১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
তাহাজ্জুদের নামায
রাতে কিছু সময় ঘুমিয়ে তারপর উঠে নামায আদায় করলে তাকে তাহাজ্জুদের নামায বলা হয়। এশার নামাযের পর থেকে ফজরের নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যা কিছু নফল নামায আদায় করা হয় সব নামাযকেই ‘কিয়ামুল্লাইল’ বা ‘সালাতুল্লাইল’ বলা হয়। সুতরাং কেউ যদি এশার নামাযের পরে না ঘুমিয়ে রাত ১১/১২ টার দিকে বা তার পরে কিছু নফল নামায আদায় করে তবে তা ‘কিয়ামুল্লাইল’ বলে গণ্য হবে।
কিয়ামুল্লাইল ও তাহাজ্জুদের নামায ছাড়া অন্য কোন সুন্নাত বা নফল নামাযের কথা কুরআন মাজীদে উল্লেখ করা হয়নি। কেবল রাতের নফল নামাযের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বহুবার আলোচনা করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهٖ نَافِلَةً لَّكَ عَسٰى أَنْ يَّبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُوْدًا
‘‘রাত্রির কিছু অংশে তাহাজ্জুদ কায়েম করবে, এটা তোমার এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন প্রশংসিত স্থানে।’’ (সূরা বনী ইসরাঈল- ৭৯)
وَمِنَ اللَّيْلِ فَاسْجُدْ لَهٗ وَسَبِّحْهُ لَيْلًا طَوِيْلًا
‘‘রাতে তাঁর জন্য সিজদায় নত হও এবং রাতে দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর।’’ (সূরা দাহর- ২৬)
يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ - قُمِ اللَّيْلَ إِلَّا قَلِيْلًا - نِصْفَهٗ أَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيْلًا - أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْآَنَ تَرْتِيْلًا
‘‘হে বস্ত্রাবৃত! রাত্রি জাগরণ (নামায আদায়) কর। কিছু অংশ, তার অর্ধেক কিংবা তদপেক্ষা কিছু কম অথবা তদপেক্ষা বেশি। আর কুরআন পাঠ কর ধীরে ধীরে, (থেমে থেমে সুন্দরভাবে)।’’ (সূরা মুয্যাম্মিল- ১-৪)
নবী ও সাহাবীগণ এ নামায আদায় করতেন :
إِنَّ رَبَّكَ يَعْلَمُ أَنَّكَ تَقُوْمُ أَدْنٰى مِنْ ثُلُثَيِ اللَّيْلِ وَنِصْفَهٗ وَثُلُثَهٗ وَطَائِفَةٌ مِّنَ الَّذِيْنَ مَعَكَ
‘‘তোমার প্রতিপালক তো জানেন যে, তুমি জাগরণ কর কখনো রাত্রির প্রায় দুই তৃতীয়াংশ, কখনো অর্ধাংশ এবং কখনো এক তৃতীয়াংশ এবং তোমার সাথে যারা আছে তাদের একটি দলও জাগরণ করে।’’ (সূরা মুয্যাম্মিল- ২০)
আল্লাহর নেক বান্দারা সিজদায় রাত কাটায় :
وَعِبَادُ الرَّحْمٰنِ الَّذِيْنَ يَمْشُوْنَ عَلَى الْاَرْضِ هَوْنًا وَإِذَا خَاطَبَهُمُ الْجَاهِلُوْنَ قَالُوْا سَلَامًا -- وَالَّذِيْنَ يَبِيْتُوْنَ لِرَبِّهِمْ سُجَّدًا وَّقِيَامًا
‘‘রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে তখন তারা বলে, ‘সালাম’ এবং তারা রাত্রি অতিবাহিত করে তাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সিজ্দারত হয়ে ও দন্ডায়মান অবস্থায়।’’ (সূরা ফুরকান- ৬৩, ৬৪)
আহলে কিতাবের কিছু লোকও আল্লাহর ইবাদাতে রাত কাটায় :
لَيْسُوْا سَوَاءً مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ أُمَّةٌ قَائِمَةٌ يَّتْلُوْنَ اٰيَاتِ اللهِ آَنَاءَ اللَّيْلِ وَهُمْ يَسْجُدُوْنَ
‘‘তারা সবাই সমান নয়। আহলে কিতাবদের মধ্যে একটি দল রয়েছে অটল। তারা রাতের বেলা আল্লাহর আয়াত তেলাওয়াত করে এবং সিজদা করে।’’ (সূরা আলে ইমরান- ১১৩)
