১
পরিবার ও পারিবারিক জীবন
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২৭
পিতামাতার খেদমত ও জিহাদে যোগদান
পিতামাতার অধিকার সন্তানের ওপর এত বেশি যে, তাদের অনুমতি ছাড়া জিহাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনী কাজেও যোগদান করা জায়েয নয়। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) বলেনঃ
(আরবী)
এক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে জিহাদে যোগদান করার অনুমতি চাইলে তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার পিতামাতা জীবিত আছে কি? লোকটি বললঃ জি, বেঁচে আছেন। তখন রাসূলে করীম (ﷺ) বললেনঃ তাহলে তুমি তাঁদের খেদমতেই প্রাণপণে লেগে যাও, এটাই তোমার জিহাদ।
অপর এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, হাজেমা নামক এক সাহাবী বলেনঃ আমি রাসূলের কাছে জিহাদে শরীক হওয়া সম্পর্কে পরামর্শ করার জন্যে উপস্থিত হলাম।
তখন রাসূল (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেনঃ (আরবী) –তোমার মা কি জীবিত আছেন?
আমি বললামঃ হ্যাঁ। তখন রাসূলে করীম (ﷺ) বললেনঃ
(আরবী)
তুমি ফিরে যাও এবং তোমার মা’র সম্মান ও খেদমতে লেগে যাও। কেননা তার দুপাযের তলাতেই বেহেশত রয়েছে।
রাসূলে করীম (ﷺ) মক্কা ও মদীনার মাঝখানে এক বৃক্ষের তলায় সাহাবীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে বসেছিলেন। সহসা এক দুর্ধর্ষ বেদুঈন এসে উপস্থিত হলো এবং বললঃ
(আরবী)
হে আল্লাহর রাসূল, আমি আপনার সঙ্গে জিহাদে গমন করতে চাই, আমার মধ্যে শক্তিও আমি পাচ্ছি, আমি আপনার সঙ্গে মিলে শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করতে ভালোবাসি এবং আপনার সম্মুখে নিহত হতেও পছন্দ করি।
তখন রাসূলে করীম (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেনঃ
(আরবী)
তোমার কি বাপ-মার মধ্যে কেউ জীবিত আছেন?
লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তখন রাসূলে করীম (ﷺ) বললেনঃ
(আরবী)
তাহলে তুমি ফিরে যাও, পিতামাতার সঙ্গে গিয়ে মিলিত হও এবং তাদের জন্যে কল্যাণকর কাজ করো; আর আল্লাহ ও বাপ-মা’র শোকর আদায় করো।
সে লোকটি বললঃ আমি তো যুদ্ধ করার শক্তি রাখি এবং শত্রুর সাথে লড়াই করতে ভালোবাসি।
তখন রাসূলে করীম (ﷺ) আবার নির্দেশ দিলেনঃ
(আরবী)
যাও, তোমার বাপ-মার সাথে গিয়ে বসবাস করতে থাক।
আবূ দাঊদের এক বর্ণনায় বলা হয়েছেঃ এক ব্যক্তি ইয়েমেন থেকে হিজরত করে রাসূলের কাছে বসবাস করার ও জিহাদে শরীক হওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে মদীনায় এসে উপস্থিত হলো। রাসূলে করীম (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেনঃ বাড়িতে তোমার কে কে আছে? সে বললঃ বাপ-মা সবই আছেন। তাদের অণুমতি নিয়ে এসেছে কিনা একথা জিজ্ঞেস করলে লোকটি বললঃ না, অনুমতি নিয়ে আসেনি।
তখন নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ
(আরবী)
তুমি তাদের কাছে ফিরে যাও এবং তাদের দু’জনের কাছেই অনুমতি চাও। অনুমতি দিলে ফিরে এসে জিহাদে শরীক হবে। আর অনুমতি না দিলে তুমি তাদেরই কল্যাণময় খেদমতের কাজে লেগে থাকবে।
পিতামাতার হক ছেলে-সন্তানের ওপর যে কত বেশি এবং কত তীব্র ও অনিবার্য-অপরিহার্য, তা উপরের দলীলভিত্তিক বিস্তারিত আলোচনা থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয়।
(আরবী)
এক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে জিহাদে যোগদান করার অনুমতি চাইলে তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার পিতামাতা জীবিত আছে কি? লোকটি বললঃ জি, বেঁচে আছেন। তখন রাসূলে করীম (ﷺ) বললেনঃ তাহলে তুমি তাঁদের খেদমতেই প্রাণপণে লেগে যাও, এটাই তোমার জিহাদ।
অপর এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, হাজেমা নামক এক সাহাবী বলেনঃ আমি রাসূলের কাছে জিহাদে শরীক হওয়া সম্পর্কে পরামর্শ করার জন্যে উপস্থিত হলাম।
তখন রাসূল (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেনঃ (আরবী) –তোমার মা কি জীবিত আছেন?
