আর আপনার সাথী মেয়েদের সর্বদা পর্দার মধ্যে রাখতে সচেষ্ট হোন।
৬। কখনো মুসল্লিদের কাধ ডিঙ্গিয়ে, তাদের কষ্ট দিয়ে চলাফেরা করবেন না। বরং যেখানে স্থান পান সেখানেই বসতে সচেষ্ট হোন।
৭।দুই মাজিদুল-হারামেও সালাতরত ব্যক্তির সম্মুখ দিয়ে চলাচল করবেন না। কারণ উহা শয়তানের কার্য।
৮। সালাত আদায়ে ধীর স্থিরতা প্রদর্শন করুন। কোন সুতরা যেমন দেওয়াল, কারো পিছনে সালাত আদায় করুন। ইমামের সুতরাই পিছনের ব্যক্তিদের জন্য যথেষ্ট।
৯। তাওয়াফ, সায়ী, পাথর নিক্ষেপ, হজরে আসওয়াদে চুমা খাওয়া ইত্যাদি কাজের সময় আপনার আশপাশের লোকদের প্রতি খেয়াল করবেন যাতে তারা কোন কষ্ট না পায়। ইহা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কাজ।
১০। গাইরুল্লাহর নিকট দুআ করা হতে সাবধান থাকবেন। কারণ, উহা ঐ শিরকের অন্তর্ভক্ত, যাতে হজ্জ ও তার সমস্ত আমলই বাতিল হয়ে যায়। কারণ আল্লাহ তালা বলেনঃ
(আরবি)
যদি তুমি শিরক কর তবে তোমার সমস্ত আমল নষ্ট হয়ে যাবে আর অবশ্যই তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভক্ত হয়ে পড়বে। (সূরা যুমার ৬৫)
২। নেককার লোকদের সাথে সফর করুন এবং তাদের খেদমত করতে সচেষ্ট হোন। আর আপনার প্রতিবেশীর দেয়া কষ্ট সহ্য করতে সচেষ্ট হোন।
৩। ধুমপান ত্যাগ ও সিগারেট ক্রয় করা হতে সাবধান হোন। কারণ উহা হারাম। উহা শরীরকে, পার্শ্ববর্তীজনকে ও সম্পদের ক্ষতি করে। আর উহা আল্লাহ পাকের স্পষ্ট নাফরমানী।
৪। প্রতিটি সালাতের সময় মেসওয়াক করতে তৎপর হোন। সেখান থেকে যমযমের পানি ও খেজুর হাদিয়া হিসাবে বহন করুন। কারণ এগুলোর ফজিলত সম্বন্ধে সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছ।
৫। মেয়ে মানুষ স্পর্শ করা হতে সাবধান হোন। তাদের প্রতি অহেতুক দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন না। আর আপনার সাথী মেয়েদের সর্বদা পর্দার মধ্যে রাখতে সচেষ্ট হোন।
৬। কখনো মুসল্লিদের কাধ ডিঙ্গিয়ে, তাদের কষ্ট দিয়ে চলাফেরা করবেন না। বরং যেখানে স্থান পান সেখানেই বসতে সচেষ্ট হোন।
৭।দুই মাজিদুল-হারামেও সালাতরত ব্যক্তির সম্মুখ দিয়ে চলাচল করবেন না। কারণ উহা শয়তানের কার্য।
৮। সালাত আদায়ে ধীর স্থিরতা প্রদর্শন করুন। কোন সুতরা যেমন দেওয়াল, কারো পিছনে সালাত আদায় করুন। ইমামের সুতরাই পিছনের ব্যক্তিদের জন্য যথেষ্ট।
৯। তাওয়াফ, সায়ী, পাথর নিক্ষেপ, হজরে আসওয়াদে চুমা খাওয়া ইত্যাদি কাজের সময় আপনার আশপাশের লোকদের প্রতি খেয়াল করবেন যাতে তারা কোন কষ্ট না পায়। ইহা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কাজ।
১০। গাইরুল্লাহর নিকট দুআ করা হতে সাবধান থাকবেন। কারণ, উহা ঐ শিরকের অন্তর্ভক্ত, যাতে হজ্জ ও তার সমস্ত আমলই বাতিল হয়ে যায়। কারণ আল্লাহ তালা বলেনঃ
(আরবি)
যদি তুমি শিরক কর তবে তোমার সমস্ত আমল নষ্ট হয়ে যাবে আর অবশ্যই তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভক্ত হয়ে পড়বে। (সূরা যুমার ৬৫)