শেষ রাতে ইবাদাত করা জান্নাতীদের বিশেষ বৈশিষ্ট :
إِنَّمَا يُؤْمِنُ بِاٰيَاتِنَا الَّذِيْنَ إِذَا ذُكِّرُوْا بِهَا خَرُوْا سُجَّدًا وَّسَبَّحُوا بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُوْنَ- - تَتَجَافىٰ جُنُوْبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ يَدْعُوْنَ رَبَّهُمْ خَوْفًا وَّطَمَعًا وَّمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُوْنَ -- فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّا أُخْفِيَ لَهُمْ مِّنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَاءً ۢبِمَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ
‘‘কেবল তারাই আমার নিদর্শনগুলোর প্রতি ঈমান রাখে, যাদেরকে আমার আয়াতসমূহ যখন স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখনই তারা সিজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং স্বীয় প্রতিপালকের প্রশংসা, পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, আর তারা অহংকার করে না। তাদের দেহ-পার্শ বিছানা থেকে এমনভাবে আলাদা হয়ে যায় যে, তারা তাদের প্রতিপালককে আহবান করতে থাকে ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। কেউই জানে না তাদের জন্য নয়ন জুড়ানো কী কী সামগ্রী লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানস্বরূপ?’’ (সূরা সিজদা- ১৫-১৭)
إِنَّ الْمُتَّقِيْنَ فِي جَنَّاتٍ وَّعُيُوْنٍ -- آَخِذِيْنَ مَا آَتَاهُمْ رَبُّهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوْا قَبْلَ ذٰلِكَ مُحْسِنِيْنَ - كَانُوْا قَلِيْلًا مِّنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُوْنَ - وَبِالْاَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ
‘‘সেদিন মুত্তাকীরা বাগান ও ঝর্ণার মধ্যে থাকবে। যা তাদের প্রতিপালক তাদেরকে প্রদান করবেন; তা তারা গ্রহণ করবে। নিশ্চয় তারা ইতোপূর্বে সৎকর্মপরায়ণ ছিল। তারা রাত্রির সামান্য অংশই নিদ্রাবস্থায় অতিবাহিত করত। রাত্রির শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত।’’ (সূরা যারিয়াত : ১৫-১৮)
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘‘ফরজ নামাযের পর সর্বত্তোম নামায হচ্ছে রাতের (নফল) নামায।’’(তিরমিযী হা: ৪৩৮, মুসলিম হা: ১৮৪৭)
আমর ইবনে আমবাসা (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘মহান প্রতিপালক তাঁর বান্দার সবচেয়ে নিকটবর্তী হন রাতের শেষ অংশে। কাজেই তুমি যদি সে সময়ে আল্লাহর যিকিরকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পার তবে হও।’’
(তিরমিযী হা: ৩৫৭৯, ইবনে খুযাইমা- ২/১৮২)
অন্য হাদীসে আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘‘হে মানুষেরা! তোমরা সালাম প্রচলন কর, খাদ্য প্রদান কর, আত্মীয়তা রক্ষা কর এবং মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন নামায আদায় কর, তাহলে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।’’ (তিরমিযী- ৪/৬৫১)
রাসূল ﷺ বলেছেন,
عَلَيْكُمْ بِقِيَامِ اللَّيْلِ فَإِنَّهٗ دَأْبُ الصَّالِحِيْنَ قَبْلَكُمْ وَقُرْبَةٌ إلٰى رَبِّكُمْ وَمَكْفَرَةٌ لِلسَّيِّئَاتِ وَمَنْهَاةٌ عَنِ الْإِثْمِ
