১
পরিবার ও পারিবারিক জীবন
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৮
আল্লাহর ইবাদত আদায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা
আল্লাহর দ্বীন পালনের জন্যে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য হচ্ছে পরস্পরকে উৎসাহ দান। ইসলামের ফরয ওয়াজিব ইবাদত এবং শরীয়তের যাবতীয় হুকুম-আহকাম পালনের জন্যে তো একজন অপরজনকে প্রস্তুত ও উদ্বুদ্ধ করবেই। এ হচ্ছে প্রত্যেকেরই দ্বীনী কর্তব্য। কিন্তু তা ছাড়াও সুন্নত এবং নফল ইবাদতের জন্যেও তা করা ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক কর্তব্য। এ সম্পর্কে রাসূলে করীম (ﷺ)-এর দু’-তিনটি বাণী এখানে উল্লেখ করা যাচ্ছেঃ
তিনি এরশাদ করেছেনঃ
(আরবী)
আল্লাহ যে পুরুষকে রহমত দান করবেন, সে রাতের বেলা জেগে ওঠে নামায পড়বে এবং তার স্ত্রীকেও সেজন্যে সজাগ করবে। স্ত্রী ঘুম ছেড়ে উঠতে অস্বীকার করলে তার মুখে পানি ছিঁটিয়ে দেবে।
অনুরূপভাবে আল্লাহ রহমত দান করবেন সেই স্ত্রীকে, যে রাতের বেলা জেগে উঠে নিজে নামায পড়বে এবং সে তার স্বামীকেও সেজন্যে জাগাবে; স্বামী উঠতে না চাইলে মুখে পানি ছিঁটিয়ে দেবে।
অপর এক হাদীসে বলা হয়েছেঃ
(আরবী)
পুরুষ যখন তার স্ত্রীকে রাতের বেলা জাগাবে এবং দুজনেই নামায পড়বে –আলাদা আলাদাভাবে এবং দুরাকাত নামায একত্রে পড়বে, আল্লাহ এ স্বামী-স্ত্রীকে আল্লাহর যিকরকারী পুরুষ-নারীদের মধ্যে গণ্য করবেন।
তিনি এরশাদ করেছেনঃ
(আরবী)
আল্লাহ যে পুরুষকে রহমত দান করবেন, সে রাতের বেলা জেগে ওঠে নামায পড়বে এবং তার স্ত্রীকেও সেজন্যে সজাগ করবে। স্ত্রী ঘুম ছেড়ে উঠতে অস্বীকার করলে তার মুখে পানি ছিঁটিয়ে দেবে।
অনুরূপভাবে আল্লাহ রহমত দান করবেন সেই স্ত্রীকে, যে রাতের বেলা জেগে উঠে নিজে নামায পড়বে এবং সে তার স্বামীকেও সেজন্যে জাগাবে; স্বামী উঠতে না চাইলে মুখে পানি ছিঁটিয়ে দেবে।
অপর এক হাদীসে বলা হয়েছেঃ
(আরবী)
পুরুষ যখন তার স্ত্রীকে রাতের বেলা জাগাবে এবং দুজনেই নামায পড়বে –আলাদা আলাদাভাবে এবং দুরাকাত নামায একত্রে পড়বে, আল্লাহ এ স্বামী-স্ত্রীকে আল্লাহর যিকরকারী পুরুষ-নারীদের মধ্যে গণ্য করবেন।