১
শিক্ষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৮
চরিত্র ও আল্লাহ প্রেম
ভালবাসা মানুষের প্রতি আল্লাহ তা’আলার একটি মূল্যবান অবদান। বিশেষ করে আল্লাহর ভালবাসা একটি অতিবড় সম্পদ, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এই মহামূল্য সম্পদ অর্জনের উপায় কি?
যে সব উপায়ে এই মহামূল্য সম্পদ লাভ করা যেতে পারে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল শুভ চরিত্র। আর যেসব কারণে এই মহামূল্য সম্পদ অপহৃত হয় তন্মধ্যে চরিত্রহীনতা ও অসদাচরণ অন্যতম।
কুরআনের দৃষ্টিতে নিম্নোদ্দৃত নৈতিক গুণাবলীর মাধ্যমে আল্লাহর প্রেম ও ভালবাসা অর্জিত হতে পারেঃ
১. দয়া ও অনুগ্রহ। বলা হয়েছেঃ
‘‘দয়া-অনুগ্রহকারীদেরকে আল্লাহ তা’আলা ভালবাসেন।’’
২. সুবিচার ও ন্যায়পরতাঃ
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবিচার ও ইনসাফকারী লোকদেরকে ভালবাসেন।’’
৩. নৈতিক ও দৈহিক পবিত্রতা বা নিষ্কলুষতাঃ
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্রতা রক্ষাকারী ও পরিচ্ছন্নতা অবলম্বনকারী লোকদেরকে ভালবাসেন।’’
নিম্নোদ্ধৃত বিষয়গুলো আল্লাহর ভালবাসা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করেঃ
১. আল্লাহর নির্ধারিত সীমালঙ্ঘনঃ
‘‘আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে ভালবাসেন না।’’
২. বিশ্বাসঘাতকতা ও আমানতে খিয়ানত করাঃ
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ খিয়ানতকারীদেরকে ভালবাসেন না।’’
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা এমন ব্যক্তিকে পসন্দ করেন না, যে বেশী খিয়ানতকারী ও পাপিষ্ঠ।
৩. বিপর্যয় ও অশান্তি সৃষ্টি করাঃ
‘‘অশান্তি ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদেরকে আল্লাহ ভালবাসেন না।’’
৪. উচ্ছৃংখলতা, অপব্যয় ও বাড়াবাড়ি করাঃ
‘‘আল্লাহ বাড়াবাড়ি, উচ্ছৃংখলতা ও অপব্যয়কারীদেরকে পসন্দ করেন না।’’
৫. অহংকার ও আত্মম্ভরিতাঃ
‘‘কোন অহংকারী ও দাম্ভিক লোককে আল্লাহ ভালবাসেন না।
যে সব উপায়ে এই মহামূল্য সম্পদ লাভ করা যেতে পারে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল শুভ চরিত্র। আর যেসব কারণে এই মহামূল্য সম্পদ অপহৃত হয় তন্মধ্যে চরিত্রহীনতা ও অসদাচরণ অন্যতম।
কুরআনের দৃষ্টিতে নিম্নোদ্দৃত নৈতিক গুণাবলীর মাধ্যমে আল্লাহর প্রেম ও ভালবাসা অর্জিত হতে পারেঃ
১. দয়া ও অনুগ্রহ। বলা হয়েছেঃ
‘‘দয়া-অনুগ্রহকারীদেরকে আল্লাহ তা’আলা ভালবাসেন।’’
২. সুবিচার ও ন্যায়পরতাঃ
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবিচার ও ইনসাফকারী লোকদেরকে ভালবাসেন।’’
৩. নৈতিক ও দৈহিক পবিত্রতা বা নিষ্কলুষতাঃ
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্রতা রক্ষাকারী ও পরিচ্ছন্নতা অবলম্বনকারী লোকদেরকে ভালবাসেন।’’
নিম্নোদ্ধৃত বিষয়গুলো আল্লাহর ভালবাসা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করেঃ
১. আল্লাহর নির্ধারিত সীমালঙ্ঘনঃ
‘‘আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে ভালবাসেন না।’’
২. বিশ্বাসঘাতকতা ও আমানতে খিয়ানত করাঃ
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ খিয়ানতকারীদেরকে ভালবাসেন না।’’
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা এমন ব্যক্তিকে পসন্দ করেন না, যে বেশী খিয়ানতকারী ও পাপিষ্ঠ।
৩. বিপর্যয় ও অশান্তি সৃষ্টি করাঃ
‘‘অশান্তি ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদেরকে আল্লাহ ভালবাসেন না।’’
৪. উচ্ছৃংখলতা, অপব্যয় ও বাড়াবাড়ি করাঃ
‘‘আল্লাহ বাড়াবাড়ি, উচ্ছৃংখলতা ও অপব্যয়কারীদেরকে পসন্দ করেন না।’’
৫. অহংকার ও আত্মম্ভরিতাঃ
‘‘কোন অহংকারী ও দাম্ভিক লোককে আল্লাহ ভালবাসেন না।