‘‘তোমরা অবশ্যই তাহাজ্জুদের নামায আদায় করবে। কেননা তা তোমাদের পূর্ববর্তী সকল নেক বান্দাদের বৈশিষ্ট ছিল। আর এটা তোমাদের প্রতিপালকের নৈকট্যলাভের মাধ্যম, পাপ মোচনের সহায়ক এবং গুনাহ থেকে নিষেধকারী।’’ (তিরমিযী হা: ৩৫৪৯)
কিয়ামুল্লাইল ও তাহাজ্জুদের নামায ছাড়া অন্য কোন সুন্নাত বা নফল নামাযের কথা কুরআন মাজীদে উল্লেখ করা হয়নি। কেবল রাতের নফল নামাযের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বহুবার আলোচনা করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهٖ نَافِلَةً لَّكَ عَسٰى أَنْ يَّبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُوْدًا
‘‘রাত্রির কিছু অংশে তাহাজ্জুদ কায়েম করবে, এটা তোমার এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন প্রশংসিত স্থানে।’’ (সূরা বনী ইসরাঈল- ৭৯)
وَمِنَ اللَّيْلِ فَاسْجُدْ لَهٗ وَسَبِّحْهُ لَيْلًا طَوِيْلًا
‘‘রাতে তাঁর জন্য সিজদায় নত হও এবং রাতে দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর।’’ (সূরা দাহর- ২৬)
يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ - قُمِ اللَّيْلَ إِلَّا قَلِيْلًا - نِصْفَهٗ أَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيْلًا - أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْآَنَ تَرْتِيْلًا
‘‘হে বস্ত্রাবৃত! রাত্রি জাগরণ (নামায আদায়) কর। কিছু অংশ, তার অর্ধেক কিংবা তদপেক্ষা কিছু কম অথবা তদপেক্ষা বেশি। আর কুরআন পাঠ কর ধীরে ধীরে, (থেমে থেমে সুন্দরভাবে)।’’ (সূরা মুয্যাম্মিল- ১-৪)
নবী ও সাহাবীগণ এ নামায আদায় করতেন :
إِنَّ رَبَّكَ يَعْلَمُ أَنَّكَ تَقُوْمُ أَدْنٰى مِنْ ثُلُثَيِ اللَّيْلِ وَنِصْفَهٗ وَثُلُثَهٗ وَطَائِفَةٌ مِّنَ الَّذِيْنَ مَعَكَ
‘‘তোমার প্রতিপালক তো জানেন যে, তুমি জাগরণ কর কখনো রাত্রির প্রায় দুই তৃতীয়াংশ, কখনো অর্ধাংশ এবং কখনো এক তৃতীয়াংশ এবং তোমার সাথে যারা আছে তাদের একটি দলও জাগরণ করে।’’ (সূরা মুয্যাম্মিল- ২০)
আল্লাহর নেক বান্দারা সিজদায় রাত কাটায় :
وَعِبَادُ الرَّحْمٰنِ الَّذِيْنَ يَمْشُوْنَ عَلَى الْاَرْضِ هَوْنًا وَإِذَا خَاطَبَهُمُ الْجَاهِلُوْنَ قَالُوْا سَلَامًا -- وَالَّذِيْنَ يَبِيْتُوْنَ لِرَبِّهِمْ سُجَّدًا وَّقِيَامًا
‘‘রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে তখন তারা বলে, ‘সালাম’ এবং তারা রাত্রি অতিবাহিত করে তাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সিজ্দারত হয়ে ও দন্ডায়মান অবস্থায়।’’ (সূরা ফুরকান- ৬৩, ৬৪)
আহলে কিতাবের কিছু লোকও আল্লাহর ইবাদাতে রাত কাটায় :
لَيْسُوْا سَوَاءً مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ أُمَّةٌ قَائِمَةٌ يَّتْلُوْنَ اٰيَاتِ اللهِ آَنَاءَ اللَّيْلِ وَهُمْ يَسْجُدُوْنَ
‘‘তারা সবাই সমান নয়। আহলে কিতাবদের মধ্যে একটি দল রয়েছে অটল। তারা রাতের বেলা আল্লাহর আয়াত তেলাওয়াত করে এবং সিজদা করে।’’ (সূরা আলে ইমরান- ১১৩)
শেষ রাতে ইবাদাত করা জান্নাতীদের বিশেষ বৈশিষ্ট :
