১
শিক্ষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
ন্যায়পরায়ণতামূলক ধন–বণ্টন ব্যবস্থা
وَالَّذِينَ يَكْنِزُونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَبَشِّرْهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٍ – يَوْمَ يُحْمَىٰ عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوَىٰ بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوبُهُمْ وَظُهُورُهُمْ ۖ هَٰذَا مَا كَنَزْتُمْ لِأَنفُسِكُمْ فَذُوقُوا مَا كُنتُمْ تَكْنِزُونَ
‘‘আর যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য (অর্থাৎ সম্পদ) সঞ্চিত করে রাখে, তা আল্লাহর পথে ব্যয় করেনা, তাদেরকে সুসংবাদ দাও পীড়াদায়ক আযাবের। একদিন এইসব স্বর্ণ ও রৌপ্য জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করা হবে এবং তা দিয়ে চিহ্ন দেয়া হবে তাদের কপাল, পার্শ্বদেশ ও পিঠে। বলা হবে, তোমরা নিজেদের জন্যে যে সম্পদ সঞ্চয় করেছিলে এ হচ্ছে তা-ই। অতএব এখন তোমরা তোমাদের সঞ্চয়ের স্বাদ আস্বাদন কর।’’ (আত–তাওবাঃ ৩৪–৩৫)
وَفِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِّلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
‘‘তাদের ধন-সম্পদে অভাবগ্রস্থ ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।’’ (সূরা যারিয়াতঃ ১৯)
وَالَّذِينَ فِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ – لِّلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
‘‘আর যাদের ধন-সম্পদে একটা সুনির্দিষ্ট হক্ রয়েছে অভাবগ্রস্থ ও বঞ্চিতদের জন্যে।’’ (সূরা মা’আরিজঃ ২৪–২৫)
وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا
‘‘আল্লাহ ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্রয়-বিক্রয় হালাল করেছেন আর সুদের লেন-দেন হারাম করেছেন।’’ (সূরা বাকারাহঃ ২৭৫)
يَمْحَقُ اللَّهُ الرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ
‘‘আল্লাহ সুদকে নির্মুল করে দেন এবং দান-সদকায় ক্রমবৃদ্ধি দান করেন।’’ (সূরা বাকারাহঃ ২৭৬)
الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ سِرًّا وَعَلَانِيَةً فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
‘‘যারা নিজেদের ধন-সম্পদ রাত-দিনে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তাদের জন্যে নিজেদের রব্ব্-এর নিকট অনেক শুভ ফল রয়েছে এবং তাদের কোন ভয় নেই- নেই কোন দুঃখ।’’ (সূরা বাকারাহঃ ২৭৪)
وَأَن لَّيْسَ لِلْإِنسَانِ إِلَّا مَا سَعَىٰ – وَأَنَّ سَعْيَهُ سَوْفَ يُرَىٰ – ثُمَّ يُجْزَاهُ الْجَزَاءَ الْأَوْفَىٰ
‘‘মানুষের জন্যে কিছুই নেই, আছে শুধু ততটা যার জন্য সে চেষ্টা ও শ্রম করেছে আর তার চেষ্টা-প্রচেষ্টা অবশ্যই নিরীক্ষণ করা হবে। অতঃপর তার পূর্ণমাত্রায় প্রতিফল দেয়া হবে।’’ (সূরা আন–নাজমঃ ৩৯–৪১)
‘‘আর যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য (অর্থাৎ সম্পদ) সঞ্চিত করে রাখে, তা আল্লাহর পথে ব্যয় করেনা, তাদেরকে সুসংবাদ দাও পীড়াদায়ক আযাবের। একদিন এইসব স্বর্ণ ও রৌপ্য জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করা হবে এবং তা দিয়ে চিহ্ন দেয়া হবে তাদের কপাল, পার্শ্বদেশ ও পিঠে। বলা হবে, তোমরা নিজেদের জন্যে যে সম্পদ সঞ্চয় করেছিলে এ হচ্ছে তা-ই। অতএব এখন তোমরা তোমাদের সঞ্চয়ের স্বাদ আস্বাদন কর।’’ (আত–তাওবাঃ ৩৪–৩৫)
وَفِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِّلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
‘‘তাদের ধন-সম্পদে অভাবগ্রস্থ ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।’’ (সূরা যারিয়াতঃ ১৯)
وَالَّذِينَ فِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ – لِّلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
‘‘আর যাদের ধন-সম্পদে একটা সুনির্দিষ্ট হক্ রয়েছে অভাবগ্রস্থ ও বঞ্চিতদের জন্যে।’’ (সূরা মা’আরিজঃ ২৪–২৫)
وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا
‘‘আল্লাহ ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্রয়-বিক্রয় হালাল করেছেন আর সুদের লেন-দেন হারাম করেছেন।’’ (সূরা বাকারাহঃ ২৭৫)
يَمْحَقُ اللَّهُ الرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ
‘‘আল্লাহ সুদকে নির্মুল করে দেন এবং দান-সদকায় ক্রমবৃদ্ধি দান করেন।’’ (সূরা বাকারাহঃ ২৭৬)
الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ سِرًّا وَعَلَانِيَةً فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
‘‘যারা নিজেদের ধন-সম্পদ রাত-দিনে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তাদের জন্যে নিজেদের রব্ব্-এর নিকট অনেক শুভ ফল রয়েছে এবং তাদের কোন ভয় নেই- নেই কোন দুঃখ।’’ (সূরা বাকারাহঃ ২৭৪)
وَأَن لَّيْسَ لِلْإِنسَانِ إِلَّا مَا سَعَىٰ – وَأَنَّ سَعْيَهُ سَوْفَ يُرَىٰ – ثُمَّ يُجْزَاهُ الْجَزَاءَ الْأَوْفَىٰ
‘‘মানুষের জন্যে কিছুই নেই, আছে শুধু ততটা যার জন্য সে চেষ্টা ও শ্রম করেছে আর তার চেষ্টা-প্রচেষ্টা অবশ্যই নিরীক্ষণ করা হবে। অতঃপর তার পূর্ণমাত্রায় প্রতিফল দেয়া হবে।’’ (সূরা আন–নাজমঃ ৩৯–৪১)