১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
তাহিয়্যাতুল ওযূর নামায
দিনে বা রাতে যে কোন সময়ে ওযূ করার পরেই দু’রাকাত নামায আদায় করার অতুলনীয় ফযীলত বিভিন্ন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِبِلَالٍ عِنْدَ صَلَاةِ الْفَجْرِ يَا بِلَالُ حَدِّثْنِيْ بِأَرْجٰى عَمَلٍ عَمِلْتَهٗ فِي الْإِسْلَامِ فَإِنِّي سَمِعْتُ دَفَّ نَعْلَيْكَ بَيْنَ يَدَيَّ فِي الْجَنَّةِ - قَالَ مَا عَمِلْتُ عَمَلًا أَرْجٰى عِنْدِيْ أَنِّي لَمْ أَتَطَهَّرْ طَهُورًا فِيْ سَاعَةِ لَيْلٍ أَوْ نَهَارٍ إِلَّا صَلَّيْتُ بِذٰلِكَ الطُّهُورِ مَا كُتِبَ لِي أَنْ أُصَلِّيَ
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺএকদিন ফজরের নামাযের পর বেলাল (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, হে বেলাল! ইসলাম গ্রহণের পর তুমি এমন কী আমল করেছ যার বিনিময়ে তুমি পুরস্কৃত হওয়ার আশা রাখ? কেননা আজ রাতে আমি জান্নাতে আমার সামনে তোমার জুতার (চলাচলের) শব্দ পেয়েছি। বেলাল (রাঃ) বললেন, আমি তেমন কোন আমল করিনি যার আশা করতে পারি; তবে দিনে বা রাতে যখনই ওযূ করি তখনই যতটুকু আল্লাহ তাওফীক দেন নফল নামায আদায় করি। (বুখারী হা: ১১৪৯)
উকবা ইবনে আমির (রাঃ) এর বর্ণিত হাদীসে রাসূল ﷺ আরো বলেছেন,
مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوَضُوْءَ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ يُقْبِلُ عَلَيْهِمَا بِقَلْبِهٖ وَوَجْهِهٖ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةَ
‘‘যে ব্যক্তি সুন্দর করে ওযূ করবে এবং তার চেহারা ও অন্তর উভয়কে আল্লাহমুখী করে দু’রাকাত নামায পড়বে, তার উপর জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।’’ (নাসায়ী হা: ১৫১)
عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِىِّ أَنَّ النَّبِىَّ -صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهٗ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَا يَسْهُوْ فِيْهِمَا غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهٖ
যায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযূ করবে এবং দু‘রাকাত নামায আদায় করবে তাতে কোন ভুল-ত্রুটি করবে না তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।
(আবু দাউদ হা: ৯০৫)
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِبِلَالٍ عِنْدَ صَلَاةِ الْفَجْرِ يَا بِلَالُ حَدِّثْنِيْ بِأَرْجٰى عَمَلٍ عَمِلْتَهٗ فِي الْإِسْلَامِ فَإِنِّي سَمِعْتُ دَفَّ نَعْلَيْكَ بَيْنَ يَدَيَّ فِي الْجَنَّةِ - قَالَ مَا عَمِلْتُ عَمَلًا أَرْجٰى عِنْدِيْ أَنِّي لَمْ أَتَطَهَّرْ طَهُورًا فِيْ سَاعَةِ لَيْلٍ أَوْ نَهَارٍ إِلَّا صَلَّيْتُ بِذٰلِكَ الطُّهُورِ مَا كُتِبَ لِي أَنْ أُصَلِّيَ
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺএকদিন ফজরের নামাযের পর বেলাল (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, হে বেলাল! ইসলাম গ্রহণের পর তুমি এমন কী আমল করেছ যার বিনিময়ে তুমি পুরস্কৃত হওয়ার আশা রাখ? কেননা আজ রাতে আমি জান্নাতে আমার সামনে তোমার জুতার (চলাচলের) শব্দ পেয়েছি। বেলাল (রাঃ) বললেন, আমি তেমন কোন আমল করিনি যার আশা করতে পারি; তবে দিনে বা রাতে যখনই ওযূ করি তখনই যতটুকু আল্লাহ তাওফীক দেন নফল নামায আদায় করি। (বুখারী হা: ১১৪৯)
উকবা ইবনে আমির (রাঃ) এর বর্ণিত হাদীসে রাসূল ﷺ আরো বলেছেন,
مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوَضُوْءَ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ يُقْبِلُ عَلَيْهِمَا بِقَلْبِهٖ وَوَجْهِهٖ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةَ
‘‘যে ব্যক্তি সুন্দর করে ওযূ করবে এবং তার চেহারা ও অন্তর উভয়কে আল্লাহমুখী করে দু’রাকাত নামায পড়বে, তার উপর জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।’’ (নাসায়ী হা: ১৫১)
عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِىِّ أَنَّ النَّبِىَّ -صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهٗ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَا يَسْهُوْ فِيْهِمَا غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهٖ
যায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযূ করবে এবং দু‘রাকাত নামায আদায় করবে তাতে কোন ভুল-ত্রুটি করবে না তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।
(আবু দাউদ হা: ৯০৫)