১
ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইবাদত
১। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
(আরবি)
হে কম্বল আবৃত ব্যক্তি ! উঠুন ইবাদত করুন, রাত্রির বেশীর ভাগ সময়ে। (সূরা আল-মুয্যাম্মেল ১.২)
২। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমযান বা অন্য কোন সময়ে রাত্রে ১১ রাক‘আতের বেশী তাহাজ্জুদ আদায় করতেন না। প্রথমে ৪ রাক‘আত পড়তেন। তা যে কত সুন্দর ও লম্বা হত তা বলার মত নয়। তারপর আরও ৪ রাক‘আত পড়তেন। তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা বলার ভাষা নেই। তারপর ৩ রাক‘আত পড়তেন। আমি বললামঃ আপনি কি বিতর পড়ার পূর্বেই নিদ্রা যান। তিনি বললেনঃ হে আয়েশা ! আমার চক্ষুদ্বয় নিদ্রা যায় কিন্তু অন্তর জাগ্রত থাকে। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
৩। আসওয়াদ ইবনে ইয়াযীদ রহ. বলেনঃ
سألت عائشة رضي الله عنها عن صلواة رسول الله صلى الله عليه وسلم قالـت : كان ينام أول الليل ، ثم يقوم ، فإذا كان من السحر أوتر ، ثم أتى فراشه ، فإذا كان له حاجة ألم بأهله ، فإذا سمع الأذان وثب ، فإن كان جنبا أفاض عليه من الماء ، وإلا توضأ ، ثم خرج إلى الصلاة
একদা আমি আয়েশা (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাত্রির সালাত সম্বন্ধে প্রশ্ন করি। উত্তরে তিনি বলেনঃ রাত্রির প্রথমাংশে তিনি নিদ্রা যেতেন। তারপর জাগ্রত হতেন। শেষ রাত হলে বিতর আদায় করতেন। এরপর বিছানায় যেতেন। অতঃপর যদি ফরয গোসলের প্রয়োজন হত তবে গোসল করতেন। তা না হলে, ওযু করতেন এবং সকালের সালাতের জন্য বের হতেন। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
৪। আবু হুরাইরাহ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতে এত অধিক সময় দাড়িয়ে থাকতেন যে দু‘পা ফুলে উঠত। তখন তাঁকে বলা হলঃ হে আল্লাহর রাসূল ! আপনি এত ইবাদত করেন, অথচ আল্লাহপাক আপনার পূর্বের ও পরের সমস্ত গুণাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। উত্তরে তিনি বললেনঃ আমি কি কৃতজ্ঞ বান্দ হব না?। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
৫। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ তোমাদের দুনিয়ার নিম্নোক্ত জিনিসসমূহ আমার প্রিয় করে দেয়া হয়েছেঃ মেয়ে মানুষ, আতর এবং আমার চোখের শীতলতা দেওয়া হয়েছে সালাতের মধ্যে। (বর্ণনায় আহমদ)
(আরবি)
হে কম্বল আবৃত ব্যক্তি ! উঠুন ইবাদত করুন, রাত্রির বেশীর ভাগ সময়ে। (সূরা আল-মুয্যাম্মেল ১.২)
২। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমযান বা অন্য কোন সময়ে রাত্রে ১১ রাক‘আতের বেশী তাহাজ্জুদ আদায় করতেন না। প্রথমে ৪ রাক‘আত পড়তেন। তা যে কত সুন্দর ও লম্বা হত তা বলার মত নয়। তারপর আরও ৪ রাক‘আত পড়তেন। তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা বলার ভাষা নেই। তারপর ৩ রাক‘আত পড়তেন। আমি বললামঃ আপনি কি বিতর পড়ার পূর্বেই নিদ্রা যান। তিনি বললেনঃ হে আয়েশা ! আমার চক্ষুদ্বয় নিদ্রা যায় কিন্তু অন্তর জাগ্রত থাকে। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
৩। আসওয়াদ ইবনে ইয়াযীদ রহ. বলেনঃ
سألت عائشة رضي الله عنها عن صلواة رسول الله صلى الله عليه وسلم قالـت : كان ينام أول الليل ، ثم يقوم ، فإذا كان من السحر أوتر ، ثم أتى فراشه ، فإذا كان له حاجة ألم بأهله ، فإذا سمع الأذان وثب ، فإن كان جنبا أفاض عليه من الماء ، وإلا توضأ ، ثم خرج إلى الصلاة
একদা আমি আয়েশা (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাত্রির সালাত সম্বন্ধে প্রশ্ন করি। উত্তরে তিনি বলেনঃ রাত্রির প্রথমাংশে তিনি নিদ্রা যেতেন। তারপর জাগ্রত হতেন। শেষ রাত হলে বিতর আদায় করতেন। এরপর বিছানায় যেতেন। অতঃপর যদি ফরয গোসলের প্রয়োজন হত তবে গোসল করতেন। তা না হলে, ওযু করতেন এবং সকালের সালাতের জন্য বের হতেন। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
৪। আবু হুরাইরাহ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতে এত অধিক সময় দাড়িয়ে থাকতেন যে দু‘পা ফুলে উঠত। তখন তাঁকে বলা হলঃ হে আল্লাহর রাসূল ! আপনি এত ইবাদত করেন, অথচ আল্লাহপাক আপনার পূর্বের ও পরের সমস্ত গুণাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। উত্তরে তিনি বললেনঃ আমি কি কৃতজ্ঞ বান্দ হব না?। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
৫। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ তোমাদের দুনিয়ার নিম্নোক্ত জিনিসসমূহ আমার প্রিয় করে দেয়া হয়েছেঃ মেয়ে মানুষ, আতর এবং আমার চোখের শীতলতা দেওয়া হয়েছে সালাতের মধ্যে। (বর্ণনায় আহমদ)