১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৯
৩. নিয়মিত আমল করা (মুদাওয়ামাত)
প্রতিটি ইবাদাত তার নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী হওয়া উচিত। তাছাড়া এক ইবাদাতের সময় অন্য ইবাদাতে মশগুল থাকাও সমীচিন নয়।
যে কোন আমল ফরজ হোক বা নফল হোক নিয়মিত করতে হবে, যে আমল নিয়মিত করা হয় না, সে আমলের কোন গুরুত্ব থাকে না।
বালেগ হওয়ার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত টানা আমল করে যেতে হবে এটাই আল্লাহর নির্দেশ।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَأْتِيَكَ الْيَقِيْنُ
‘‘তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যমত্ম তুমি তোমার প্রতিপালকের ইবাদাত কর।’’ (সূরা হিজর- ৯৯)
যদি কেউ নামায এক ওয়াক্ত পড়লে আরেক ওয়াক্ত পড়ে না তবে ঐ নামায সুফল বয়ে আনবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
اَلَّذِيْنَ هُمْ عَلٰى صَلَاتِهِمْ دَائِمُوْنَ
‘‘যারা তাদের নামাযে সদা নিয়মানুবর্তিতা অবলম্বনকারী।’’ (সূরা মা‘আরিজ- ২৩)
যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদের নামায শুরু করে ছেড়ে দেয় তার সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন-
" يَا عَبْدَ اللهِ، لَا تَكُنْ مِّثْلَ فُلَانٍ، كَانَ يَقُوْمُ اللَّيْلَ فَتَرَكَ قِيَامَ اللَّيْلِ
‘‘হে আবদুল্লাহ! তুমি অমুক লোকের মত হয়ো না, যে রাত জেগে ইবাদাত করত, পরে রাত জেগে ইবাদাত করা বাদ দিয়েছে।’’ (বুখারী হা: ১১৫২)
স্থায়ী আমল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় :
রাসূল ﷺ বলেছেন-
أَحَبُّ الْاَعْمَالِ إِلَى اللهِ تَعَالٰى أَدْوَمُهَا وَإِنْ قَلَّ
‘‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল তা-ই যা কোন ব্যক্তি সর্বদা পালন করে থাকে যদিও তা পরিমাণে কম হয়।’’ (মুসলিম হা: ১৮৬৬)
রাসূল ﷺ যে আমলই করতেন তা নিয়মিত করতেন। সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে রাসূল ﷺ কোন কারণে রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে না পারলে দিনের বেলায় ১২ রাকাত নামায পড়ে নিতেন, তাও ঐ আমল ছাড়তেন না।
উমর (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে তার রাতের নির্ধারিত আমল বা তার কিছু অংশ আদায় করতে পারবে না, সে যেন ফজরের পর থেকে জোহর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তা পূর্ণ করে। তাহলে সে তা রাতে আদায় করার সমান সওয়াব পেয়ে যাবে।’’ (মুসলিম)
বান্দার প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ :
কোন রোগ অথবা সফরের কারণে যদি বান্দা সময়মত কোন আমল করতে না পারে, তাহলে তাকে ঐ আমলের সওয়াব থেকে বঞ্চিত করা হয় না।
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ: إِذَا مَرِضَ الْعَبْدُ أَوْ سَافَرَ كُتِبَ لَهٗ مِثْلُ مَا كَانَ يَعْمَلُ مُقِيْمًا صَحِيْحًا
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘‘বান্দা কোন সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে অথবা সফরে বের হলে তার জন্য ততটুকু আমলের সওয়াব নির্দিষ্ট করা হয় যতটুকু আমল সুস্থ এবং বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে সে করে থাকে।’’ (বুখারী হা: ২৯৯৬)
বান্দার প্রতি আল্লাহর কত যে অনুগ্রহ ও দয়া আছে তা ভাবতেও অবাক লাগে। বান্দা নিয়মিত কোন আমল করে যায়, কিন্তু অসুস্থতা বা সফরের কারণে সে তা করতে পারে না, আল্লাহ তা‘আলা নিজের পক্ষ থেকে ঐ বান্দার আমলনামায় ঐ দিনের আমলের সওয়াবটা পূর্ণ করে দেন। আল্লাহু আকবার- সুবহানাল্লাহ!
