১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
দুই ঈদের সালাত ঈদগাহে আদায় করা
১। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হতেন। ঐ দিন দুটোতে প্রথম যে কাজ করতেন তা হল ঈদের সালাত আদায় করা।
( বর্ণনায় বুখারী )
২। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ ঈদুল ফিতরের সালাতে প্রথম রাক‘আতে সাত বার এবং দ্বিতীয় রাক‘আতে ৫ বার তকবীর দিতে হবে। আর এই রাক‘আতেই তকবীরের পর ক্বিরাত পড়তে হবে। (হাসান, আবুদাউদ)
৩। এক সাহবী (রাঃ) বলেনঃ
أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نخرج في الفطر والأضحى، العواتق والحيض وذوات الخدر، فأما الحيض فيعتزلن الصلاة ويشهدن الخير ودعوة المسلمين، قالت : يا رسول الله إحدانا لا يكون لها جلباب، قال : لتلبسها أختها من جلبابها .
আল্লহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মহিলাদের নিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে বের হতে নির্দেশ দিতেন। তার মধ্যে থাকত স্বাধীন মহিলা, ঋতুবতি মহিলারা ও পর্দানশী মহিলারা। তবে ঋতু আক্রান্ত মেয়েরা দূরে বসে থাকত, সালাতে শরীক হত না। তারা কল্যাণকর কাজ এবং মুসলিমদের দু‘আতে শরীক হত। আমি বললামঃ আমাদের অনেকের পরিধান করার মত চাদর নেই, সে কি করবে? তিনি বললেন, তাদের বোনেরা তাদের চাদর পরিধান করাবে। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
হাদীসের শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ
১। দু ঈদের সালাতের ব্যাপারে শরীয়তের বিধান রয়েছে। উহা ২ রাক‘আত। প্রথম রাক‘আতের শুরুতে মুসল্লিগণ ৭ বার তকবীর বলবে। তারপর দ্বিতীয় রাক‘আতের শুরুতে ৫ বার তকবীর বলবে। তারপর সূরা ফাতিহা ও অন্য কোন সূরা বা কিছু আয়াত পড়বে।
২। ঈদের সালাত ঈদগাহে আদায় করার হুকুম। আর তা ছিল মদীনা শরীফের নিকটবর্তী এক নির্দিষ্ট স্থান। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বাদা ঐ স্থানে যেয়ে সাহাবীদের নিয়ে দু ঈদের সালাত আদায় করতেন। তাদের সাথে বের হতেন বালিকারা এবং যুবতী মেয়েরা, এমনকি ঋতুবতি মহিলাগণও। হাফেজ ইবনে হজার আসকালানী রহ. বলেনঃ এর থেকে এই মাস‘আলা সাবেত হল যে, মুসল্লাতে এই সালাত আদায় করতে হবে। খুব জরুরী ওযর ব্যতীত ইহা মসজিদে আদায় করা ঠিক নয়।
( বর্ণনায় বুখারী )
২। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ ঈদুল ফিতরের সালাতে প্রথম রাক‘আতে সাত বার এবং দ্বিতীয় রাক‘আতে ৫ বার তকবীর দিতে হবে। আর এই রাক‘আতেই তকবীরের পর ক্বিরাত পড়তে হবে। (হাসান, আবুদাউদ)
৩। এক সাহবী (রাঃ) বলেনঃ
أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نخرج في الفطر والأضحى، العواتق والحيض وذوات الخدر، فأما الحيض فيعتزلن الصلاة ويشهدن الخير ودعوة المسلمين، قالت : يا رسول الله إحدانا لا يكون لها جلباب، قال : لتلبسها أختها من جلبابها .
আল্লহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মহিলাদের নিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে বের হতে নির্দেশ দিতেন। তার মধ্যে থাকত স্বাধীন মহিলা, ঋতুবতি মহিলারা ও পর্দানশী মহিলারা। তবে ঋতু আক্রান্ত মেয়েরা দূরে বসে থাকত, সালাতে শরীক হত না। তারা কল্যাণকর কাজ এবং মুসলিমদের দু‘আতে শরীক হত। আমি বললামঃ আমাদের অনেকের পরিধান করার মত চাদর নেই, সে কি করবে? তিনি বললেন, তাদের বোনেরা তাদের চাদর পরিধান করাবে। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
হাদীসের শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ
১। দু ঈদের সালাতের ব্যাপারে শরীয়তের বিধান রয়েছে। উহা ২ রাক‘আত। প্রথম রাক‘আতের শুরুতে মুসল্লিগণ ৭ বার তকবীর বলবে। তারপর দ্বিতীয় রাক‘আতের শুরুতে ৫ বার তকবীর বলবে। তারপর সূরা ফাতিহা ও অন্য কোন সূরা বা কিছু আয়াত পড়বে।
২। ঈদের সালাত ঈদগাহে আদায় করার হুকুম। আর তা ছিল মদীনা শরীফের নিকটবর্তী এক নির্দিষ্ট স্থান। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বাদা ঐ স্থানে যেয়ে সাহাবীদের নিয়ে দু ঈদের সালাত আদায় করতেন। তাদের সাথে বের হতেন বালিকারা এবং যুবতী মেয়েরা, এমনকি ঋতুবতি মহিলাগণও। হাফেজ ইবনে হজার আসকালানী রহ. বলেনঃ এর থেকে এই মাস‘আলা সাবেত হল যে, মুসল্লাতে এই সালাত আদায় করতে হবে। খুব জরুরী ওযর ব্যতীত ইহা মসজিদে আদায় করা ঠিক নয়।