১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭১
রাসূলের মজলিস
রাসূল ﷺ অধিকাংশ সময় দু’হাঁটু খাড়া করে হাত দিয়ে ভর করে বসতেন। তিনি বসার জন্য কোন জায়গা নির্দিষ্ট করতেন না। যেখানে তিনি বসার জায়গা পেতেন বসতেন। অধিকাংশ সময় রাসূল ﷺ কিবলার দিকে মুখ করে বসতেন। তিনি সাহাবীদের সামনে পা লম্বা করে বসতেন না। তবে জায়গা বেশি হলে ভিন্ন কথা। কেউ রাসূল ﷺ এর কাছে আগমন করলে তিনি তাকে খুব সম্মান দিতেন, এমনকি কোন সময় বসার জন্য নিজের কাপড় দিয়ে দিতেন, অথচ সে রাসূলের কোন আত্মীয় নয়। তার সামনে যারা বসতেন তাদের দিকে তিনি সমানভাবে তাকাতেন। রাসূল ﷺএর মজলিস ছিল বিনয় ও নম্রতায় পরিপূর্ণ। আর তিনি ছিলেন কোমল হৃদয়ের অধিকারী। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللهِ لِنْتَ لَهُمْ وَلَوْ كُنْتَ فَظًّا غَلِيْظَ الْقَلْبِ لَانْفَضُّوْا مِنْ حَوْلِكَ
‘‘যদি আপনি কর্কষ ও কঠোর মনের অধিকারী হতেন তবে আপনার সাথিরা আপনার কাছ থেকে সরে যেত।’’ (সূরা আলে ইমরান- ১৫৯)
রাসূল ﷺ সাহাবীদেরকে অনেক সময় কুনিয়াত দিয়ে ডাকতেন তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও মন আকৃষ্ট করার জন্য। তিনি রাগ থেকে দূরে থাকতেন এবং সকলের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করতেন। তিনি মানুষের প্রতি সবচেয়ে বেশি মমতা প্রকাশ করতেন, সবচেয়ে বেশি অন্যের মঙ্গল কামনা করতেন, অন্যের উপকারের জন্য সবসময় এগিয়ে থাকতেন। রাসূল ﷺএর মজলিসে কেউ বড় আওয়াজে কথা বলত না। যখন তিনি মজলিস থেকে উঠতেন তখন বলতেন :
سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إلٰهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়াবিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইক।
‘‘হে আল্লাহ! তোমার প্রশংসার সাথে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি আর আমি সাক্ষ্য দিচিছ যে, তুমি ছাড়া কোন মাবূদ নেই। আমি তোমার নিকট ক্ষমা চাই এবং তোমার দিকে ফিরে আসি।’’ (তিরমিযী, বায়হাকী, মেশকাত হা: ২৪৩৩)
فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللهِ لِنْتَ لَهُمْ وَلَوْ كُنْتَ فَظًّا غَلِيْظَ الْقَلْبِ لَانْفَضُّوْا مِنْ حَوْلِكَ
‘‘যদি আপনি কর্কষ ও কঠোর মনের অধিকারী হতেন তবে আপনার সাথিরা আপনার কাছ থেকে সরে যেত।’’ (সূরা আলে ইমরান- ১৫৯)
রাসূল ﷺ সাহাবীদেরকে অনেক সময় কুনিয়াত দিয়ে ডাকতেন তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও মন আকৃষ্ট করার জন্য। তিনি রাগ থেকে দূরে থাকতেন এবং সকলের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করতেন। তিনি মানুষের প্রতি সবচেয়ে বেশি মমতা প্রকাশ করতেন, সবচেয়ে বেশি অন্যের মঙ্গল কামনা করতেন, অন্যের উপকারের জন্য সবসময় এগিয়ে থাকতেন। রাসূল ﷺএর মজলিসে কেউ বড় আওয়াজে কথা বলত না। যখন তিনি মজলিস থেকে উঠতেন তখন বলতেন :
سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إلٰهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়াবিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইক।
‘‘হে আল্লাহ! তোমার প্রশংসার সাথে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি আর আমি সাক্ষ্য দিচিছ যে, তুমি ছাড়া কোন মাবূদ নেই। আমি তোমার নিকট ক্ষমা চাই এবং তোমার দিকে ফিরে আসি।’’ (তিরমিযী, বায়হাকী, মেশকাত হা: ২৪৩৩)