১
মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
তাহাজ্জুদ ও অন্যান্য নফল নামায পড়ার নিয়ম
ফরজ নামায ব্যতীত অন্যান্য (ওয়াজিব, সুন্নাত, নফল) নামায প্রতি রাকাতে সূরা-ফাতিহা পড়ার পর যে কোন সূরা বা সূরার অংশবিশেষ পড়া ওয়াজিব। নফল নামাযের জন্য কোন সূরা নির্দিষ্ট নেই। কুরআন মাজীদের যে স্থান থেকে পড়া নামাযী ব্যক্তি নিজের জন্য সহজ মনে করবে সেখান থেকে পড়বে।
নফল নামায দুই রাকাত করে পড়া উত্তম :
দিনে অথবা রাতে নফল নামায এক সালামে দুই রাকাত করে পড়াই উত্তম, যদিও চার রাকাত, এমনকি আট রাকাতও এক সালামে পড়া যায়।
ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, নবী ﷺ বলেন, ‘‘রাতের ও দিনের নফল নামায দুই রাকাত করে পড়তে হয়।’’ (সুনান আবু দাউদ হা: ১২৯৫)
নবী ﷺ তাহাজ্জুদের নামায ধীরস্থিরভাবে পড়তেন :
আয়েশা (রাঃ) আবু সালামা (রাঃ) কে বললেন, রাসূল ﷺ (তাহাজ্জুদের) চার রাকাত নামায পড়তেন। তুমি সেগুলোর সৌন্দর্য ও দৈর্ঘ্য সম্পর্কে আর জিজ্ঞেস করো না। তারপর তিনি চার রাকাত নামায পড়তেন। তুমি সেগুলোর সৌন্দর্য ও দৌর্ঘ্য সম্পর্কে আর জিজ্ঞেস করো না। (বুখারী হা: ১১৪৭)
নফল নামায দুই রাকাত করে পড়া উত্তম :
দিনে অথবা রাতে নফল নামায এক সালামে দুই রাকাত করে পড়াই উত্তম, যদিও চার রাকাত, এমনকি আট রাকাতও এক সালামে পড়া যায়।
ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, নবী ﷺ বলেন, ‘‘রাতের ও দিনের নফল নামায দুই রাকাত করে পড়তে হয়।’’ (সুনান আবু দাউদ হা: ১২৯৫)
নবী ﷺ তাহাজ্জুদের নামায ধীরস্থিরভাবে পড়তেন :
আয়েশা (রাঃ) আবু সালামা (রাঃ) কে বললেন, রাসূল ﷺ (তাহাজ্জুদের) চার রাকাত নামায পড়তেন। তুমি সেগুলোর সৌন্দর্য ও দৈর্ঘ্য সম্পর্কে আর জিজ্ঞেস করো না। তারপর তিনি চার রাকাত নামায পড়তেন। তুমি সেগুলোর সৌন্দর্য ও দৌর্ঘ্য সম্পর্কে আর জিজ্ঞেস করো না। (বুখারী হা: ১১৪৭)