১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫
খেদমতের আমল
আল্লাহর রহমত, বরকত ও সওয়াব অর্জনের সবচেয়ে সহজ ও সংক্ষিপ্ত উপায় হল তাঁর সৃষ্টির প্রতি বিশেষ করে মানুষের প্রতি কল্যাণ ও উপকারের হাত বাড়িয়ে দেয়া। সকল জাগতিক প্রয়োজনে সাহায্য করা সমাজের মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা, অসুস্থকে দেখতে যাওয়া ও সেবা করা, বিপদে পড়লে উদ্ধার করা, মাযলূম হলে সাহায্য করা, মৃত্যুবরণ করলে জানাযায় শরীক হওয়া ইত্যাদি সকল প্রকার মানব সেবামূলক কাজ করা এবং তার বিনিময়ে অকল্পনীয় সওয়াব ও মর্যাদার কথা হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
যতক্ষণ পর্যন্ত একজন মানুষ অন্য কোন মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা তার কল্যাণে নিয়োজিত থাকবেন। আল্লাহ তা‘আলার নিকট সবচেয়ে প্রিয় নেক আমল হচ্ছে- কোন মুসলিমের হৃদয়ে আনন্দ প্রবেশ করানো, বিপদাপদে তাকে সাহায্য করা, তার কষ্ট ও উৎকণ্ঠা দূর করা, ঋণ আদায়ে তাকে সহযোগিতা করা ও তার ক্ষুধা নিবারণ করা। কেউ যদি তার ভাইয়ের অভাব মোচনের চেষ্টা করে সফল না হয় তবুও আল্লাহ তাকে সে কাজের সওয়াব দেবেন। পথের কাঁটা সরিয়ে দেয়াও ঈমানের অংশ। আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি যে দয়াশীল হয়, আল্লাহ তার প্রতি দয়ার হাত বাড়ান। মানুষের সেবা করলে আল্লাহরই সেবা করা হয়।
যতক্ষণ পর্যন্ত একজন মানুষ অন্য কোন মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা তার কল্যাণে নিয়োজিত থাকবেন। আল্লাহ তা‘আলার নিকট সবচেয়ে প্রিয় নেক আমল হচ্ছে- কোন মুসলিমের হৃদয়ে আনন্দ প্রবেশ করানো, বিপদাপদে তাকে সাহায্য করা, তার কষ্ট ও উৎকণ্ঠা দূর করা, ঋণ আদায়ে তাকে সহযোগিতা করা ও তার ক্ষুধা নিবারণ করা। কেউ যদি তার ভাইয়ের অভাব মোচনের চেষ্টা করে সফল না হয় তবুও আল্লাহ তাকে সে কাজের সওয়াব দেবেন। পথের কাঁটা সরিয়ে দেয়াও ঈমানের অংশ। আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি যে দয়াশীল হয়, আল্লাহ তার প্রতি দয়ার হাত বাড়ান। মানুষের সেবা করলে আল্লাহরই সেবা করা হয়।