إِنَّمَا يُؤْمِنُ بِاٰيَاتِنَا الَّذِيْنَ إِذَا ذُكِّرُوْا بِهَا خَرُوْا سُجَّدًا وَّسَبَّحُوا بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُوْنَ- - تَتَجَافىٰ جُنُوْبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ يَدْعُوْنَ رَبَّهُمْ خَوْفًا وَّطَمَعًا وَّمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُوْنَ -- فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّا أُخْفِيَ لَهُمْ مِّنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَاءً ۢبِمَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ
‘‘কেবল তারাই আমার নিদর্শনগুলোর প্রতি ঈমান রাখে, যাদেরকে আমার আয়াতসমূহ যখন স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখনই তারা সিজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং স্বীয় প্রতিপালকের প্রশংসা, পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, আর তারা অহংকার করে না। তাদের দেহ-পার্শ বিছানা থেকে এমনভাবে আলাদা হয়ে যায় যে, তারা তাদের প্রতিপালককে আহবান করতে থাকে ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। কেউই জানে না তাদের জন্য নয়ন জুড়ানো কী কী সামগ্রী লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানস্বরূপ?’’ (সূরা সিজদা- ১৫-১৭)
إِنَّ الْمُتَّقِيْنَ فِي جَنَّاتٍ وَّعُيُوْنٍ -- آَخِذِيْنَ مَا آَتَاهُمْ رَبُّهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوْا قَبْلَ ذٰلِكَ مُحْسِنِيْنَ - كَانُوْا قَلِيْلًا مِّنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُوْنَ - وَبِالْاَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ
‘‘সেদিন মুত্তাকীরা বাগান ও ঝর্ণার মধ্যে থাকবে। যা তাদের প্রতিপালক তাদেরকে প্রদান করবেন; তা তারা গ্রহণ করবে। নিশ্চয় তারা ইতোপূর্বে সৎকর্মপরায়ণ ছিল। তারা রাত্রির সামান্য অংশই নিদ্রাবস্থায় অতিবাহিত করত। রাত্রির শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত।’’ (সূরা যারিয়াত : ১৫-১৮)
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘‘ফরজ নামাযের পর সর্বত্তোম নামায হচ্ছে রাতের (নফল) নামায।’’(তিরমিযী হা: ৪৩৮, মুসলিম হা: ১৮৪৭)
আমর ইবনে আমবাসা (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘মহান প্রতিপালক তাঁর বান্দার সবচেয়ে নিকটবর্তী হন রাতের শেষ অংশে। কাজেই তুমি যদি সে সময়ে আল্লাহর যিকিরকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পার তবে হও।’’
(তিরমিযী হা: ৩৫৭৯, ইবনে খুযাইমা- ২/১৮২)
অন্য হাদীসে আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘‘হে মানুষেরা! তোমরা সালাম প্রচলন কর, খাদ্য প্রদান কর, আত্মীয়তা রক্ষা কর এবং মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন নামায আদায় কর, তাহলে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।’’ (তিরমিযী- ৪/৬৫১)
রাসূল ﷺ বলেছেন,
عَلَيْكُمْ بِقِيَامِ اللَّيْلِ فَإِنَّهٗ دَأْبُ الصَّالِحِيْنَ قَبْلَكُمْ وَقُرْبَةٌ إلٰى رَبِّكُمْ وَمَكْفَرَةٌ لِلسَّيِّئَاتِ وَمَنْهَاةٌ عَنِ الْإِثْمِ
‘‘তোমরা অবশ্যই তাহাজ্জুদের নামায আদায় করবে। কেননা তা তোমাদের পূর্ববর্তী সকল নেক বান্দাদের বৈশিষ্ট ছিল। আর এটা তোমাদের প্রতিপালকের নৈকট্যলাভের মাধ্যম, পাপ মোচনের সহায়ক এবং গুনাহ থেকে নিষেধকারী।’’ (তিরমিযী হা: ৩৫৪৯)