hadith book logo

মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩০

মুমিন বেশি সালাম বিনিময় করবে

 পরস্পরের সাক্ষাতের সময় সালাম আদান-প্রদান করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। নবী করীম ﷺ এ সুন্নাতটির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছেন। এর দ্বারা পরস্পরের মধ্যে মুহাববত সৃষ্টি হয়। পরিচিত-অপরিচিত সকল মুসলমানকেই সালাম দেয়া কর্তব্য। (বুখারী)

 রাসূল ﷺ একদল শিশুর নিকট দিয়ে পথ অতিক্রম করছিলেন তখন তিনি তাদেরকে সালাম দিয়েছেন।

কাউকে সালাম দেয়ার মানে হচ্ছে তার জন্য শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা। এটা এক মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের উপর একটি হক।

আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এক মুসলিমের উপর অপর মুসলিমের ৫টি হক রয়েছে। তা হল :

১. সাক্ষাত হলে সালাম দেবে।

২. অসুস্থ হলে সেবা করবে।

৩. মৃত্যুবরণ করলে জানাযায় অংশগ্রহণ করবে।

৪. দাওয়াত দিলে কবুল করবে।

৫. হাঁচিদাতার উত্তরে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলবে। (বুখারী, মুসলিম)

খুশি মনে সালামের জবাব দেয়া সবার কর্তব্য। সালামের উত্তরে শব্দ বাড়িয়ে বলা সুন্নাত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-

وَإِذَا حُيِّيْتُمْ بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوْا بِأَحْسَنَ مِنْهَا أَوْ رُدُّوْهَا إِنَّ اللهَ كَانَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ حَسِيْبًا

‘‘কেউ যখন তোমাকে সৌজন্যমূলক সম্ভাষণ (সালাম) জানাবে, প্রতি উত্তরে তুমি তাকে তার চেয়ে উত্তম সম্ভাষণ জানাও, কিংবা অন্তত ততটুকুই জানাও। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে হিসাব গ্রহণকারী।’’ (সূরা নিসা- ৮৬)