১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৪
৮. মুজাহাদা বা প্রচেষ্টা
আমলকে পরিশুদ্ধ করতে হলে নিয়মিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং এজন্য শক্তি ব্যয় করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَالَّذِيْنَ جَاهَدُوْا فِيْنَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِيْنَ
‘‘যারা আমার উদ্দেশ্যে পরিশ্রম করে আমি তাদেরকে অবশ্যই আমার পথে পরিচালিত করব। আল্লাহ অবশ্যই সৎকর্মপরায়ণদের সঙ্গে থাকেন।’’
(সুরা আনকাবুত- ৬৯)
لِمِثْلِ هٰذَا فَلْيَعْمَلِ الْعَامِلُوْنَ
‘‘এরূপ সফলতার জন্যই আমলকারীদের আমল করা উচিত।’’ (সুরা সাফফাত- ৬১)
رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا فَاعْبُدْهُ وَاصْطَبِرْ لِعِبَادَتِهٖ هَلْ تَعْلَمُ لَهٗ سَمِيًّا
‘‘তিনি আসমান-যমীন ও এর মধ্যবর্তী যা কিছু আছে তার প্রতিপালক। সুতরাং তোমরা তাঁরই ইবাদাত করো এবং তাঁর ইবাদাতে ধৈর্যশীল হও। তুমি কি তাঁর সমগুণ সম্পন্ন কাউকেও জান?’’ (সুরা মারিয়াম- ৬৫)
عَنْ الْمُغِيْرَةِ رَضِىَ الله عَنْهُ يَقُوْلُ : إِنْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ لَيَقُوْمُ أوْ لَيُصَلِّيَ حَتّٰى تَرِمَ قَدَمَاهُ أَوْ سَاقَاهُ : فَيُقَالُ لَهٗ فَيَقُوْلُ : " أَفَلَا أَكُوْنُ عَبْدًا شَكُوْرًا "
মুগীরা ইবনে শুবা (রাঃ) বলেন, নবী ﷺ রাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর ফলে (অথবা) নামায পড়ার কারণে তাঁর পদদ্বয় অথবা পায়ের গোছাদ্বয় ফুলে যেত। তাঁকে প্রশ্ন করা হল (আপনি এত দীর্ঘক্ষণ কেন নামাযে দাঁড়িয়ে থাকেন?) তিনি বললেন, আমি কি আল্লাহর একজন শুকরিয়া আদায়কারী বান্দা হব না? (বুখারী হা: ১১৩০)
সুতরাং আমাদের কর্তব্য হচ্ছে নিয়মিত নেক আমল করে যাওয়া এবং সকল গুনাহ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা। তারপরও কোন গুনাহ হয়ে গেলে সাথে সাথে তওবা করে আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়া।
وَالَّذِيْنَ جَاهَدُوْا فِيْنَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِيْنَ
‘‘যারা আমার উদ্দেশ্যে পরিশ্রম করে আমি তাদেরকে অবশ্যই আমার পথে পরিচালিত করব। আল্লাহ অবশ্যই সৎকর্মপরায়ণদের সঙ্গে থাকেন।’’
(সুরা আনকাবুত- ৬৯)
لِمِثْلِ هٰذَا فَلْيَعْمَلِ الْعَامِلُوْنَ
‘‘এরূপ সফলতার জন্যই আমলকারীদের আমল করা উচিত।’’ (সুরা সাফফাত- ৬১)
رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا فَاعْبُدْهُ وَاصْطَبِرْ لِعِبَادَتِهٖ هَلْ تَعْلَمُ لَهٗ سَمِيًّا
‘‘তিনি আসমান-যমীন ও এর মধ্যবর্তী যা কিছু আছে তার প্রতিপালক। সুতরাং তোমরা তাঁরই ইবাদাত করো এবং তাঁর ইবাদাতে ধৈর্যশীল হও। তুমি কি তাঁর সমগুণ সম্পন্ন কাউকেও জান?’’ (সুরা মারিয়াম- ৬৫)
عَنْ الْمُغِيْرَةِ رَضِىَ الله عَنْهُ يَقُوْلُ : إِنْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ لَيَقُوْمُ أوْ لَيُصَلِّيَ حَتّٰى تَرِمَ قَدَمَاهُ أَوْ سَاقَاهُ : فَيُقَالُ لَهٗ فَيَقُوْلُ : " أَفَلَا أَكُوْنُ عَبْدًا شَكُوْرًا "
মুগীরা ইবনে শুবা (রাঃ) বলেন, নবী ﷺ রাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর ফলে (অথবা) নামায পড়ার কারণে তাঁর পদদ্বয় অথবা পায়ের গোছাদ্বয় ফুলে যেত। তাঁকে প্রশ্ন করা হল (আপনি এত দীর্ঘক্ষণ কেন নামাযে দাঁড়িয়ে থাকেন?) তিনি বললেন, আমি কি আল্লাহর একজন শুকরিয়া আদায়কারী বান্দা হব না? (বুখারী হা: ১১৩০)
সুতরাং আমাদের কর্তব্য হচ্ছে নিয়মিত নেক আমল করে যাওয়া এবং সকল গুনাহ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা। তারপরও কোন গুনাহ হয়ে গেলে সাথে সাথে তওবা করে আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়া।