১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
২. ইখলাস তথা আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সামনে রাখা
কোন ব্যক্তি মুসলিম হওয়ার পরও তার কোন আমল কবুল হবে না যদি তাতে ইখলাস না থাকে।
কোন কাজ আল্লাহর দাসত্ব হিসেবে গণ্য হতে হলে কাজটি করার সময় আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অবশ্যই সর্বক্ষণ সামনে রাখতে হবে। আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন এমন কোন কাজ করলে তা অবশ্যই তাঁর দাসত্ব হিসেবে গণ্য হবে না।
মহান আল্লাহ বলেন-
قُلْ إِنَّ صَلَاتِيْ وَنُسُكِيْ وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِيْ للهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ
বল, আমার নামায, কুরবানী, জীবন ও মৃত্যু শুধুমাত্র মহাবিশ্বের রব আল্লাহর (সন্তুষ্টির) জন্য। (সূরা আনআম- ১৬২)
মহান আল্লাহ এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ আয়াতটির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, মানুষের জীবনের সকল কিছু করতে হবে তার সন্তুষ্টিকে সামনে রেখে বা তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। অর্থাৎ তিনি অসন্তুষ্ট হন এমন কোন কাজ করলে তা ইবাদাত হিসেবে গণ্য করা হবে না।
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন-
فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَ- - الَّذِيْنَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُوْنَ - الَّذِيْنَ هُمْ يُرَاءُوْنَ - وَيَمْنَعُوْنَ الْمَاعُوْنَ
‘‘ওয়াইল (নামক জাহান্নাম) সেই নামাযীদের জন্য। যারা তাদের নামাযের ব্যাপারে উদাসীন। যারা লোক দেখানোর জন্য আমল করে এবং ছোট-খাটো জিনিসও কাউকে দিতে চায় না।’’ (সূরা মাউন- ৪-৬)
অর্থাৎ যারা লোক দেখানোর জন্য নামায বা অন্যান্য আমল করে, তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম। কারণ তারা ঐ সকল কাজ করে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয় বরং মানুষকে দেখানোর জন্য। তাই তাদের ঐ সকল কাজ আল্লাহর দাসত্ব হিসেবে কবুল হবে না।
উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় সমস্ত আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি কেবলমাত্র তা-ই পায় যা সে নিয়ত করে। সুতরাং যার হিজরত হবে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের জন্য তার হিজরত আল্লাহ এবং রাসূলের জন্যই হবে। আর যার হিজরত হবে দুনিয়া অর্জনের জন্য অথবা কোন মহিলাকে বিয়ে করার জন্য, তার হিজরত সেদিকেই বর্তাবে যে উদ্দেশ্যে সে হিজরত করেছে। (বুখারী, মুসলিম)
তাই আমরা প্রত্যেকটি কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে করব। যাতে দুনিয়াতে কল্যাণ এবং আখেরাতে জান্নাতের নিয়ামত লাভ করতে পারি।
আলী (রাঃ) বলেন, তুমি যা কিছু একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কর তাই ইখলাস। আর যা কিছু অন্যের সন্তুষ্টির জন্য কর সেটাই রিয়া বা লোক দেখানো আমল।
ইব্রাহীম তাইমী (রহ:) বলতেন, ‘‘ইখলাসের আলামত হচ্ছে, অন্যায়-অপরাধ যেভাবে গোপন করে রাখা হয়, ঠিক সেভাবেই নিজের নেক আমলগুলেকে গোপন করে রাখা।’’
সুফিয়ান সাওরী (রহ:) বলতেন, ‘‘আমার যে নেক আমল জনসম্মুখে প্রকাশ হয়ে পড়ে, আমি সেটাকে আর গণনা করি না। কেননা জনসম্মুখে আমল প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পর আমাদের মত লোকের পক্ষে ইখলাস বজায় রাখা সম্ভব হয় না।’’
কোন কাজ আল্লাহর দাসত্ব হিসেবে গণ্য হতে হলে কাজটি করার সময় আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অবশ্যই সর্বক্ষণ সামনে রাখতে হবে। আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন এমন কোন কাজ করলে তা অবশ্যই তাঁর দাসত্ব হিসেবে গণ্য হবে না।
মহান আল্লাহ বলেন-
قُلْ إِنَّ صَلَاتِيْ وَنُسُكِيْ وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِيْ للهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ
বল, আমার নামায, কুরবানী, জীবন ও মৃত্যু শুধুমাত্র মহাবিশ্বের রব আল্লাহর (সন্তুষ্টির) জন্য। (সূরা আনআম- ১৬২)
মহান আল্লাহ এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ আয়াতটির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, মানুষের জীবনের সকল কিছু করতে হবে তার সন্তুষ্টিকে সামনে রেখে বা তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। অর্থাৎ তিনি অসন্তুষ্ট হন এমন কোন কাজ করলে তা ইবাদাত হিসেবে গণ্য করা হবে না।
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন-
فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَ- - الَّذِيْنَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُوْنَ - الَّذِيْنَ هُمْ يُرَاءُوْنَ - وَيَمْنَعُوْنَ الْمَاعُوْنَ
‘‘ওয়াইল (নামক জাহান্নাম) সেই নামাযীদের জন্য। যারা তাদের নামাযের ব্যাপারে উদাসীন। যারা লোক দেখানোর জন্য আমল করে এবং ছোট-খাটো জিনিসও কাউকে দিতে চায় না।’’ (সূরা মাউন- ৪-৬)
অর্থাৎ যারা লোক দেখানোর জন্য নামায বা অন্যান্য আমল করে, তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম। কারণ তারা ঐ সকল কাজ করে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয় বরং মানুষকে দেখানোর জন্য। তাই তাদের ঐ সকল কাজ আল্লাহর দাসত্ব হিসেবে কবুল হবে না।
উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় সমস্ত আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি কেবলমাত্র তা-ই পায় যা সে নিয়ত করে। সুতরাং যার হিজরত হবে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের জন্য তার হিজরত আল্লাহ এবং রাসূলের জন্যই হবে। আর যার হিজরত হবে দুনিয়া অর্জনের জন্য অথবা কোন মহিলাকে বিয়ে করার জন্য, তার হিজরত সেদিকেই বর্তাবে যে উদ্দেশ্যে সে হিজরত করেছে। (বুখারী, মুসলিম)
তাই আমরা প্রত্যেকটি কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে করব। যাতে দুনিয়াতে কল্যাণ এবং আখেরাতে জান্নাতের নিয়ামত লাভ করতে পারি।
আলী (রাঃ) বলেন, তুমি যা কিছু একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কর তাই ইখলাস। আর যা কিছু অন্যের সন্তুষ্টির জন্য কর সেটাই রিয়া বা লোক দেখানো আমল।
ইব্রাহীম তাইমী (রহ:) বলতেন, ‘‘ইখলাসের আলামত হচ্ছে, অন্যায়-অপরাধ যেভাবে গোপন করে রাখা হয়, ঠিক সেভাবেই নিজের নেক আমলগুলেকে গোপন করে রাখা।’’
সুফিয়ান সাওরী (রহ:) বলতেন, ‘‘আমার যে নেক আমল জনসম্মুখে প্রকাশ হয়ে পড়ে, আমি সেটাকে আর গণনা করি না। কেননা জনসম্মুখে আমল প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পর আমাদের মত লোকের পক্ষে ইখলাস বজায় রাখা সম্ভব হয় না।’’