১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
আযান সংক্রান্ত আমল
তাহাজ্জুদের নামায শেষ করার পর আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে মুনাজাত করবে। তারপর আযান হলে আযানের জওয়াব দেবে।
পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায়ের প্রাক্কালে নামাযের সময় জানিয়ে দেয়ার জন্য আযান দেয়া সুন্নাত। আর এ আযানের মধ্যে রয়েছে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা, তাওহীদের সাক্ষ্য, রিসালাতের সাক্ষ্য এবং নামাযের প্রতি আহবান ইত্যাদি। আযানের শব্দগুলো মুমিনের ঈমান ও আকীদাকে আরো বেশি মযবুত ও দৃঢ় করে। মুয়াজ্জিন সাহেব তো আযানের শব্দগুলো ঘোষণা করেন, সেই সাথে যারা আযানের শব্দগুলো শুনবে তাদেরও উচিত সেগুলো উচ্চারণ করে আযানের জওয়াব দেয়া।
আযান শুনলে মুয়াজ্জিন যা বলেন তা-ই উচ্চারণ করে আযানের জওয়াব দিতে হয়। তবে ‘‘হাইয়্যা ‘আলাস সালাহ’’ ও ‘‘হাইয়্যা ‘আলাল ফালাহ’’ বলার সময় বলতে হয় ‘‘লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ’’।
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি অন্তর থেকে আযানের জওয়াব দেবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’’ (মুসলিম হা: ৫৭৮)
আযান শোনার পর দরূদ এবং দো‘আ পাঠ করা :
আযান শেষ হলে প্রথমে নবীর উপর দরূদ পড়া সুন্নাত। (বুখারী, মুসলিম)
আযান শেষ হওয়ার পর আযান ও নামাযের মাহাত্ম্য অনুধাবন করা এবং মুহাম্মাদ ﷺ এর জন্য ওয়াসীলার দো‘আ করা মুমিন বান্দার জন্য এক বিরাট সওয়াবের কাজ। জাবির (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি আযান শুনে নিচের দো‘আ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য শাফাআত করা আমার উপর জরুরি হয়ে যাবে :
اَللّٰهُمَّ رَبَّ هٰذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدَنِ الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُوْدَنِ الَّذِيْ وَعَدْتَّهٗ
আল্লা-হুম্মা রাববা হা-যিহিদ্ দা‘ওয়াতিত্তা-ম্মাহ, ওয়াসসালা-তিল ক্বা-ইমাহ, আ-তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়ালফাদ্বীলাহ, ওয়াব‘আছ্হু মাক্বা-মাম্ মাহমূদানিল্লাযী ওয়া‘আত্তাহ।
অর্থ : ‘‘হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত নামাযের তুমিই প্রভু। মুহাম্মাদ ﷺ কে দান কর অসীলা নামক স্থান ও মর্যাদা। আর তাঁকে অধিষ্ঠিত কর সেই প্রশংসিত স্থানে যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছ।’’
(বুখারী, মেশকাত- ৬৫৯, পৃঃ ৬৫ )
সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আযান শুনে নিচের দো‘আ পড়বে, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে :
أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ رَضِيْتُ بِاللهِ رَبًّا وَّبِمُحَمَّدٍ رَسُوْلًا وَّبِالْاِسْلَامِ دِيْنًا .
আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়ারাসূলুহ, রাযীতু বিল্লা-হি রাববাও ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসূলাও ওয়া বিল ইসলা-মি দ্বীনা।
অর্থ : ‘‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মুহাম্মাদ ﷺ -কে রাসূল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি।’’ (মুসলিম হা: ৩৮৬)
পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায়ের প্রাক্কালে নামাযের সময় জানিয়ে দেয়ার জন্য আযান দেয়া সুন্নাত। আর এ আযানের মধ্যে রয়েছে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা, তাওহীদের সাক্ষ্য, রিসালাতের সাক্ষ্য এবং নামাযের প্রতি আহবান ইত্যাদি। আযানের শব্দগুলো মুমিনের ঈমান ও আকীদাকে আরো বেশি মযবুত ও দৃঢ় করে। মুয়াজ্জিন সাহেব তো আযানের শব্দগুলো ঘোষণা করেন, সেই সাথে যারা আযানের শব্দগুলো শুনবে তাদেরও উচিত সেগুলো উচ্চারণ করে আযানের জওয়াব দেয়া।
আযান শুনলে মুয়াজ্জিন যা বলেন তা-ই উচ্চারণ করে আযানের জওয়াব দিতে হয়। তবে ‘‘হাইয়্যা ‘আলাস সালাহ’’ ও ‘‘হাইয়্যা ‘আলাল ফালাহ’’ বলার সময় বলতে হয় ‘‘লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ’’।
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি অন্তর থেকে আযানের জওয়াব দেবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’’ (মুসলিম হা: ৫৭৮)
আযান শোনার পর দরূদ এবং দো‘আ পাঠ করা :
আযান শেষ হলে প্রথমে নবীর উপর দরূদ পড়া সুন্নাত। (বুখারী, মুসলিম)
আযান শেষ হওয়ার পর আযান ও নামাযের মাহাত্ম্য অনুধাবন করা এবং মুহাম্মাদ ﷺ এর জন্য ওয়াসীলার দো‘আ করা মুমিন বান্দার জন্য এক বিরাট সওয়াবের কাজ। জাবির (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি আযান শুনে নিচের দো‘আ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য শাফাআত করা আমার উপর জরুরি হয়ে যাবে :
اَللّٰهُمَّ رَبَّ هٰذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدَنِ الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُوْدَنِ الَّذِيْ وَعَدْتَّهٗ
আল্লা-হুম্মা রাববা হা-যিহিদ্ দা‘ওয়াতিত্তা-ম্মাহ, ওয়াসসালা-তিল ক্বা-ইমাহ, আ-তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়ালফাদ্বীলাহ, ওয়াব‘আছ্হু মাক্বা-মাম্ মাহমূদানিল্লাযী ওয়া‘আত্তাহ।
অর্থ : ‘‘হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত নামাযের তুমিই প্রভু। মুহাম্মাদ ﷺ কে দান কর অসীলা নামক স্থান ও মর্যাদা। আর তাঁকে অধিষ্ঠিত কর সেই প্রশংসিত স্থানে যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছ।’’
(বুখারী, মেশকাত- ৬৫৯, পৃঃ ৬৫ )
সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আযান শুনে নিচের দো‘আ পড়বে, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে :
أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ رَضِيْتُ بِاللهِ رَبًّا وَّبِمُحَمَّدٍ رَسُوْلًا وَّبِالْاِسْلَامِ دِيْنًا .
আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়ারাসূলুহ, রাযীতু বিল্লা-হি রাববাও ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসূলাও ওয়া বিল ইসলা-মি দ্বীনা।
অর্থ : ‘‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মুহাম্মাদ ﷺ -কে রাসূল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি।’’ (মুসলিম হা: ৩৮৬)