১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
৪. আল্লাহকে উপস্থিত জেনে আমল করা (মুরাকাবা)
মুরাকাবা হচ্ছে কোন নেক আমল করার সময় সর্বদা আল্লাহর তত্ত্বাবধান ও তাঁর উপস্থিতির ধ্যান করে তা সম্পাদন করা যাতে আমলটি সহীহ ও সুন্দরভাবে আদায় হয়। আবার কোন গুনাহের চিন্তা মনে আসলে আল্লাহর উপস্থিতি ও তাঁর আযাবের কথা চিন্তা করে সে পাপ হতে বিরত থাকা।
বান্দা যে কোন কাজ করার সময় আল্লাহ তা পর্যবেক্ষণ করেন। বান্দা যখন নামাযের জন্য দাঁড়ায় এবং রুকু সিজ্দায় উঠাবসা করে তখন আল্লাহ তাকে দেখেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
اَلَّذِيْ يَرَاكَ حِيْنَ تَقُوْمُ ---. - وَتَقَلُّبَكَ فِي السَّاجِدِيْنَ
‘‘তিনি তোমাকে দেখেন যখন তুমি দন্ডায়মান হও এবং দেখেন সিজদাকারীদের সাথে তোমার উঠাবসা।’’ (সূরা শুয়ারা- ২১৮, ২১৯)
বান্দা যেখানেই থাকুকনা কেন আল্লাহ তাকে দেখেন :
وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنْتُمْ وَاللهُ بِمَا تَعْمَلُوْنَ بَصِيْرٌ
‘‘তোমরা যেখানেই থাকো না কেন তিনি (জানার দিক দিয়ে) তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা দেখেন।’’ (সূরা হাদীদ- ৪)
وَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ فَإِنَّكَ بِأَعْيُنِنَا وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ حِيْنَ تَقُوْمُ
‘‘আল্লাহ বলেন, তুমি তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের উপর ধৈর্য্যধারণ কর; তুমি আমার চোখের সামনেই রয়েছ। তুমি প্রশংসার সহিত তোমার প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর যখন তুমি শয্যা ত্যাগ কর।’’
(সূরা তুর- ৪৮)
বান্দা যে কাজই করুক, কুরআনের যে কোন অংশই পাঠ করুক, আল্লাহ তার প্রতিটি কাজকর্মর্ পর্যবেক্ষণ করেন :
وَمَا تَكُوْنُ فِيْ شَأْنٍ وَّمَا تَتْلُو مِنْهُ مِنْ قُرْآنٍ وَّلَا تَعْمَلُوْنَ مِنْ عَمَلٍ إِلَّا كُنَّا عَلَيْكُمْ شُهُوْدًا إِذْ تُفِيْضُوْنَ فِيْهِ
‘‘তুমি যে কোন অবস্থায় থাকো এবং তুমি কুরআন হতে যা কিছুই তেলাওয়াত করো এবং তোমরা যে কোন কাজই করো, আমি তোমাদের পরিদর্শক- যখন তোমরা তাতে মাশগুল হও।’’ (সূরা ইউনুস- ৬১)
রাসূল ﷺ এহসানের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন, ‘‘তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদাত কর, যেন তুমি তাকে দেখতে পাচ্ছ। আর যদি তাকে দেখতে না পাও (সেই স্তরে তুমি পৌঁছতে না পার) তবে অন্তত মনে মনে এ ধারণা রাখ যে, আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে দেখছেন।’’ (বুখারী, মুসলিম)
يَعْلَمُ خَائِنَةَ الْاَعْيُنِ وَمَا تُخْفِي الصُّدُوْرُ
‘‘চোখের খেয়ানত ও অন্তরের লুকায়িত বিষয় সম্পর্কেও আল্লাহ তা‘আলা জ্ঞান রাখেন।’’ (সূরা মু‘মিন- ১৯)
তিরমিযীর হাদীসে এসেছে রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘তুমি যেখানেই থাকনা কেন আল্লাহকে ভয় কর।’’
আবু হাফসা আবু উসমানকে বললেন, যখন তুমি ওয়াজ করতে বস তখন আগে নিজেকে নসীহত কর, মানুষের উপস্থিতি দেখে ধোঁকায় পড়ে যেও না। কারণ তারা তোমার বাহ্যিক অবস্থা দেখছে আর আল্লাহ তা‘আলা তোমার অন্তরের দিকে তাকিয়ে আছেন।