আমি বললামঃ হ্যাঁ। তখন রাসূলে করীম (ﷺ) বললেনঃ
(আরবী)
তুমি ফিরে যাও এবং তোমার মা’র সম্মান ও খেদমতে লেগে যাও। কেননা তার দুপাযের তলাতেই বেহেশত রয়েছে।
রাসূলে করীম (ﷺ) মক্কা ও মদীনার মাঝখানে এক বৃক্ষের তলায় সাহাবীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে বসেছিলেন। সহসা এক দুর্ধর্ষ বেদুঈন এসে উপস্থিত হলো এবং বললঃ
(আরবী)
হে আল্লাহর রাসূল, আমি আপনার সঙ্গে জিহাদে গমন করতে চাই, আমার মধ্যে শক্তিও আমি পাচ্ছি, আমি আপনার সঙ্গে মিলে শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করতে ভালোবাসি এবং আপনার সম্মুখে নিহত হতেও পছন্দ করি।
তখন রাসূলে করীম (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেনঃ
(আরবী)
তোমার কি বাপ-মার মধ্যে কেউ জীবিত আছেন?
লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তখন রাসূলে করীম (ﷺ) বললেনঃ
(আরবী)
তাহলে তুমি ফিরে যাও, পিতামাতার সঙ্গে গিয়ে মিলিত হও এবং তাদের জন্যে কল্যাণকর কাজ করো; আর আল্লাহ ও বাপ-মা’র শোকর আদায় করো।
সে লোকটি বললঃ আমি তো যুদ্ধ করার শক্তি রাখি এবং শত্রুর সাথে লড়াই করতে ভালোবাসি।
তখন রাসূলে করীম (ﷺ) আবার নির্দেশ দিলেনঃ
(আরবী)
যাও, তোমার বাপ-মার সাথে গিয়ে বসবাস করতে থাক।
আবূ দাঊদের এক বর্ণনায় বলা হয়েছেঃ এক ব্যক্তি ইয়েমেন থেকে হিজরত করে রাসূলের কাছে বসবাস করার ও জিহাদে শরীক হওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে মদীনায় এসে উপস্থিত হলো। রাসূলে করীম (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেনঃ বাড়িতে তোমার কে কে আছে? সে বললঃ বাপ-মা সবই আছেন। তাদের অণুমতি নিয়ে এসেছে কিনা একথা জিজ্ঞেস করলে লোকটি বললঃ না, অনুমতি নিয়ে আসেনি।
তখন নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ
(আরবী)
তুমি তাদের কাছে ফিরে যাও এবং তাদের দু’জনের কাছেই অনুমতি চাও। অনুমতি দিলে ফিরে এসে জিহাদে শরীক হবে। আর অনুমতি না দিলে তুমি তাদেরই কল্যাণময় খেদমতের কাজে লেগে থাকবে।
পিতামাতার হক ছেলে-সন্তানের ওপর যে কত বেশি এবং কত তীব্র ও অনিবার্য-অপরিহার্য, তা উপরের দলীলভিত্তিক বিস্তারিত আলোচনা থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয়।