১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
যিকিরের আমল
যিকির আরবি শব্দ। বাংলায় এর অর্থ স্মরণ করা বা স্মরণ করানো। যে কোন প্রকারে মনে, মুখে, অন্তরে, কর্মের মাধ্যমে, চিন্তার মাধ্যমে, আদেশ পালন করে বা নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে আল্লাহর নাম, গুণাবলী, বিধি-বিধান, তার পুরস্কার ও শাস্তি ইত্যাদি স্মরণ করা বা করানোকে ইসলামের পরিভাষায় আল্লাহর যিকির বলা হয়। ব্যাপক অর্থে ঈমান ও নেককর্ম সবই যিকির বলে গণ্য।
বিশেষভাবে মুখে বারংবার আল্লাহর নাম, গুণাবলী ইত্যাদি পাঠ বা জপ করা কুরআন-হাদীস নির্দেশিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত। আল্লাহর তাকবীর, তাহলীল, প্রশংসা, গুণগান, দো‘আ, ইস্তেগফার, দরূদ ও সালাম ইত্যাদি সবই এ পর্যায়ের যিকির। মুমিন বসে, শুয়ে, হাঁটতে, চলতে ওযূসহ বা ওযূ ছাড়া সর্বাবস্থায় এ সকল যিকির করতে পারেন।
নফল ইবাদাত বহুমুখী ও অনেক আর যিকিরও এক ধরণের নফল ইবাদাত। অন্যান্য নফল ইবাদাত না করতে পারলেও সর্বক্ষণ জিহবাকে আল্লাহর যিকিরে রত রাখা অতীব জরুরি। মহান আল্লাহ বলেন-
فَاذْكُرُوْنِيْ أَذْكُرْكُمْ
‘‘তোমরা আমাকে স্মরণ কর, তাহলে আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব।’’ (সূরা বাকারা : ১৫২)
وَاذْكُرُوْا اللهَ كَثِيْرًا لَّعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
‘‘তোমরা আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।’’ (সূরা জুম‘আ : ১০)
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا اذْكُرُوْا اللهَ ذِكْراً كَثِيْرًا وَسَبِّحُوْهُ بُكْرَةً وَّ أَصِيْلاً
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর। আর সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর।’’ (সূরা আহযাব : ৪১-৪২)
আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সর্বাবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করতেন।
(মুসলিম হা: ৮৫২)
আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেন, নবী ﷺ বলেছেন, ‘‘যে লোক তার রবের যিকির করে এবং যে লোক তার রবের যিকির করে না, তাদের উদাহরণ হচ্ছে জীবিত ও মৃতের মত।’’
তবে ইমাম মুসলিমের বর্ণনায় বলা হয়েছে, ‘‘আল্লাহর যিকির যে ঘরে হয় এবং যে ঘরে হয় না তাদের উদাহরণ হচ্ছে জীবিত ও মৃতের মত।’’
(বুখারী হা: ৬৪০৭, মুসলিম হা: ৭৭৯)
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘আমার বান্দা আমার সম্বন্ধে যে রকম ধারণা করে আমি ঠিক সেরকম। সে যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার সাথে থাকি। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে আমিও মনে মনে তাকে স্মরণ করি। আর সে যদি কোন মজলিসে আমাকে স্মরণ করে তবে আমিও তার চেয়ে উত্তম মজলিসে অর্থাৎ ফেরেশ্তাদের মজলিসে তাকে স্মরণ করি। (বুখারী হা: ৭৪০৫, মুসলিম হা: ২৬৭৫)
আবদুল্লাহ ইবনে বুস্র (রাঃ) বলেন, জনৈক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য ইসলামের হুকুম-আহকাম অধিক হয়ে গেছে। কাজেই আমাকে আপনি এমন একটি বিষয় বলে দিন যেটাকে আমি শক্তভাবে আঁকড়ে ধরব। তিনি বললেন, ‘‘তোমার জিহবা যেন সর্বক্ষণ আল্লাহর যিকিরে ব্যস্ত থাকে।’’
(আল-জামি‘ হা: ৭৭০০, তিরমিযী হা: ৩৩৭৫)
বিশেষভাবে মুখে বারংবার আল্লাহর নাম, গুণাবলী ইত্যাদি পাঠ বা জপ করা কুরআন-হাদীস নির্দেশিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত। আল্লাহর তাকবীর, তাহলীল, প্রশংসা, গুণগান, দো‘আ, ইস্তেগফার, দরূদ ও সালাম ইত্যাদি সবই এ পর্যায়ের যিকির। মুমিন বসে, শুয়ে, হাঁটতে, চলতে ওযূসহ বা ওযূ ছাড়া সর্বাবস্থায় এ সকল যিকির করতে পারেন।
নফল ইবাদাত বহুমুখী ও অনেক আর যিকিরও এক ধরণের নফল ইবাদাত। অন্যান্য নফল ইবাদাত না করতে পারলেও সর্বক্ষণ জিহবাকে আল্লাহর যিকিরে রত রাখা অতীব জরুরি। মহান আল্লাহ বলেন-
فَاذْكُرُوْنِيْ أَذْكُرْكُمْ
‘‘তোমরা আমাকে স্মরণ কর, তাহলে আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব।’’ (সূরা বাকারা : ১৫২)
وَاذْكُرُوْا اللهَ كَثِيْرًا لَّعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
‘‘তোমরা আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।’’ (সূরা জুম‘আ : ১০)
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا اذْكُرُوْا اللهَ ذِكْراً كَثِيْرًا وَسَبِّحُوْهُ بُكْرَةً وَّ أَصِيْلاً
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর। আর সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর।’’ (সূরা আহযাব : ৪১-৪২)
আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সর্বাবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করতেন।
(মুসলিম হা: ৮৫২)
আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেন, নবী ﷺ বলেছেন, ‘‘যে লোক তার রবের যিকির করে এবং যে লোক তার রবের যিকির করে না, তাদের উদাহরণ হচ্ছে জীবিত ও মৃতের মত।’’
তবে ইমাম মুসলিমের বর্ণনায় বলা হয়েছে, ‘‘আল্লাহর যিকির যে ঘরে হয় এবং যে ঘরে হয় না তাদের উদাহরণ হচ্ছে জীবিত ও মৃতের মত।’’
(বুখারী হা: ৬৪০৭, মুসলিম হা: ৭৭৯)
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘আমার বান্দা আমার সম্বন্ধে যে রকম ধারণা করে আমি ঠিক সেরকম। সে যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার সাথে থাকি। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে আমিও মনে মনে তাকে স্মরণ করি। আর সে যদি কোন মজলিসে আমাকে স্মরণ করে তবে আমিও তার চেয়ে উত্তম মজলিসে অর্থাৎ ফেরেশ্তাদের মজলিসে তাকে স্মরণ করি। (বুখারী হা: ৭৪০৫, মুসলিম হা: ২৬৭৫)
আবদুল্লাহ ইবনে বুস্র (রাঃ) বলেন, জনৈক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য ইসলামের হুকুম-আহকাম অধিক হয়ে গেছে। কাজেই আমাকে আপনি এমন একটি বিষয় বলে দিন যেটাকে আমি শক্তভাবে আঁকড়ে ধরব। তিনি বললেন, ‘‘তোমার জিহবা যেন সর্বক্ষণ আল্লাহর যিকিরে ব্যস্ত থাকে।’’
(আল-জামি‘ হা: ৭৭০০, তিরমিযী হা: ৩৩৭৫)