১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করার ফযীলত
যদি চোখের পানি ফেলে বান্দা আল্লাহর কাছে কিছু চায়, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তার দিকে মনোযোগ দেন। বান্দা যখন তার কোন প্রয়োজন পূরণের জন্য অথবা বিপদ থেকে মুক্তি লাভের জন্য কান্নাকাটি করে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে, তখন আল্লাহর রহমত তার দিকে অগ্রসর হয়। নবী ﷺ এবং সাহাবীগণ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে কান্না করতেন।
ইবনে মাসউদ (রাঃ) কে নবী ﷺ বললেন, আমাকে কুরআন পড়ে শোনাও। আমি বললাম, আপনাকে কুরআন শোনাবো? অথচ আপনার উপর কুরআন নাযিল হয়েছে। তখন রাসূল ﷺ বললেন, অন্যের কাছ থেকে কুরআন শুনতে আমি পছন্দ করি। অতঃপর আমি সূরা নিসা পাঠ করে তাঁকে শুনাতে থাকলাম। যখন আমি এ আয়াতে পৌঁছলাম-
فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ بِشَهِيْدٍ وَجِئْنَا بِكَ عَلٰى هٰؤُلَاءِ شَهِيْدًا
‘‘যখন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী নিয়ে আসব। আর আপনাকে তাদের সকলের উপর সাক্ষী হিসেবে দাঁড় করাব তখন কী অবস্থা হবে?’’(সূরা নিসা- ৪১)
তখন রাসূল ﷺ বললেন, যথেষ্ট হয়েছে। আর আমি তাকিয়ে দেখলাম যে, রাসূল ﷺএর চোখ দিয়ে পানি ঝরছে। (বুখারী হা: ৪৩০৬, মুসলিম হা: ১৯০৩)
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘সে ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না- যে আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, যেভাবে সম্ভব নয় দুধকে তার স্তনে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়া। আর আল্লাহর রাস্তার ধূলা এবং জাহান্নামের ধূয়া কখন একত্রিত হবে না।’’
(তিরমিযী)
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ছায়ায় স্থান দেবেন যেদিন তার ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না। তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি হচ্ছে, যে নির্জনে আল্লাহ তা‘আলাকে স্মরণ করে এবং তার দু‘চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়।’’ (মুসলিম হা: ২৪২৭)
পাপের জন্য ক্রন্দন করার মধ্যে নাজাত নিহিত :
উকবা ইবনে আমের (রাঃ) বলেন, আমি একদা রাসূল ﷺ কে বললাম, নাজাতের পথ কী? তিনি বললেন, ‘‘তুমি তোমার জিহবাকে আয়ত্তে রাখবে, যেন তা তোমার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার সুযোগ না পায়, তোমার অবস্থান যেন তোমার গৃহে থাকে এবং তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করতে থাক।’’ (আহমাদ ও তিরমিযী)
উকবা ইবনে আমের (রাঃ) রাসূল ﷺ এর নিকট নাজাত প্রদানকারী বস্তুসমূহ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি তিনটি নসীহত প্রদান করেছিলেন। এদের প্রত্যেকটিই মহামূল্যবান। তৃতীয় নসীহতে বলা হয়েছে যে, তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করবে, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নসীহত। পাপ সংঘটিত হলে কান্নাকাটি করা এটা লজ্জা ও পেরেশানীর কারণে হয়ে থাকে; আর লজ্জা তওবার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, সে পাপের দরুন কান্নাকাটি করে এবং কাঁদতে কাঁদতে তা মার্জনা করানোর চেষ্টা করে। আল্লাহ তা‘আলাকে ভয় করা এবং তাঁর ভয়ে ক্রন্দন করা এটা আল্লাহ তা‘আলার নিকট অত্যন্ত মূল্যবান বিষয়।
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘‘দু’টি চক্ষু এমন যে, তাদেরকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। একটি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা‘আলার ভয়ে ক্রন্দন করেছে এবং দ্বিতীয়টি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা‘আলার রাস্তায় পাহারা দিয়ে রাত্রি অতিবাহিত করেছে।’’ (তিরমিযী)
