১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
মুমিনের পোশাক
মুমিন বান্দা শালীন পোশাক পরিধান করবে। পোশাক পরিধানে অহংকার প্রকাশ করবে না। অহংকার প্রকাশের লক্ষ্যে নামী-দামী পোশাক পরা আবার ফকির সাজার লক্ষ্যে নিম্নমানের পোশাক পরা উভয়টিই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিজাতির অনুসরণে পোশাক পরিধান করবে না। এত পাতলা পোশাক পরবে না যাতে শরীরের অঙ্গ স্পষ্ট দেখা যায়। আবার এত টাইট পোশাকও পরিধান করবে না যাতে শরীরের ভাঁজ ফুটে উঠে এবং বসতে ও নামায পড়তে কষ্ট হয়। টাখনুর নিচে পোশাক পরবে না।
মুমিনা মহিলারাও শালীন পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যবহার করবে। মাথায় স্কার্ফ ও ওড়না ব্যবহার করবে। এমনভাবে সাজসজ্জা করবে না যাতে দুস্কৃতিকারীদের কবলে পড়তে হয়। হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী ﷺ বলেছেন, ‘‘মহিলাদের পর্দা করা কর্তব্য। কোন মেয়েলোক যখন বেপর্দা হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে তখন শয়তান তাকে কাবু করে নেয়।’’ (তিরমিযী)
‘‘মুমিন পুরুষরা তাদের দৃষ্টি নিম্নগামী রাখবে এবং নিজ নিজ যৌনাঙ্গের হেফাযত করবে; মুমিন নারীরাও তাদের দৃষ্টি নিম্নগামী রাখবে এবং নিজ নিজ যৌনাঙ্গের হেফাযত করে।’’ (সূরা নূর- ৩১)
মুমিনা মহিলারাও শালীন পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যবহার করবে। মাথায় স্কার্ফ ও ওড়না ব্যবহার করবে। এমনভাবে সাজসজ্জা করবে না যাতে দুস্কৃতিকারীদের কবলে পড়তে হয়। হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী ﷺ বলেছেন, ‘‘মহিলাদের পর্দা করা কর্তব্য। কোন মেয়েলোক যখন বেপর্দা হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে তখন শয়তান তাকে কাবু করে নেয়।’’ (তিরমিযী)
‘‘মুমিন পুরুষরা তাদের দৃষ্টি নিম্নগামী রাখবে এবং নিজ নিজ যৌনাঙ্গের হেফাযত করবে; মুমিন নারীরাও তাদের দৃষ্টি নিম্নগামী রাখবে এবং নিজ নিজ যৌনাঙ্গের হেফাযত করে।’’ (সূরা নূর- ৩১)