যে কোন আমল ফরজ হোক বা নফল হোক নিয়মিত করতে হবে, যে আমল নিয়মিত করা হয় না, সে আমলের কোন গুরুত্ব থাকে না।
বালেগ হওয়ার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত টানা আমল করে যেতে হবে এটাই আল্লাহর নির্দেশ।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَأْتِيَكَ الْيَقِيْنُ
‘‘তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যমত্ম তুমি তোমার প্রতিপালকের ইবাদাত কর।’’ (সূরা হিজর- ৯৯)
যদি কেউ নামায এক ওয়াক্ত পড়লে আরেক ওয়াক্ত পড়ে না তবে ঐ নামায সুফল বয়ে আনবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
اَلَّذِيْنَ هُمْ عَلٰى صَلَاتِهِمْ دَائِمُوْنَ
‘‘যারা তাদের নামাযে সদা নিয়মানুবর্তিতা অবলম্বনকারী।’’ (সূরা মা‘আরিজ- ২৩)
যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদের নামায শুরু করে ছেড়ে দেয় তার সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন-
" يَا عَبْدَ اللهِ، لَا تَكُنْ مِّثْلَ فُلَانٍ، كَانَ يَقُوْمُ اللَّيْلَ فَتَرَكَ قِيَامَ اللَّيْلِ
‘‘হে আবদুল্লাহ! তুমি অমুক লোকের মত হয়ো না, যে রাত জেগে ইবাদাত করত, পরে রাত জেগে ইবাদাত করা বাদ দিয়েছে।’’ (বুখারী হা: ১১৫২)
স্থায়ী আমল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় :
রাসূল ﷺ বলেছেন-
أَحَبُّ الْاَعْمَالِ إِلَى اللهِ تَعَالٰى أَدْوَمُهَا وَإِنْ قَلَّ
‘‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল তা-ই যা কোন ব্যক্তি সর্বদা পালন করে থাকে যদিও তা পরিমাণে কম হয়।’’ (মুসলিম হা: ১৮৬৬)
রাসূল ﷺ যে আমলই করতেন তা নিয়মিত করতেন। সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে রাসূল ﷺ কোন কারণে রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে না পারলে দিনের বেলায় ১২ রাকাত নামায পড়ে নিতেন, তাও ঐ আমল ছাড়তেন না।
উমর (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে তার রাতের নির্ধারিত আমল বা তার কিছু অংশ আদায় করতে পারবে না, সে যেন ফজরের পর থেকে জোহর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তা পূর্ণ করে। তাহলে সে তা রাতে আদায় করার সমান সওয়াব পেয়ে যাবে।’’ (মুসলিম)
বান্দার প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ :
কোন রোগ অথবা সফরের কারণে যদি বান্দা সময়মত কোন আমল করতে না পারে, তাহলে তাকে ঐ আমলের সওয়াব থেকে বঞ্চিত করা হয় না।
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ: إِذَا مَرِضَ الْعَبْدُ أَوْ سَافَرَ كُتِبَ لَهٗ مِثْلُ مَا كَانَ يَعْمَلُ مُقِيْمًا صَحِيْحًا
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘‘বান্দা কোন সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে অথবা সফরে বের হলে তার জন্য ততটুকু আমলের সওয়াব নির্দিষ্ট করা হয় যতটুকু আমল সুস্থ এবং বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে সে করে থাকে।’’ (বুখারী হা: ২৯৯৬)
বান্দার প্রতি আল্লাহর কত যে অনুগ্রহ ও দয়া আছে তা ভাবতেও অবাক লাগে। বান্দা নিয়মিত কোন আমল করে যায়, কিন্তু অসুস্থতা বা সফরের কারণে সে তা করতে পারে না, আল্লাহ তা‘আলা নিজের পক্ষ থেকে ঐ বান্দার আমলনামায় ঐ দিনের আমলের সওয়াবটা পূর্ণ করে দেন। আল্লাহু আকবার- সুবহানাল্লাহ!