১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭২
রাসূলের কথা বলা
রাসূল ﷺ সবচেয়ে বিশুদ্ধভাবে কথা বলতেন। তাঁর যবান ছিল খুবই মিষ্ট, তিনি বলতেন আমি আরবের সবচেয়ে স্পষ্টভাষী। আর জান্নাতবাসীরা রাসূল ﷺএর ভাষায় কথা বলবে। মা আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ তোমাদের ন্যায় অনর্গল কথা বলতেন না। তিনি থেমে থেমে কথা বলতেন, শ্রোতাদের বুঝার জন্য তিনি কোন কোন কথা তিন বার করেও বলতেন।
রাসূল ﷺ সংক্ষেপে কথা বলতেন। কিন্তু তাঁর সংক্ষিপ্ত কথার মধ্যে অনেক ভাব প্রকাশ পেত। এজন্য তাকে ‘জাওয়ামিউল কিলাম’ বলা হত। তিনি যতটুকু কথা বলার দরকার ঠিক ততটুকুই বলতেন। কমও বলতেন না আবার বাড়িয়েও বলতেন না। যারা শ্রবণ করত তারা সকলেই তাঁর কথা মনে রাখতে পারত। তিনি বেহুদা বা অনর্থক কথা-বার্তা থেকে বিরত থাকতেন। বেশি সময় নীরব থাকতেন, প্রয়োজন হলে কথা বলতেন। তাঁর মুখ থেকে খারাপ কোন কথা বের হত না। রাগ ও সন্তুষ্টি সকল অবস্থায় তিনি সত্য কথা বলতেন। কেউ অসঙ্গত কথা বললে তিনি সে দিকে কর্ণপাত করতেন না। রাসূল ﷺ যখন নীরব থাকতেন তখন তার সাথিরা কথা বলত, তবে তারা কথা কাটা-কাটি করত না।
রাসূল ﷺ সংক্ষেপে কথা বলতেন। কিন্তু তাঁর সংক্ষিপ্ত কথার মধ্যে অনেক ভাব প্রকাশ পেত। এজন্য তাকে ‘জাওয়ামিউল কিলাম’ বলা হত। তিনি যতটুকু কথা বলার দরকার ঠিক ততটুকুই বলতেন। কমও বলতেন না আবার বাড়িয়েও বলতেন না। যারা শ্রবণ করত তারা সকলেই তাঁর কথা মনে রাখতে পারত। তিনি বেহুদা বা অনর্থক কথা-বার্তা থেকে বিরত থাকতেন। বেশি সময় নীরব থাকতেন, প্রয়োজন হলে কথা বলতেন। তাঁর মুখ থেকে খারাপ কোন কথা বের হত না। রাগ ও সন্তুষ্টি সকল অবস্থায় তিনি সত্য কথা বলতেন। কেউ অসঙ্গত কথা বললে তিনি সে দিকে কর্ণপাত করতেন না। রাসূল ﷺ যখন নীরব থাকতেন তখন তার সাথিরা কথা বলত, তবে তারা কথা কাটা-কাটি করত না।