১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
৭. গুনাহের কারণে নিজেকে শাসানো (মু‘আকাবা)
কোন ভালো কাজের অভ্যাস গড়ে তুলার জন্য কোন কোন সময় নিজের উপর শাস্তি নির্ধারণ করা যায়।
হাদীসে বর্ণিত আছে, একবার আবু জুহায়ম (রাঃ) নবী ﷺ কে একটি চাদর উপহার দেন। সেটা কারুকার্যখচিত ছিল। তিনি তা পরে নামায পড়লেন। পরে এসে আয়েশাকে বললেন- চাদরটি আবু জুহায়মকে ফিরিয়ে দাও, কারণ নামাযে আমার দৃষ্টি এর কারুকর্যের উপর পড়েছিল। এতে করে আমার নামাযে মনোনিবেশে বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।
তবে এÿÿত্রে কোন বৈধ সম্পদকে নষ্ট করা ঠিক নয়।
অপরাধ করার কারণে নিজেকে শাস্তি প্রদান করা যায়। যেমন হারাম খেয়ে থাকলে ক্ষুধা দ্বারা এর প্রতিকার করবে।
হারাম জিনিসের দিকে তাকালে চক্ষু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এর প্রতিকার করবে।
যদি অলসতার কারণে কোন আমল বাদ পড়ে যায় তবে আরো বেশি আমল করে এর প্রতিকার করবে।
আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন অনেক বান্দা ছিলেন, যারা ফরজ আমল তো দূরের কথা নফল আমলেও কোন ত্রুটি হয়ে গেলে অনেক আফসোস করতেন এবং আরো অধিক পরিমাণে নেক আমল বাড়িয়ে দিতেন। কখনো কখনো আমল ছুটে যাওয়ার কারণে নিজের উপর কিছু দুনিয়াবী শাস্তিও প্রয়োগ করতেন। এক ওয়াক্ত জামা‘আত ছুটে গেলে অনেক দিন পর্যন্ত আফসোস করতেন।
হাদীসে বর্ণিত আছে, একবার আবু জুহায়ম (রাঃ) নবী ﷺ কে একটি চাদর উপহার দেন। সেটা কারুকার্যখচিত ছিল। তিনি তা পরে নামায পড়লেন। পরে এসে আয়েশাকে বললেন- চাদরটি আবু জুহায়মকে ফিরিয়ে দাও, কারণ নামাযে আমার দৃষ্টি এর কারুকর্যের উপর পড়েছিল। এতে করে আমার নামাযে মনোনিবেশে বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।
তবে এÿÿত্রে কোন বৈধ সম্পদকে নষ্ট করা ঠিক নয়।
অপরাধ করার কারণে নিজেকে শাস্তি প্রদান করা যায়। যেমন হারাম খেয়ে থাকলে ক্ষুধা দ্বারা এর প্রতিকার করবে।
হারাম জিনিসের দিকে তাকালে চক্ষু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এর প্রতিকার করবে।
যদি অলসতার কারণে কোন আমল বাদ পড়ে যায় তবে আরো বেশি আমল করে এর প্রতিকার করবে।
আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন অনেক বান্দা ছিলেন, যারা ফরজ আমল তো দূরের কথা নফল আমলেও কোন ত্রুটি হয়ে গেলে অনেক আফসোস করতেন এবং আরো অধিক পরিমাণে নেক আমল বাড়িয়ে দিতেন। কখনো কখনো আমল ছুটে যাওয়ার কারণে নিজের উপর কিছু দুনিয়াবী শাস্তিও প্রয়োগ করতেন। এক ওয়াক্ত জামা‘আত ছুটে গেলে অনেক দিন পর্যন্ত আফসোস করতেন।