এক ব্যক্তি জুনায়েদকে বললেন, চক্ষুর হেফাযত করার জন্য আমি কিসের সাহায্য নিতে পারি? তিনি উত্তর দিলেন, কোন হারাম জিনিসের উপর তোমার দৃষ্টি পড়ার আগেই তোমার উপর তোমার রবের দৃষ্টি পড়বে এটা মাথায় রেখো।
বান্দা যে কোন কাজ করার সময় আল্লাহ তা পর্যবেক্ষণ করেন। বান্দা যখন নামাযের জন্য দাঁড়ায় এবং রুকু সিজ্দায় উঠাবসা করে তখন আল্লাহ তাকে দেখেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
اَلَّذِيْ يَرَاكَ حِيْنَ تَقُوْمُ ---. - وَتَقَلُّبَكَ فِي السَّاجِدِيْنَ
‘‘তিনি তোমাকে দেখেন যখন তুমি দন্ডায়মান হও এবং দেখেন সিজদাকারীদের সাথে তোমার উঠাবসা।’’ (সূরা শুয়ারা- ২১৮, ২১৯)
বান্দা যেখানেই থাকুকনা কেন আল্লাহ তাকে দেখেন :
وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنْتُمْ وَاللهُ بِمَا تَعْمَلُوْنَ بَصِيْرٌ
‘‘তোমরা যেখানেই থাকো না কেন তিনি (জানার দিক দিয়ে) তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা দেখেন।’’ (সূরা হাদীদ- ৪)
وَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ فَإِنَّكَ بِأَعْيُنِنَا وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ حِيْنَ تَقُوْمُ
‘‘আল্লাহ বলেন, তুমি তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের উপর ধৈর্য্যধারণ কর; তুমি আমার চোখের সামনেই রয়েছ। তুমি প্রশংসার সহিত তোমার প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর যখন তুমি শয্যা ত্যাগ কর।’’
(সূরা তুর- ৪৮)
বান্দা যে কাজই করুক, কুরআনের যে কোন অংশই পাঠ করুক, আল্লাহ তার প্রতিটি কাজকর্মর্ পর্যবেক্ষণ করেন :
وَمَا تَكُوْنُ فِيْ شَأْنٍ وَّمَا تَتْلُو مِنْهُ مِنْ قُرْآنٍ وَّلَا تَعْمَلُوْنَ مِنْ عَمَلٍ إِلَّا كُنَّا عَلَيْكُمْ شُهُوْدًا إِذْ تُفِيْضُوْنَ فِيْهِ
‘‘তুমি যে কোন অবস্থায় থাকো এবং তুমি কুরআন হতে যা কিছুই তেলাওয়াত করো এবং তোমরা যে কোন কাজই করো, আমি তোমাদের পরিদর্শক- যখন তোমরা তাতে মাশগুল হও।’’ (সূরা ইউনুস- ৬১)
রাসূল ﷺ এহসানের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন, ‘‘তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদাত কর, যেন তুমি তাকে দেখতে পাচ্ছ। আর যদি তাকে দেখতে না পাও (সেই স্তরে তুমি পৌঁছতে না পার) তবে অন্তত মনে মনে এ ধারণা রাখ যে, আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে দেখছেন।’’ (বুখারী, মুসলিম)
يَعْلَمُ خَائِنَةَ الْاَعْيُنِ وَمَا تُخْفِي الصُّدُوْرُ
‘‘চোখের খেয়ানত ও অন্তরের লুকায়িত বিষয় সম্পর্কেও আল্লাহ তা‘আলা জ্ঞান রাখেন।’’ (সূরা মু‘মিন- ১৯)
তিরমিযীর হাদীসে এসেছে রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘তুমি যেখানেই থাকনা কেন আল্লাহকে ভয় কর।’’
আবু হাফসা আবু উসমানকে বললেন, যখন তুমি ওয়াজ করতে বস তখন আগে নিজেকে নসীহত কর, মানুষের উপস্থিতি দেখে ধোঁকায় পড়ে যেও না। কারণ তারা তোমার বাহ্যিক অবস্থা দেখছে আর আল্লাহ তা‘আলা তোমার অন্তরের দিকে তাকিয়ে আছেন।
এক ব্যক্তি জুনায়েদকে বললেন, চক্ষুর হেফাযত করার জন্য আমি কিসের সাহায্য নিতে পারি? তিনি উত্তর দিলেন, কোন হারাম জিনিসের উপর তোমার দৃষ্টি পড়ার আগেই তোমার উপর তোমার রবের দৃষ্টি পড়বে এটা মাথায় রেখো।