১
শিক্ষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৯
সামাজিক সংহতি
ইসলামী সমাজের নাগরিকগণ পরস্পরের সাথে গভীর সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ। কেউ কারোর আইনসঙ্গত অধিকার, মালিকানা ও মর্যাদায় হস্তক্ষেপ করবেনা। প্রত্যেকেই স্বাধীন ও নির্ভীকভাবে স্বীয় কর্তব্য পালন করবে। কেউ কাউকে শোষণ করবে না-ঠকাবেনা। পাঠ্য বিষয়বস্তু দিয়ে শিক্ষার্থীদের মন-মগজ এভাবেই গড়ে তুলতে হবে। কেউ কাউকে অপমানিত, লাঞ্ছিত বা বিদ্রূপ করবে না, কারোর প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করবেনা, কারোর দোষ রটিয়ে বেড়াবেনা। যেমন বলা হয়েছেঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِّن قَوْمٍ عَسَىٰ أَن يَكُونُوا خَيْرًا مِّنْهُمْ وَلَا نِسَاءٌ مِّن نِّسَاءٍ عَسَىٰ أَن يَكُنَّ خَيْرًا مِّنْهُنَّ ۖ وَلَا تَلْمِزُوا أَنفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ ۖ بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوقُ بَعْدَ الْإِيمَانِ
‘‘হে ঈমানদার লোকেরা! না কোন পুরুষ অপর পুরুষদের বিদ্রুপ করবে-হতে পারে যে, সে তাদের তুলনায় ভালো হবে। আর না কোন মহিলা অন্যান্য মহিলাদের ঠাট্টা করবে-হতে পারে যে, সে তাদের অপেক্ষা উত্তম হবে। (তোমরা) নিজেদের মধ্যে একজন অপরজনের ওপর অভিসম্পাত করবে না এবং না একজন অপর লোকদেরকে খারাপ উপনামে স্মরণ করবে। ঈমান গ্রহণের পর ফাসিকী কাজে খ্যাতিলাভ অত্যন্ত খারাপ কথা।’’ (সূরা হুজুরাতঃ ১১)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِّنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ ۖ وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا ۚ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ
‘‘হে ঈমানদার লোকেরা! খুব বেশী খারাপ ধারণা পোষণ হতে বিরত থাক। কেননা কোন কোন ধারণা ও অনুমান গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। তোমরা দোষ খোঁজাখুঁজি করো না আর তোমাদের কেউ যেন কারও গীবত না করে। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি যে তাহার মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে? তোমরা নিজেরাই তো এতে ঘৃণা পোষণ করে থাকো।’’ (সূরা হুজুরাতঃ ১২)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِّن قَوْمٍ عَسَىٰ أَن يَكُونُوا خَيْرًا مِّنْهُمْ وَلَا نِسَاءٌ مِّن نِّسَاءٍ عَسَىٰ أَن يَكُنَّ خَيْرًا مِّنْهُنَّ ۖ وَلَا تَلْمِزُوا أَنفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ ۖ بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوقُ بَعْدَ الْإِيمَانِ
‘‘হে ঈমানদার লোকেরা! না কোন পুরুষ অপর পুরুষদের বিদ্রুপ করবে-হতে পারে যে, সে তাদের তুলনায় ভালো হবে। আর না কোন মহিলা অন্যান্য মহিলাদের ঠাট্টা করবে-হতে পারে যে, সে তাদের অপেক্ষা উত্তম হবে। (তোমরা) নিজেদের মধ্যে একজন অপরজনের ওপর অভিসম্পাত করবে না এবং না একজন অপর লোকদেরকে খারাপ উপনামে স্মরণ করবে। ঈমান গ্রহণের পর ফাসিকী কাজে খ্যাতিলাভ অত্যন্ত খারাপ কথা।’’ (সূরা হুজুরাতঃ ১১)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِّنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ ۖ وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا ۚ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ
‘‘হে ঈমানদার লোকেরা! খুব বেশী খারাপ ধারণা পোষণ হতে বিরত থাক। কেননা কোন কোন ধারণা ও অনুমান গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। তোমরা দোষ খোঁজাখুঁজি করো না আর তোমাদের কেউ যেন কারও গীবত না করে। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি যে তাহার মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে? তোমরা নিজেরাই তো এতে ঘৃণা পোষণ করে থাকো।’’ (সূরা হুজুরাতঃ ১২)