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘‘যদি কোন মুমিন বান্দার চক্ষুদ্বয় হতে আল্লাহর ভয়ে অশ্রু নির্গত হয় তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেবেন।’’
(ইবনে মাজাহ ও বায়হাকী)
ইবনে মাসউদ (রাঃ) কে নবী ﷺ বললেন, আমাকে কুরআন পড়ে শোনাও। আমি বললাম, আপনাকে কুরআন শোনাবো? অথচ আপনার উপর কুরআন নাযিল হয়েছে। তখন রাসূল ﷺ বললেন, অন্যের কাছ থেকে কুরআন শুনতে আমি পছন্দ করি। অতঃপর আমি সূরা নিসা পাঠ করে তাঁকে শুনাতে থাকলাম। যখন আমি এ আয়াতে পৌঁছলাম-
فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ بِشَهِيْدٍ وَجِئْنَا بِكَ عَلٰى هٰؤُلَاءِ شَهِيْدًا
‘‘যখন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী নিয়ে আসব। আর আপনাকে তাদের সকলের উপর সাক্ষী হিসেবে দাঁড় করাব তখন কী অবস্থা হবে?’’(সূরা নিসা- ৪১)
তখন রাসূল ﷺ বললেন, যথেষ্ট হয়েছে। আর আমি তাকিয়ে দেখলাম যে, রাসূল ﷺএর চোখ দিয়ে পানি ঝরছে। (বুখারী হা: ৪৩০৬, মুসলিম হা: ১৯০৩)
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘সে ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না- যে আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, যেভাবে সম্ভব নয় দুধকে তার স্তনে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়া। আর আল্লাহর রাস্তার ধূলা এবং জাহান্নামের ধূয়া কখন একত্রিত হবে না।’’
(তিরমিযী)
রাসূল ﷺ বলেন, ‘‘সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ছায়ায় স্থান দেবেন যেদিন তার ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না। তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি হচ্ছে, যে নির্জনে আল্লাহ তা‘আলাকে স্মরণ করে এবং তার দু‘চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়।’’ (মুসলিম হা: ২৪২৭)
পাপের জন্য ক্রন্দন করার মধ্যে নাজাত নিহিত :
উকবা ইবনে আমের (রাঃ) বলেন, আমি একদা রাসূল ﷺ কে বললাম, নাজাতের পথ কী? তিনি বললেন, ‘‘তুমি তোমার জিহবাকে আয়ত্তে রাখবে, যেন তা তোমার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার সুযোগ না পায়, তোমার অবস্থান যেন তোমার গৃহে থাকে এবং তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করতে থাক।’’ (আহমাদ ও তিরমিযী)
উকবা ইবনে আমের (রাঃ) রাসূল ﷺ এর নিকট নাজাত প্রদানকারী বস্তুসমূহ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি তিনটি নসীহত প্রদান করেছিলেন। এদের প্রত্যেকটিই মহামূল্যবান। তৃতীয় নসীহতে বলা হয়েছে যে, তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করবে, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নসীহত। পাপ সংঘটিত হলে কান্নাকাটি করা এটা লজ্জা ও পেরেশানীর কারণে হয়ে থাকে; আর লজ্জা তওবার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, সে পাপের দরুন কান্নাকাটি করে এবং কাঁদতে কাঁদতে তা মার্জনা করানোর চেষ্টা করে। আল্লাহ তা‘আলাকে ভয় করা এবং তাঁর ভয়ে ক্রন্দন করা এটা আল্লাহ তা‘আলার নিকট অত্যন্ত মূল্যবান বিষয়।
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘‘দু’টি চক্ষু এমন যে, তাদেরকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। একটি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা‘আলার ভয়ে ক্রন্দন করেছে এবং দ্বিতীয়টি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা‘আলার রাস্তায় পাহারা দিয়ে রাত্রি অতিবাহিত করেছে।’’ (তিরমিযী)
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘‘যদি কোন মুমিন বান্দার চক্ষুদ্বয় হতে আল্লাহর ভয়ে অশ্রু নির্গত হয় তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেবেন।’’
(ইবনে মাজাহ ও বায়হাকী)